সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ডহারবার: মঙ্গলবার অষ্টমী। সেই দিন, বৃদ্ধাশ্রমের প্রবীণ আবাসিক এবং অনাথ আশ্রমের শিশুদের জন্য প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি দুপুরের খাবারের আয়োজন করেছে ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশ। অষ্টমীতে শহরের কোলাহল, আলো আর আনন্দের ভিড়ে বৃদ্ধাশ্রম এবং অনাথ আশ্রমের কচিকাঁচাদের মুখে হাসিতে ভরিয়ে তুলেছে পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিতুন কুমার দে’র উদ্যোগে এদিন বৃদ্ধাশ্রমের অসহায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধা এবং অনাথ আশ্রমের শিশুদের সঙ্গে নিয়ে প্রতিমা দর্শন। পুলিশের গাড়িতেই শহরের বিভিন্ন পুজোমন্ডপ ঘুরে দেখলেন তাঁরা। কেউ হাঁটতে পারেন না, কেউ হুইলচেয়ার-নির্ভর, কেউ আবার জীবনের সায়াহ্নে, তবুও পুলিশের সহায়তায় সকলে ভাগ করে নিলেন উৎসবের আনন্দ। এমনকি শয্যাশায়ী প্রবীণদেরও কোলে করে প্রতিমা দর্শন করালেন পুলিশকর্মীরা।
শুধু প্রতিমা দর্শনই নয়, তাদের জন্য ছিল বিশেষ খাবারের আয়োজন। সকালের জলখাবার থেকে শুরু করে দুপুরের ভোজ, সবই নিখরচায় পরিবেশন করা হয় সকল দর্শনার্থীকে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিতুন কুমার দে নিজে পরিবেশন করেন সবকিছু। মিতুন কুমার দে বলেন, “ভালো লাগার জায়গা থেকেই এই উদ্যোগ। আলোর বাইরে থাকা মানুষদের মুখে হাসি ফোটাতেই আমাদের এই প্রয়াস।”
আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সমাজের প্রান্তিক মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে যে পুলিশও উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিতে পারে, তারই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রইল ডায়মন্ড হারবার। প্রবীণ এবং অনাথ শিশুদের মুখে যে খুশির ঝলক এদিন ধরা পড়েছে, সেটাই এবছরের দুর্গোৎসবের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। পুলিশের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়রা ও পুজো উদ্যোক্তারা। এ যেন সত্যিই এক অন্য রকম “দুর্গোৎসব।”
সর্বশেষ খবর
-
ঝড়ের তাণ্ডবে বেসামাল ডিঙি, ভাগীরথীতে তলিয়ে মৃত্যু মহিলার
-
‘পনেরো জন তালিবান, আমি একা মেয়ে!’ আফগানিস্তানের সোলো ট্রিপে আশ্চর্য অভিজ্ঞতা ইনফ্লুয়েন্সারের
-
এআই দিয়ে মায়ের ছবি বিকৃত করে ব্ল্যাকমেল! অন্ডালে রহস্যমৃত্যু কিশোরের
-
যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্পের দ্বারস্থ জেলেনস্কি, তার মধ্যেই মস্কোর তৈল শোধনাগার উড়িয়ে দিল ইউক্রেন
-
শকুন্তলাকে স্পেশাল হোমগার্ডের চাকরি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু রাজ্যের, সুদিন ফেরার আশায় পরিবার