Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
ড্রোন

লকডাউন অমান্য করে বাইরে? নিয়মভঙ্গকারীদের ধরতে ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি

অকারণে ঘোরাফেরা করার ছবি ড্রোন ক্যামেরায় ধরা পড়লেই নেওয়া হবে আইনানুগ ব্যবস্থা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২০, ২১:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২০, ২১:১৭

options
link
লকডাউন অমান্য করে বাইরে? নিয়মভঙ্গকারীদের ধরতে ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি zoom
Advertisement

দিব্যেন্দু মজুমদার, হুগলি: করোনা মোকাবিলায় সামাজিক দূরত্ব স্থাপনই একমাত্র পথ। তাই দেশজুড়ে লকডাউন জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। বাড়ি থেকে সকলকে বেরোতে বারণ করা হয়েছে। তবে তা সত্ত্বেও সচেতন নন অনেকেই। অহরহ লকডাউনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাস্তায় বেরোচ্ছেন করছেন তাঁরা। বিভিন্ন জায়গায় মানুষ সরকারি নির্দেশ অমান্য করে জমায়েত করছেন। তাই এবার কোথায় কোথায় জমায়েত হচ্ছে, তা জানতে উত্তরপাড়ায় ড্রোনের মাধ্যমে আকাশপথে চলবে নজরদারি।

বৃহস্পতিবার থেকে উত্তরপাড়ার কোতরং পুরসভা ড্রোনের মাধ্যমে আকাশপথে নজরদারি চালানো শুরু করে। উত্তরপাড়ার বিভিন্ন এলাকায় ড্রোন দিয়ে নজরদারি চালানো হয়। তাতে যথেষ্ট সুফলও পাওয়া যায়।
উত্তরপাড়া কোতরং পুরসভার চেয়ারম্যান দিলীপ যাদব জানান, সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে অকারণে বিনা প্রয়োজনে বেশ কিছু মানুষ বাজারে জটলা করছেন। তার ফলে করোনা প্রতিরোধে যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা উচিত তা মানা হচ্ছে না। তাতে বিপদ বাড়তে পারে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সামান্য সঞ্চয় থেকেও বড় দান, করোনা মোকাবিলায় মুখ্যমন্ত্রীর তহবিলে সাহায্য ভিক্ষুকদের]

তাই পুরসভার পক্ষ থেকে গোটা শহরে সকালে ৬ ঘন্টা এবং বিকেলে ৪-৫ ঘন্টা ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে। পুলিশ পুরো বিষয়টি দেখাশোনা করছে। পুলিশের পাশাপাশি পুরসভার তরফে ওই ড্রোনের উপর নজরদারি চালানো হবে। ওই ড্রোনের পাঠানো ছবি দেখেই বোঝা যাবে কোথায় জমায়েত হচ্ছে। কোথায় মানুষ বিনা কারণে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। সেই ছবি অনুযায়ী নেওয়া হবে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা। 

বারবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় পর্যায়ে রয়েছে ভারত। তৃতীয় পর্যায়ে গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হলে কোনওভাবেই রোখা যাবে না মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ। তাই তা রুখতে সামাজিক দূরত্ব স্থাপন ছাড়া কোনও পথ নেই। তা সত্ত্বেও কেন টনক নড়ছে না সাধারণ মানুষের? কেন বারবার পুলিশকে সাবধান করে দিতে হচ্ছে? কবে বুঝবেন তাঁরা পুলিশের নজর এড়িয়ে নিয়ম ভাঙলেও, সামাজিক দূরত্ব তৈরি করা ছাড়া রোগ সংক্রমণ রোধ করা সম্ভব হবে না।  আর কবে ফিরবে হুঁশ, প্রশ্নটা থেকেই যায়। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.