Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
এক ফোনেই ফাঁকা অ্যাকাউন্ট

এক ফোনেই ফাঁকা অ্যাকাউন্ট! প্রতারিতের অভিযোগে দিল্লি পুলিশের জালে বাংলার ২ জালিয়াত

৫ দিনের রিমান্ডে দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে তাদের জেরা করা হচ্ছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০২০, ১১:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০২০, ১১:৩৯

options
link
এক ফোনেই ফাঁকা অ্যাকাউন্ট! প্রতারিতের অভিযোগে দিল্লি পুলিশের জালে বাংলার ২ জালিয়াত zoom
ছবি: প্রতীকী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অজানা নম্বর থেকে অচেনা গলায় একটি মাত্র ফোন। অ্যাকাউন্ট নম্বর বলে কথোপকথন শুরু। ব্যাংকের কেওয়াইসির জন্য ফোন করা হচ্ছে। ঠিকমতো সমস্ত তথ্য না দিলে আপনার এটিএম কার্ড ব্লক হয়ে যাওয়ার হুমকি। ব্যস! সঙ্গে সঙ্গে সরল বিশ্বাসে অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত অতি গোপনীয় তথ্য দিয়ে ফেলেন অনেকেই। মুহূর্তের মধ্যেই ব্যাংকে রেজিস্টার্ড নম্বরে মেসেজ। তাতে লেখা ঠিক কত পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন জালিয়াত। তারপর হাজারবার ফোন করলেও ওই নম্বরে আর যোগাযোগ করা যাবে না। এই পদ্ধতিতে ব্যাংক জালিয়াতি লেগেই রয়েছে। ধরপাকড়ও চলছে। তবে দিল্লি থেকে বাংলা পর্যন্ত এই জালিয়াত চক্রের বিস্তৃতির কথা জানতে পেরে হতবাক তদন্তকারীরা।

সম্প্রতি দিল্লির (Delhi) বাসিন্দা এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন মাত্র কয়েক মিনিটের ফোনালাপেই ফাঁকা হয়ে গিয়েছে তাঁর অ্যাকাউন্ট। প্রায় নিঃস্ব হয়ে গিয়েছেন ওই ব্যক্তি। তদন্তে নামে দিল্লি পুলিশ। তাতেই পুলিশের হাতে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশ জানতে পারে জালিয়াতরা বীরভূমের রাজনগরের লুকিয়ে রয়েছে। বৃহস্পতিবার বীরভূম জেলা পুলিশের সহায়তা সিউড়ি জেলা সংশোধনাগারের কাছ থেকে পুলিশ ওই দু’জনকে গ্রেপ্তার করে। জানা গিয়েছে, তারা প্রত্যেকেই জামতাড়া গ্যাংয়ের সদস্য। তাদের আদালতে তোলা হয়। বিচারক পাঁচ দিনের ট্রানজিট রিমান্ডে তাদের দিল্লি নিয়ে যায়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: চলতি সপ্তাহে কেমন থাকবে রাজ্যের আবহাওয়া? জেনে নিন কী বলছে হাওয়া অফিস]

পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের মধ্যে একজনের কাজ ছিল অ্যাকাউন্ট নম্বর জোগাড় করা। আরেকজনের কাজ ছিল ফোনালাপের মাধ্যমে টাকা হাতানো। অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা নিয়ে প্রথমে ধৃতদের মধ্যে একজনের অ্যাকাউন্টে টাকা রাখা থাকত। যার অ্যাকাউন্টে টাকা রাখা থাকত তাকে ১০ শতাংশ টাকা বেশি দিতে হত।

[আরও পড়ুন: বাড়িতে ভূত পোষেন! প্রতিবেশীদের অভিযোগে একঘরে রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকের পরিবার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.