Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

দিল্লির ছবি ফিরল শিলিগুড়িতে, ধোঁয়ার জেরে শ্বাসকষ্টে কাবু বাসিন্দারা

ধোঁয়ার উৎস নিয়ে ঘোর ধোঁয়াশা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৯, ২০১৮, ২০:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৯, ২০১৮, ২০:৩০

options
link
দিল্লির ছবি ফিরল শিলিগুড়িতে, ধোঁয়ার জেরে শ্বাসকষ্টে কাবু বাসিন্দারা zoom

অরূপ বসাক, শিলিগুড়ি: ধোঁয়া নিয়ে ধোঁয়াশা। রবিবার রাতের শিলিগুড়ি শহরের ধোঁয়ার রহস্যভেদ হল না সোমবারও। বন দপ্তর থেকে দমকল, এমনকী মহকুমা প্রশাসনেরও অজানা ধোঁয়ার কারণ। আর এই ধোঁয়াকে কেন্দ্র করেই দিল্লিকে মনে করাল শহর শিলিগুড়ি।

কয়েকমাস আগে কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে গিয়েছিল রাজধানী দিল্লি। ভোরের আলো ফুটলেও ধোঁয়ার চাদরে ঢেকে ছিল শহরের চারিদিক। রবিবার রাতে কার্যত একইরকম ঘটনা ঘটল উত্তরের শিলিগুড়িতে। দিল্লিতে যেটা ধোঁয়ার চাদরের মধ্যে ঘুম ভাঙে, শিলিগুড়িতে সেটা ঘুমাতে যাওয়ার আগে। রাজধানী দিল্লির ওই ধোঁয়ার কারণ পাঞ্জাব-হরিয়ানায় নাড়া পোড়ানোর ফল বলে অনেকে মনে করেছেন। কিন্তু শিলিগুড়ির ঘটনার কারণ সোমবার পর্যন্ত অজানা সবার।

Advertisement

[পথ দুর্ঘটনায় দুই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর মৃত্যু, বিক্ষোভে রণক্ষেত্র দেবগ্রাম]

রবিবার রাত ন’টা থেকেই একটু একটু করে ধোঁয়ায় ঢাকতে থাকে শিলিগুড়ি শহর। রাত বাড়তেই ধোঁয়ার জেরে রীতিমতো চোখ জ্বলতে শুরু করে। দেখা দেয় শ্বাসকষ্ট। ধোঁয়ার কারণ জানতে রাস্তায় নেমে আসেন বাসিন্দাদের অনেকে। ঘনঘন ফোন যায় দমকল, বন দপ্তর, পুলিশের কাছে। কিন্তু দমকল থেকে পুলিশ-প্রশাসন, কৃষি দপ্তর, দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ, হাওয়া অফিস- ধোঁয়ার কারণ নিয়ে সদুত্তর ছিল না কারও কাছেই। বছরের এই সময় জঙ্গলে ঝরাপাতায় আগুন লেগে অনেক সময় ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়। রবিবারও গজলডোবা, নেপালিবস্তি সংলগ্ন জঙ্গলে আগুন লাগার খবর মিলেছে। তবে সেই আগুনের ধোঁয়ায় গোটা শহর আচ্ছন্ন হয়ে গিয়েছিল কি না তা নিয়ে নিশ্চিত নয় কেউই।

বন দপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান বনপাল মানা রাম বালুচ বলেন, মার্চ-এপ্রিল মাসে জঙ্গলে ঝরা পাতায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। গাছ থেকে ঝরে যাওয়া পাতায় আগুন ধরানো হয়। একে ‘গ্রাউন্ড ফায়ার’ বলে। রবিবারও বৈকুন্ঠপুর জঙ্গলে এমন ঘটনা ঘটে। কিন্তু তার জেরে শহর এভাবে ধোঁয়ায় ছেয়ে যেতে পারে বলে তাঁদের মনে হচ্ছে না। কেউ মনে করছেন শিলিগুড়ি ডাম্পিং গ্রাউন্ডে বর্জ্যতে আগুন লেগে ধোঁয়া ছড়িয়েছে। কিন্তু দমকলের দাবি, রবিবার রাতে ডাম্পিং গ্রাউন্ডে কোনও আগুন লাগেনি। শিলিগুড়ি দমকল কেন্দ্রের ওসি এস ডি লেপচা বলেন, রবিবার শহরের এই ধোঁয়া নিয়ে একের পর এক ফোন কলে জেরবার হয়েছেন তাঁরা। কিন্তু কোথাও কোনও উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি। ডাম্পিং গ্রাউন্ডে আগুন লাগার খবর পেয়ে দমকলের ইঞ্জিন পাঠানো হয়। বেশ কয়েক ঘণ্টা সেখানেই দমকলের ইঞ্জিন দাঁড়িয়ে থাকে। তেমন কিছু পাওয়া যায়নি।”

[নিউ দিঘার হোটেলে উদ্ধার যুগলের ঝুলন্ত দেহ, গ্রেপ্তার প্রেমিকের বাবা]

শিলিগুড়ির মহকুমা শাসক সিরাজ দানেশ্বর বলেছেন, “বিষয়টি তাঁদের কাছেও বিস্ময়কর। তবে বিনা কারণে তো আর এমনটা হতে পারে না। নিশ্চয়ই কোনও না কোনও কারণ রয়েছে। তা খুঁজে বের করতে হবে। এ নিয়ে দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ, আবহাওয়া অফিস, বন ও কৃষি দপ্তর-সহ অন্যান্য সব বিভাগের কাছ জানতে চাওয়া হবে।”

আবহাওয়া বিভাগের জলপাইগুড়ির ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক দেবপ্রিয় রায় বলেন, রবিবার আবহাওয়া সংক্রান্ত বিশেষ কোনও পূর্বাভাস ছিল না। বাতাসের চাপ পরিবর্তন, তারতম্যের অস্বাভাবিকতা দেখা যায়নি। তবে কয়েকটি ছোট ছোট অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা জঙ্গলে ঘটলেও তার জেরে গোটা শহর ধোঁয়ায় ছেয়ে যাওয়ার মতো কারণ তাঁরা দেখতে পাচ্ছেন না।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.