BREAKING NEWS

১৩  আষাঢ়  ১৪২৯  মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে মিড-ডে মিল চেটেপুটে খেলেন জেলাশাসক

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: June 21, 2018 11:21 am|    Updated: June 21, 2018 11:21 am

DM eats mid-day meal with students in Alipurduar school

রাজকুমার কর্মকার, আলিপুরদুয়ার: বিধবাদের হাতে রান্না করা খাবার অচ্ছুৎ নয়। এটা বোঝানোর জন্য গ্রামে গিয়ে সরকারি স্কুলে মিড ডে মিলের রান্না বারান্দায় বসে খেয়েছিলেন জেলাশাসক। ঘটনাটি বিহারের গোপালগঞ্জ জেলার কল্যাণপুর গ্রামের। জেলাশাসক রাহুল কুমার। এবার সেই একই ঘটনা ঘটল আলিপুরদুয়ারে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিদর্শনে গিয়ে মিড-ডে মিলের দুপুরের ভোজ সারলেন জেলার নয়া জেলাশাসক নিখিল নির্মল। সঙ্গে ছিলেন বিডিও। ইতিমধ্যেই জেলা শাসকের মিড-ডে মিল খাওয়ার ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

[অজ্ঞাতপরিচয় সদ্যোজাতকে নিয়ে বচসা, উত্তেজনা বজবজে]

এই প্রসঙ্গে জেলাশাসক বলেছেন, “যে খাবার স্কুলের বাচ্চারা খায় সেই খাবার আমি নিজেই যদি খেতে না পারি, তাহলে খুদেরা খাবে কীভাবে। সেই কারণে পরিদর্শনে গিয়ে আমি অন্যান্য আধিকারিকদের নিয়ে নিজে মিড-ডে মিলের খাবার খেয়েছি।” তিনি আরও বলেন, “শুধু আমি নই, আমার সঙ্গে অন্যান্য আধিকারিকরাও পেট ভরে একই খাবার খেয়েছেন।”  প্রসঙ্গত, সোমবারই আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন নিখিল নির্মল। দায়িত্ব নেওয়ার পরের দিনই ফালাকাটা পরিদর্শনে যান নতুন জেলাশাসক। সেখানে সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল, কয়েকটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, ১০০ দিনের কর্ম নিশ্চয়তা প্রকল্প-সহ ব্লকের বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কাজ ঘুরে দেখেন জেলাশাসক। পরিদর্শনে জেলাশাসকের সঙ্গে ব্লক ও জেলা স্তরের অন্যান্য আধিকারিকরাও ছিলেন। দুপুর একটা নাগাদ যান ফালাকাটার সুভাসপল্লি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। সেখানে গিয়ে মিড-ডে মিলের খাবার খাওয়ার ইচ্ছেপ্রকাশ করেন তিনি। শুনেই থরহরি কম্প স্কুল কর্তৃপক্ষের। এদিন মেনুতে ছিল শুধু সোয়াবিনের তরকারি, ডাল আর ভাত। বাধ্য হয়ে তাই থালায় সাজিয়ে আনা হল জেলাশাসকের সামনে। স্কুলের কংক্রিটের পাটাতনে বসে সেই খাবারই পরম তৃপ্তিতে খেলেন জেলাশাসক ও অন্যান্য আধিকারিকরা। বলাইবাহুল্য, জেলাশাসকের এই ভূমিকায় প্রবল উৎসাহিত হয়েছেন অন্য আধিকারিকরাও। জেলার বিভিন্ন মহলে জেলাশাসককে নিয়ে প্রশংসাও শুরু হয়েছে। ফালাকাটার হাইস্কুল শিক্ষক প্রবীর রায় চৌধুরি বলেন,  “একজন জেলাশাসক দেখলাম, যিনি মানুষের এতো কাছে পৌঁছাতে পারেন। নতুন জেলা আলিপুরদুয়ার তাঁর দ্বারা দারুণভাবে উপকৃত হবে বলে মনে হচ্ছে।”

[দামি ফোন চুরি করল ছেলে, থানায় মোবাইল ফিরিয়ে দৃষ্টান্ত গড়লেন মা]

উল্লেখ্য, বুধবার আলিপুরদুয়ার জেলাশাসকের দপ্তরে জেলার উন্নয়ন নিয়ে প্রথম পর্যালোচনা বৈঠক হয়। বৈঠকে মহকুমা শাসক, জেলার বিভিন্ন ব্লকের বিডিওরা উপস্থিত ছিলেন। জেলায় বিভিন্ন ধরনের উন্নয়ন মূলক কাজের দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন সেই বৈঠকে। এখানে বৈঠকের বাইরের ব্যক্তিগত আলোচনাতেও এসেছে জেলাশাসকের মিড-ডে মিলের রান্না খাওয়ার প্রসঙ্গ।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে