সঞ্জিত ঘোষ, নদিয়া: অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের আন্দোলন ঘিরে রণক্ষেত্র হয়ে উঠল কৃষ্ণনগর পুরসভা চত্বর। দুই পক্ষের হাতাহাতিতে একাধিক ব্যক্তির মাথা ফাটল। প্রবল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় বিপুল সংখ্যায় কোতোয়ালি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে র্যাফও নামে।
দীর্ঘদিন ধরেই কৃষ্ণনগর পুরসভার অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের পাওনা বকেয়া রয়েছে বলে অভিযোগ। মাঝেমধ্যে পাওনার দাবিতে বিক্ষোভও চলে। আজ শুক্রবার ফের সেই পাওনার দাবিতে জড়ো হন আন্দোলনকারীরা। চেয়ারম্যানের কাছে ডেপুটেশন কর্মসূচি ছিল। আন্দোলন চলাকালীনই শুরু হয়ে যায় ধুন্ধুমার। বেশ কিছু লোক সেই বিক্ষোভ চলাকালীন সেখানে জড়ো হন। তাঁদের সঙ্গেই আন্দোলনকারীদের সঙ্গে প্রথমে বচসা হয়। তারপরই শুরু হয়ে যায় হাতাহাতি।
কয়েকজন বাঁশ, লাঠি দিয়ে হামলা চালান বলে অভিযোগ। মুহূর্তে পুরসভা এলাকা রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে। রাস্তার উপরেও বাঁশ, লাঠি নিয়ে তাড়া করা হয় বলে অভিযোগ। হামলার ঘটনায় এক কাউন্সিলর ও এক অবসরপ্রাপ্ত কর্মী-সহ চারজন গুরুতর জখম হন। এছাড়াও আরও অনেকে কম-বেশি আহত বলে খবর। ঘটনার খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসতে র্যাফও নামে। জখমদের উদ্ধার করে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু কারা আন্দোলনের মধ্যে ঢুকে বিশৃঙ্খলা চালালো?
আন্দোলনকারীদের দাবি, চেয়ারম্যানের অনুগামীরা তাঁদের উপর হামলা চালিয়েছেন। যদিও এই অভিযোগ সম্পর্কে কিছুই বলতে চাননি চেয়ারম্যান রীতা দাস। তিনি দাবি করেন, মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠান চলাকালীন আন্দোলন শুরু করে দেন তাঁরা। মাইক বাজাতেই শুরু হয় ঝামেলা। চেয়ারম্যানের আরও অভিযোগ, এক কাউন্সিলরের মদতেই এই ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও চাপা উত্তেজনা থাকে দীর্ঘ সময়।
সর্বশেষ খবর
-
শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত বিজ্ঞাপন আর নয়! মেটাকে নোটিস, ৭ দিনের মধ্যে জবাব তলব কেন্দ্রের
-
‘লাল পতাকাই জান’, গাড়িতে থাকবেই সিপিএমের প্রতীক! অনড় অ্যাপ ক্যাব চালক ফেরালেন যাত্রী
-
হবু স্ত্রীর হাতে ‘খুন’ নাতি, শোক সইতে না পেরে ১৬ দিনের মাথায় মৃত্যু কেতনের ঠাকুরদার
-
সেবাশ্রয় নিয়ে অভিষেকের নামে নয়া অভিযোগ ববির, নাম রয়েছে সুমিত-জাহাঙ্গিরেরও
-
‘ডিমের জায়গায় ইট মারা হবে…’, ‘পলাতক’ পঞ্চায়েত প্রধানদের হুঁশিয়ারি দিলীপের