পরিবারে আর্থিক সচ্ছলতা আনতে স্ত্রীকে নিয়ে কেরালায় পরিযায়ী শ্রমিকের কাজে গিয়েছিলেন। সচ্ছলতা তো এলই না বরং ওই শ্রমিক পরিবারে ঘনিয়ে এল চরম পরিণতি। কেরালায় কাজে গিয়ে পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন ডায়মন্ড হারবারের এক ব্যক্তির। মৃত ওই ব্যক্তির নাম মতিবুল ফকির। তিনি ডায়মন্ডহারবার পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের আদলদার পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়। কিন্তু দেহ ফেরাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে পরিবারকে। যদিও এই বিষয়ে কেরলের বেশ কয়েকজন সহৃদয় ব্যক্তি এগিয়ে এসেছেন। তাঁদের তৎপরতায় এবং প্রশাসনের সাহায্যে দেহ ফেরানোর চেষ্টা চলছে।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দিন ১৫ আগেই স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজে যোগ দিতে কেরালায় পাড়ি দিয়েছিলেন মতিবুল। সেখানে স্বামী এবং স্ত্রী দু’জনেই জোগাড়ের কাজ করতে গিয়েছিলেন। আগে ডায়মন্ড হারবার এলাকায় গাড়ি চালাতেন। কিন্তু সংসার চলছিল না। সেজন্যেই দুজনে পাড়ি দেন ভিন রাজ্যে। কিন্তু জানা যায়, শুক্রবার সকালে বাজারে যাওয়ার পথে সিমেন্ট বোঝাই একটি ট্রাক তাঁকে ধাক্কা মারে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় কেরালার ত্রিশূর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে মৃত্যু হয় মতিবুলের।
আরও পড়ুন:
এই অবস্থায় শোকাহত পরিবারটির সামনে এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে কেরালা থেকে মৃতদেহ বাড়িতে ফিরিয়ে আনা। পরিবারের আর্থিক অবস্থা এতই খারাপ যে দেহ বাড়িতে ফেরানোর ব্যয় বহন করা পরিবারের সদস্যদের পক্ষে কোনওভাবেই সম্ভব হচ্ছে না। নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী স্থানীয় প্রশাসন ও রাজ্য সরকারের কাছে দেহ ফিরিয়ে আনতে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে। যদিও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কেরলের বেশ কয়েকজন স্থানীয় মানুষ এগিয়ে এসেছেন। দেহ ফেরানোর বিষয়ে কিছুটা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। কিন্তু এরপরেও আর্থিক সমস্যা মেটেনি। এই অবস্থা প্রশাসন যাতে সাহায্য করে, সেই আবেদনও জানাচ্ছে পরিবার।
সর্বশেষ খবর
-
কালীনের কামব্যাকে কিস্তিমাত, নজরকাড়া রবি কিষান! কেমন হল ‘মির্জাপুর দ্য মুভি’?
-
ধ্বংসযজ্ঞ পেরিয়ে অবশেষে শান্তি! ট্রাম্পের দূত মস্কো পা রাখতেই ইউক্রেন যুদ্ধে ‘বিরতি’ ঘোষণা পুতিনের
-
ঋণ পেতে বড়সড় জালিয়াতি! ঋণখেলাপি সুভাষ চন্দ্রর বিরুদ্ধে মামলা সিবিআইয়ের
-
৮ বছর পর বারাসত স্টেডিয়ামে ফিরছে ফুটবল, এক ডার্বিতে তিন ইতিহাসের হাতছানি
-
ক্যানসার কেড়েছে মাকে, অসুস্থ বাবার ওষুধ জোগাতে ট্রেনে চা বিক্রি ১৩ বছরের সঞ্জুর