BREAKING NEWS

১৮ শ্রাবণ  ১৪২৭  সোমবার ৩ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

কাকদ্বীপে নদীবাঁধে ফাটলের জেরে প্লাবিত গ্রাম, আতঙ্কে স্থানীয়রা

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: November 12, 2019 2:14 pm|    Updated: November 12, 2019 2:15 pm

An Images

সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার:  নদীবাঁধে ফাটলের জেরে সোমবার বিকেল থেকে কাকদ্বীপের ঈশ্বরীপুর গ্রামে ঢুকতে শুরু করেছিল জল। খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে যান সেচদপ্তর ও মহকুমা প্রশাসনের আধিকারিকরা। কিন্তু রাতে মেরামতির কাজ শুরু হয়নি। সেই কারণে রাত জেগে বাঁধ পাহারা দিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঈশ্বরীপুরের বাসিন্দারা। তবে মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে বাঁধ মেরামতির কাজ। এখনও রীতিমতো আতঙ্কে স্থানীয়রা।

সোমবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ কাকদ্বীপ থানার নামখানা ব্লকের ঈশ্বরীপুরে সপ্তমুখী নদীর স্থায়ী মাটির বাঁধে হঠাৎই ফাটল দেখা দেয়। ভাঁটার টানে মুহূর্তেই সেই ফাটল থেকে একশো মিটার এলাকা ধসে যায়। ঈশ্বরীপুর গ্রামে হু-হু করে নদীর জল ঢুকতে শুরু করে। নজরে পড়তেই খবর দেওয়া হয় প্রশাসনিক আধিকারিকদের। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রশাসনকে জানানোর পরও সন্ধে পর্যন্ত কারও দেখা মেলেনি। তবে রাতের দিকে কাকদ্বীপ মহকুমা প্রশাসন এবং সেচদপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। রাতের দিকে ফের বাঁধের আরও কিছু অংশে ধস নেমে যায়। বাঁধ ভেঙে গ্রামে জল ঢুকে পড়ায় বেশ কিছু চাষের জমি ইতিমধ্যেই প্লাবিত হয়েছে। আতঙ্কিত গ্রামবাসীরা রাতে বাঁধ পাহারা দেন।

[আরও পড়ুন: ৪ হাজার বছর প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থলে চড়ছে গরু-ছাগল, অবহেলিত পাণ্ডু রাজার ঢিবি]

কাকদ্বীপের মহকুমাশাসক সৌভিক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, গোবিন্দ রামপুর ও ঈশ্বরীপুর এলাকায় নদীর বাঁধে ফাটলের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর রাতেই প্রশাসন ও সেচ দপ্তরের আধিকারিকরা ওই এলাকা পরিদর্শন করেন। তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলি ঘুরে দেখেন। মঙ্গলবার সকাল থেকেই ওই দুই এলাকায় বাঁধ মেরামতের কাজ শুরু হয়। সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী মন্টুরাম পাখিরা জানান, একটু দেরিতে হলেও তাঁরা বিষয়টি জানা মাত্রই সেচ দপ্তরের আধিকারিকদের ঘটনাস্থলে যাওয়ার নির্দেশ দেন। মঙ্গলবার সকাল থেকেই সেচদপ্তর ওই বাঁধ মেরামতির কাজ শুরু করে দিয়েছে।

[আরও পড়ুন: বুলবুল বিধ্বস্ত এলাকায় গিয়ে নিজে হাতে দুর্গতদের ত্রাণ বিলি করলেন সাংসদ মিমি]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement