Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

ঘরেই ‘চোর’! পুলিশি তদন্তে দাদা-বউদির গ্রেপ্তারির খবরে বিস্মিত ভাই

চুরির টাকা একাধিক জায়গায লুকিয়ে রেখেও শেষ রক্ষা হল না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১৯, ১৭:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১৯, ১৭:৩৬

options
link
ঘরেই ‘চোর’! পুলিশি তদন্তে দাদা-বউদির গ্রেপ্তারির খবরে বিস্মিত ভাই zoom

শুভদীপ রায় নন্দী, শিলিগুড়ি : ঘর শত্রু বিভীষণ। এর বাস্তবতা ফের প্রমাণিত হল শিলিগুড়ির এক ঘটনায়। ভাইয়ের বাড়িতে বড় অঙ্কের টাকা চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার দাদা, বউদি৷ তাঁদের বিরুদ্ধে প্রায় ১৪ লক্ষ টাকা চুরির অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে প্রধাননগর থানার পুলিশ। সন্দেহভাজনদের টানা ৫ ঘণ্টা জেরা করে বিষয়টির কিনারা করা হয়।

যেন ‘সাবধান ইন্ডিয়া’র কোনও এপিসোড। স্বামী, স্ত্রী পার্থ দাস এবং রিংকু দাস কলকাতার ঠাকুরনগরের বাসিন্দা রীতিমতো ছক কষেই চুরির পরিকল্পনা করেছিল। চুরি করা টাকা লুকানো ছিল মেয়ের টেডি বিয়ারের ভিতর, বালিশের ভিতর, আলমারির পিছনে, তোষকে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বুধবার শিলিগুড়িতে এক আত্মীয়ের বিয়েতে যোগ দিতে কলকাতা থেকে শিলিগুড়ি যায় পার্থ ও রিংকু। মাটিগাড়া সংলগ্ন টি অকশন রোডে ভাই অমিতাভর বাড়িতে ওঠে। এদিকে দাদা, বউদির অনুপস্থিতিতে অমিতাভবাবু বৃদ্ধ বাবাকে দেখাশোনা করতে কলকাতা চলে আসে৷ শিলিগুড়ির বাড়িতে সেসময় ছিলেন অমিতাভবাবুর স্ত্রী তনুশ্রী, দাদা পার্থ, বউদি রিংকু।

Advertisement

                                         হেলিপ্যাড না মেলায় রাজ্যে বাতিল যোগীর সভা, ভাষণ দিলেন ফোনে

জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে অমিতাভবাবুর ব্যবসায় সহযোগী দুই পিসতুতো ভাই ১৪ লক্ষ টাকা আলমারিতে রাখেন। সেটা দেখতে পায় দাদা, বউদি। সে রাতেই টাকা হাতানোর ছক কষে তারা৷ পরিকল্পনামাফিক সকলে ঘুমিয়ে পড়লে টাকা আলমারি থেকে বের করে ঘরের বিভিন্ন জায়গায় লুকিয়ে রাখে। শুক্রবার ভোরে তারা নিজেরাই জানায়, ঘরে চুরি হয়েছে। কিন্তু ঘরের পরিস্থিতি দেখে সন্দেহ হয় তনুশ্রী দাসের। শুক্রবার সকালেই তিনি প্রধাননগর থানায় চুরির অভিযোগ দায়ের করেন।

                                       সুন্দরবনের জঙ্গলে স্বামীর দেহ আগলে রাতভর বসে থাকলেন স্ত্রী

অভিযোগ পাওয়া মাত্রই তদন্তে নামে প্রধাননগর থানার পুলিশ। তদন্ত করে পুলিশ জানতে পারে, বাইরের চোরের কাজ নয়, ঘর থেকেই চুরি হয়েছে। সেইমতো শনিবার বাড়ির সদস্যদের আটক করে নিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। টানা ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর শনিবার রাতে পার্থ ও রিংকু দাস স্বীকার করে নেন, তারাই আলমারি থেকে টাকা চুরি করেছে।  এরপরে ঘরে তল্লাশি চালিয়ে টেডি বিয়ার, তোষক, বালিশের ভিতর, এবং আলমারির পিছন থেকে উদ্ধার হয় ১৪ লক্ষ ১৯ হাজার ২২০ টাকা। চুরির ঘটনায় এমন একটা কিনারা হওয়ায় বিস্মিত অমিতাভ, তনুশ্রী। নিজের দাদাই যে এমন কাণ্ড ঘটাবে, ভাবতেই পারছেন না তাঁরা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.