সুব্রত বিশ্বাস: জাতীয় পতাকার ‘অবমাননার’ অভিযোগে সরব লিলুয়া রেল ওয়ার্কশপের কর্মীরা। অভিযোগ, চলতি বছর আমফানে কারখানাটিতে থাকা তেরঙ্গা উড়ে যায়। ফাঁকা পরে থাকে পোলটি। বারবার আবেদন করা সত্বেও আজ পর্যন্ত সেখানে জাতীয় পতাকা (National Flag) লাগানো হয়নি। কর্মীদের অভিযোগ, ফাঁকা দণ্ড রেখে দেশের পতাকার অসম্মান করা হচ্ছে। এর বিহিত হওয়া দরকার।
[আরও পড়ুন: দেখা নেই স্বাস্থ্যকর্মীর, করোনায় মৃতের দেহ অ্যাম্বুল্যান্সে তুললেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট!]
বছরখানেক আগে জাতীয় পতাকাকে সম্মান প্রদর্শন করতে এক প্রকল্প নিয়েছিল ভারতীয় রেল। ওই প্রকল্পে স্টেশন থেকে সদর দপ্তর, ওয়ার্কশপ-সহ রেলের নানা ক্ষেত্রে জাতীয় পতাকাকে একশো ফুট দণ্ডে তুলে ধরা হয়। যাতে অনেক দূর থেকে তা দেখা যায়। ঘোষিত প্রকল্প বাস্তবায়িত হয় ক্রমান্বয়ে। রাতে পতাকা না নামিয়ে নিয়ম মেনে পতাকাকে (tricolour) আলোকিত রাখার ব্যাবস্থাও করা হয়।
এক বছর আগে এই পরিকল্পনা সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত হয়। এর জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে রেলকে। চলতি বর্ষে আমফান ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয় ঝান্ডাগুলি। রেল তা পুনরায় স্বমহিমায় উত্তোলনের ব্যবস্থা করে। কিন্তু দীর্ঘদিন কেটে গেলেও লিলুয়া ওয়ার্কশপে দীর্ঘ স্তম্ভে লাগেনি জাতীয় পতাকা। দণ্ডটি ঝান্ডা বিহীনভাবে দীর্ঘ দিন ধরে পড়ে রয়েছে। কর্মীদের অভিযোগ, বারবার ওয়ার্কশপ কর্তৃপক্ষকর আবেদন জানিয়েও কোনও ফল হয়নি। জাতীয় পতাকাকে সম্মানের উদ্দেশ্যে রেলের উদ্যোগকে মানছে না ওয়ার্কশপ কর্তৃপক্ষ। যদিও এনিয়ে ওয়ার্কশপ কর্তৃপক্ষ কোনও রকম মন্তব্য করতে চায়নি। রেলের কর্মী সংগঠনগুলো অভিযোগ তুলেছে, জাতীয় সম্মান স্বেচ্ছাচারিতার স্বীকার। জাতীয় পতাকা ঝড়ে উড়ে গেলে তা লাগানোর প্রয়োজন বোধ করেনা কর্তৃপক্ষ। এনিয়ে জোরদার দাবি তুলেছে সংগঠনগুলি।
[আরও পড়ুন: খাবারে মুখ দেওয়ার ‘শাস্তি’, বাইকে বেঁধে রাস্তা দিয়ে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হল বিড়ালকে]
সর্বশেষ খবর
-
পানিহাটি শ্মশানঘাটে সেদিন কী ঘটেছিল? শুভেন্দুর নির্দেশের পরই নয়া এফআইআর অভয়ার বাবার
-
‘বান্ধবী’ কোমলের সঙ্গে বিমানবন্দরে গোবিন্দা! সুনীতার খোঁচা ‘ওঁর মতিভ্রম হয়েছে’
-
বিএনপি-র মহাসচিব থেকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি! দৌড়ে এগিয়ে মির্জা ফখরুল
-
মার্কিন আদালতে খারিজ জালিয়াতি-ঘুষের মামলা, ‘আস্থা হারাইনি’, স্বস্তি পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ আদানির
-
‘সিন্ডিকেট করলে চামড়া তুলে নেব’, পরিবর্তনের বাংলায় কড়া হুঁশিয়ারি ‘দাবাং’ পুলিশের