Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Vista Dome

ইঞ্জিন থেকে আলাদা হয়ে এগিয়ে গেল ভিস্তাডোমের কোচ! টেরই পেলেন না পর্যটকরা

বড়সড় বিপদ থেকে রক্ষা যাত্রীদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০২৩, ১৮:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০২৩, ১৮:৪০

options
link
ইঞ্জিন থেকে আলাদা হয়ে এগিয়ে গেল ভিস্তাডোমের কোচ! টেরই পেলেন না পর্যটকরা zoom

রাজ কুমার, আলিপুরদুয়ার: পর্যটকদের প্রিয় উত্তরবঙ্গ ভ্রমণের জন্য জনপ্রিয় ভিস্তাডোম (Vista Dome) স্পেশ্যাল ট্রেনে বিপত্তি। শুক্রবার টুরিস্ট স্পেশ্যাল ট্রেনের ইঞ্জিনের কাপলিং খুলে বগি থেকে আলাদা হয়ে ছুটতে থাকে ইঞ্জিন। প্রায় ৫০/৬০ ফুট এগিয়ে যায়। শিলিগুড়ি (Siliguri) ও গুলমা স্টেশনের মাঝে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আশ্চর্যের বিষয় এই যে, ইঞ্জিন থেকে আলাদা হয়ে গেল গোটা একটা ট্রেন, তা টেরই পেলেন না পর্যটকরা। তবে বড়সড় দুর্ঘটনা থেকে যে রক্ষা পেলেন যাত্রীরা, তা মানছে রেল কর্তৃপক্ষও।

রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, আলিপুরদুয়ারগামী (Alipurduar) ভিস্তাডোম ট্যুরিস্ট স্পেশ্যাল ট্রেনের ইঞ্জিনের কাপলিং খুলে যায় শুক্রবার সকাল ৮ টা ৪ মিনিটে। শিলিগুড়ি ও গুলমা স্টেশনের মাঝে বেশ কিছুটা এগিয়ে যায় ইঞ্জিনটি। পরে ট্রেনের গার্ড ও চালকরা কাপলিং (Coupling) লাগিয়ে দেন। একঘণ্টা পর, ৯ টা ৪ মিনিটে ফের স্পেশ্যাল ট্রেনটি চলতে শুরু করে। এই ট্রেন ৩০ মিনিট দেরিতে চলে। দুপুর ২টো নাগাদ ভিস্তাডোম আলিপুরদুয়ার জংশনে পৌঁছয়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে নেমেই রেকর্ড, অলিম্পিকের টিকিট পেলেন নীরজ]

এই ভিস্তাডোম ট্রেনে সফর করতে এসেছিলেন কালনা (Kalna) হাসপাতালের নার্স লাবণী দাস, চিকিৎসক বিশ্বজিৎ মোদক। ঘটনায় হতবাক তাঁরা। পর্যটকদের জন্য চালু করা এই বিশেষ ট্রেনে কী করে এই বিপত্তি ঘটে, তা বুঝতেই পাচ্ছেন না। এই ট্রেনেই আবার তাদের শিলিগুড়ি ফেরার কথা। ফলে এই ট্রেন সফর নিয়ে তাঁরা আতঙ্কিত। লাবণীদেবী বলেন, “আগে মানুষের জীবন। তারপর ঘোরাফেরা, আনন্দ, ফূর্তি। সেই কারণে এই ট্রেনের সেফটি সিকিউরিটির বিষয়টি রেল প্রশাসনের দেখা উচিত।”

[আরও পড়ুন: ভিনরাজ্যের হস্টেলে সমস্যা! নিজের বাড়িতে ফিরেই ‘আত্মঘাতী’ নার্সিং পড়ুয়া]

তবে কাপলিং খুলে ইঞ্জিন আলাদা হয়ে যাওয়ার বিষয়টি যাত্রীরা টের পাননি বলে জানিয়েছেন। ট্রেন থেকে গেলে ট্রেন থেকে নেমে তাঁরা বুঝতে পারেন, যে কাপলিং খুলে এই ট্রেনে ইঞ্জিন আলাদা হয়ে গেছে। এই ট্রেনেই এদিন উঠেছিলেন উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালতের প্রাক্তনি রাজর্ষি সরকার। কোচবিহারের রামপুরের বাসিন্দা তিনি। এদিন এই বিপত্তির পরে তিনি বলেন, “এই ট্রেনে এমন হবে তা ভাবতেই পারিনি। আশপাশের জঙ্গল এলাকায় ট্রেন দাঁড়িয়ে যায়। যে কোনও বিপদ হতেই পারত। ফলে রেলের বিষয়টিতে নজর দেওয়া উচিত।” বিষয়টি নিয়ে রেলের আলিপুরদুয়ার ডিভিশনের ডিআরএম অমরজিৎ গৌতম বলেন, “আমরা এই ঘটনার কারন ক্ষতিয়ে দেখছি। এই ঘটনায় যাত্রীদের কোনও অসুবিধে হয়নি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.