Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
পা ভাঙল হনুমানের

ভিলেন হাড়কাঁপানো শীত, জড়তা ভেঙে লাফ দিতে গিয়ে পা ভাঙল হনুমানের

আহত হনুমানটির প্রাথমিক শুশ্রূষা করেন স্থানীয়রাই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৮, ২০১৯, ১৯:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৮, ২০১৯, ১৯:০৪

options
link
ভিলেন হাড়কাঁপানো শীত, জড়তা ভেঙে লাফ দিতে গিয়ে পা ভাঙল হনুমানের zoom
Advertisement

ধীমান রায়, কাটোয়া: কনকনে শীতে জবুথবু হনুমানও।তীব্র শীতে জড়তা কাটিয়ে লাফ দেওয়ার স্বাভাবিক ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেছে তারা। আর তাই অন্য দিনের মতো এদিন এক ছাদ থেকে আর এক ছাদে লাফ দেওয়াটা ততটা সহজ ছিল না। লাফ দিতে গিয়ে রাস্তার উপর পড়ে যায় হনুমানটি। পা-ও ভাঙে তার। স্থানীয়রা প্রাথমিক শুশ্রূষা করে বনদপ্তরে খবর দেয়। পরে আহত হনুমানটিকে বনদপ্তরের কর্মীরা উদ্ধার করে নিয়ে যান। তার চিকিৎসাও শুরু হয়েছে। শনিবার সকালে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া শহরের ঘটনা। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকাল ৭টা নাগাদ কাটোয়া শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার নিচুবাজারে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় এক রিনা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সকালে দেখি, একটি হনুমান আমাদের বাড়ির পাশের একটি ছাদ থেকে আর একটি ছাদে লাফাতে যায়। কিন্তু লাফ দিয়ে দ্বিতীয় ছাদে পৌঁছনোর আগেই হনুমানটি রাস্তার উপরে পড়ে যায়। তারপর আর উঠতে পারছিল না। রাস্তার ওপরে পড়ে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল সে।” জানা গিয়েছে, কয়েকটি কুকুর ততক্ষণে জখম হনুমানটিকে ঘিরে ফেলে। জখম হনুমানটির আত্মরক্ষার ক্ষমতা পর্যন্ত ছিল না।

Advertisement

[আরও পড়ুন : নিয়মকে বুড়ো আঙুল, লাইফ জ্যাকেট ছাড়াই পিকনিকের মরশুমে দামোদরে ভ্রমণ]

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, আহত হনুমানটির কাছে যেতে সাহসও পাচ্ছিলেন না রিনাদেবী। শেষপর্যন্ত তিনি ও তাঁর স্বামী প্রতিবেশীদের ডাকেন। তাঁরা এসে হনুমানটির শুশ্রূষা করেন। বনকর্মীরা আসা পর্যন্ত হনুমানটিকে কুকুরের হামলা থেকে বাঁচাতে স্থানীয়রা কড়া নজর রাখেন।

[আরও পড়ুন : পৌষমেলা থেকে দোকান তুলতে নারাজ, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বচসা বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের]

কাটোয়া মহকুমা বন আধিকারিক সুকান্ত ওঝা বলেন, “ওই হনুমানটির একটি পা ভেঙেছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা করিয়ে বর্ধমানে রমনাবাগানে পাঠানো হয়েছে। সেখানে চিকিৎসা চলছে।” কিন্তু কেন এই বিপত্তি? সুকান্তবাবু বলেন, “আসলে শীতের কারণেই ঘটনাটি ঘটেছে। হনুমানটি তার অভ্যাসমতই এক ছাদ থেকে আর এক ছাদে লাফ দিতে গিয়েছিল। কিন্তু তীব্র শীতের কারণে স্বাভাবিক দূরত্বে পৌঁছাতে পারেনি।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.