সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর: ফেস্টুন-ব্যানার-হোর্ডিং নয়, ভোট প্রচারে পরিবেশবান্ধব সামগ্রী ব্যবহারের জন্য রাজনৈতিক দলগুলির কাছে আবেদন জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের নির্দেশে মেনে শিল্পশহর দুর্গাপুরেও ‘সবুজ’ প্রচারে জোর দিতে চাইছে প্রশাসন। মহকুমা শাসক অনির্বাণ কোলে জানিয়েছেন, ২০২০ সালের মধ্যে একবার ব্যবহার করা যায়, এমন প্লাস্টিক এদেশে নিষিদ্ধ হয়ে যাবে। তাই এবারের লোকসভা ভোটে প্রচারে পরিবেশবান্ধব সামগ্রী ব্যবহারের জোর দিতে চাইছে কমিশন।
[ হাত ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে দীপা? জল্পনা রাজনৈতিক মহলে]
লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। প্রার্থীর নাম ঘোষণার আগেই রাজ্যের অনেক জায়গায় প্রচারেও নেমেছে পড়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীরা। নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসবে, প্রচারের মাত্রাও ততই বাড়বে। আর ভোট প্রচারে তো আর শুধু দেওয়াল লিখন কিংবা মিটিং-মিছিলেই সীমাবদ্ধ থাকে না, প্লাস্টিকের ব্যানার, ফেস্টুন ও হোর্ডিংয়ের ব্যবহারও হয় দেদার। বাদ যায় না রাসায়নিক রঙও। কিন্তু ভোট মিটলে সেইসব প্রচার সামগ্রী সরিয়ে ফেলা হয় না। নদী-নালা প্লাস্টিকে ভরে ওঠে, দূষিত হয় পরিবেশ। এমনকী, প্লাস্টিকের তৈরি ব্যানার,ফেস্টুন ও হোর্ডিং খেয়ে মারা যায় নিরীহ পশুরা।
কেন্দ্রীয় পরিবেশ ও বনমন্ত্রকের তথ্য বলছে, প্রচারপর্বে এক একটি লোকসভা কেন্দ্রে ব্যবহৃত দূষণ সৃষ্টিকারী প্রচার সামগ্রীর পরিমাণ প্রায় তিন কুইন্টাল। এই পরিস্থিতিতে ভোট প্রচারে পরিবেশবান্ধব সামগ্রী ব্যবহারের বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য কমিশনের কাছে আরজি জানিয়েছে কেন্দ্রীয় পরিবেশ ও বনমন্ত্রক। শুধু তাই নয়, ভোটের পর স্থানীয় পুরসভা, পঞ্চায়েত বা প্রার্থীকেই প্লাস্টিকের প্রচার সামগ্রী নষ্ট করতে হবে বলে নির্দেশিকা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন।
ছবি: উদয়ন গুহরায়
[ ভোটের আবহে ফের উত্তপ্ত শাসন, দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে আহত ৫]
সর্বশেষ খবর
-
নির্দেশ অমান্য করেই জাতীয় সড়কে চলছে টোটো! হাবড়ায় মর্মান্তিক পরিণতি শিশুর
-
চাকরির ইন্টারভিউতে প্রার্থীর সঙ্গে বাবা-মা, হতবাক নিয়োগকর্তা! কেন এমন প্রবণতা জেন জি’র?
-
ফুটন্ত মোমে পুড়ছে হাত, যন্ত্রণায় চিৎকার রুবিনার! ‘ছোটি বহু’র স্টান্টবাজিতে স্তম্ভিত নেটপাড়া
-
প্রাণের রবীন্দ্রসঙ্গীতেই বিপত্তি! ভাইরাল গানই চাকরি কাড়ল নিরাপত্তারক্ষী ‘গানওয়ালার’
-
বিশ্ববিশ্রুত হকিং পেয়েছিলেন, সেই ডির্যাক মেডেলে এবার সম্মানিত উত্তরপ্রদেশের দীপক