ব্রতদীপ ভট্টাচার্য ও সোমনাথ পাল: ফের বেফাঁস দিলীপ ঘোষ। এবার বনগাঁয় পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে এসে আরও কদর্য ভাষায় শাসকদলকে আক্রমণ করেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি। রবিবার তিনি তৃণমূলকে হুমকি দিয়ে বলেন, ‘প্রয়োজন হলে যে যে ভাষায় কথা বোঝে তাঁকে সে ভাষায় জবাব দেব। যা কামিয়েছেন, তা ভোগ করতে পারবেন না। ছেলে-বউকে দেখার লোক থাকবে না। অনাথ করে দেব। প্রেস-পুলিশের সামনে বলছি, আমাদের চোখ দেখালে, ছ’ফুট নিচে পাঠাব নাহলে ছ’ফুট উপর থেকে নামিয়ে দেব। মায়ের দুধ খেয়ে থাকলে পরেরদিন গায়ে হাত দিয়ে দেখান।’
এদিন বঙ্গ বিজেপির সভাপতির নিশানায় ছিল রাজ্য সরকারের নির্মিত শৌচালয়ও। ভোটের আগেই বনগাঁয় উত্তাপ বাড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা সাধলেন দিলীপ ঘোষ। টিপ্পনি কেটে তাঁর কটাক্ষ, “শৌচালয়ের সামনে লেখা মূখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায়। রাজ্যবাসীকে এখন শৌচকর্ম করতে গেলেও মুখ্যমন্ত্রীর নাম নিতে হচ্ছে। এ আমাদের দুর্ভাগ্য।” প্রসঙ্গত, নির্মল বাংলা মিশনের আওতায় গ্রামে গ্রামে পাকা শৌচালয় নির্মাণ করেছে রাজ্য সরকার। নির্মল বাংলা গড়ে তুলতে জেলায় জেলায় কোনও কসুর রাখেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। রাজ্য সরকারের প্রকল্পকেও কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না দিলীপ ঘোষ।
[আক্রান্ত স্বামী, ছেলেকে নিয়ে বিজেপির জেলা কার্যালয়ে আশ্রয় নিলেন মহিলা প্রার্থী]
এদিন রণংদেহী মেজাজে বিজেপির রাজ্য সভাপতি চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন শাসকদলকে। তিনি বলেন, ‘এখন রাজ্যবাসীকে শৌচকর্ম করতে গেলেও মুখ্যমন্ত্রীর নাম নিতে হচ্ছে। এটা আমাদের দূর্ভাগ্য। কারণ, তৃণমূল সরকার কত নিচে নামতে পারে এটা তারই উদাহরণ। তিনি আরও বলেন, ‘এই সরকারের শাসনে ভোটের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার জন্য বিডিও অফিসের কোনও প্রয়োজন নেই৷ থানাতে এখন মনোনয়নের ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ পুলিশের কোনও মেরুদণ্ড নেই। পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে তৃণমূল এখন যা খুশি তাই করছে। বিরোধীদের রাজ্যে এখন কোনও নিরাপত্তা নেই।’
এ প্রসঙ্গে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে শাসকদলের হাতে বিরোধীদের আক্রান্ত হওয়ার প্রসঙ্গও টেনে আনেন তিনি। পুলিশ তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে, শাসকদলের অবস্থা এখন মহাভারতের কৌরবদের মতো। দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণের পর ওরা যেমন ভস্ম হয়ে গিয়েছিল শাসকদলের অবস্থাও তাই হবে বলে তোপ দাগেন। বলেন, ‘এদের এখন বিজেপি ভূত তাড়া করে বেড়াচ্ছে। রাজ্যে এখন দাদার চাল আর দিদির নাম চলছে। কারণ দু-টাকায় চাল দিচ্ছেন মোদী আর নাম হচ্ছে দিদির। কেন্দ্রীয় সরকারের সব প্রকল্পই এখন তৃণমূল নিজেদের নামে চালাচ্ছে।’ এদিন গোপালনগর থানার আকাইপুর, পাল্লা, দিঘাড়ী ও গাইঘাটা থানার চাঁদপাড়া, ডুমোতে প্রচার সাড়েন তিনি।
[গলায় ধাতব পাত দিয়ে আঘাত, পুলিশি হেফাজতেই আত্মহত্যার চেষ্টা মধুমিতা মিস্ত্রির]
সর্বশেষ খবর
-
এ কেমন নাচাকোদা! অংশুলার বিয়েতে অর্জুন কাপুর-রণবীরের ‘ব্রোম্যান্স’ দেখে হেসে খুন সক্কলে
-
মিশরকে ডাকাতি করে হারানো হয়েছে! এবারে মেসিদের জয়ে নিউ ইয়র্কের মেয়র মামদানিরও
-
ফের ভূমিধসে অবরুদ্ধ ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক, তীব্র যানজটে আটকে বহু পর্যটক
-
২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যাঙ্কে জমা হবে দান, তারাপীঠ মন্দিরেও এবার ডিজিটাল লেনদেন
-
সরকারি চাকরির লোভ, ভাড়াটে খুনি লাগিয়ে মা’কে খুন মেয়ের! তারপর…