BREAKING NEWS

২ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

ফের মালদহে জাল নোটের হদিশ, ৪.৬২ লক্ষ টাকার নোট বাজেয়াপ্ত

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: January 5, 2018 3:27 pm|    Updated: January 5, 2018 3:27 pm

An Images

বাবুল হক, মালদহ: জাল নোট পাচারের ঘটনা বেড়েই চলেছে মালদহে। এবার জাতীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ-র জালে ধরা পড়ল দুই পাচারকারী। ধৃতদের কাছ থেকে ৪ লক্ষ ৬২ হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার হয়েছে ।

[শপিং মলে বিউটি মালিকের রুদ্রমূর্তি, অবাক মধ্যমগ্রাম]

 শুক্রবার সকালে ধৃতদের বৈষ্ণবনগর থানার পুলিশের হেফাজতে তুলে দেয় এনআইএ। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা হল পিন্টু মণ্ডল (২১) ও সন্তোষ মণ্ডল (২৪)। দু’জনেরই বাড়ি মালদহের কালিয়াচক থানার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী শাহবাজপুর এলাকায়। এনআইএ-র অভিযোগের ভিত্তিতে ধৃতদের বিরুদ্ধে জাল নোট পাচারের মামলা রুজু হয়েছে। এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ফরাক্কা সেতুর অদূরে বৈষ্ণবনগর থানার পিটিএস মোড়ের কাছে ফাঁদ পাতা হয়। তাঁদের কাছে খবর ছিল, দুই যুবক জাল নোট নিয়ে পিটিএস মোড়ে এসে সেখানে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে গাড়ি ধরে ভিনরাজ্যে পাড়ি দেবে। দুই যুবক সেখানে পৌঁছতেই তাদের আটক করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা তল্লাশি চালান। তখনই তাদের থেকে উদ্ধার হয় ৪ লক্ষ ৬২ হাজার টাকার জাল নোট। উদ্ধার হওয়া জাল নোটগুলির সবই নতুন দু’হাজার টাকার নোট। এদিনই ধৃতদের মালদহ আদালতে তুলে ১০ দিনের জন্য নিজেদের  হেফাজতে চেয়ে আবেদন জানায় বৈষ্ণবনগর থানার পুলিশ। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এই জাল নোটগুলির উৎস জানতে ধৃতদের দফায় দফায় জেরা চালাচ্ছে পুলিশ। বৈষ্ণবনগর থানার আইসি সঞ্জয় বিশ্বাস বলেন, ‘‘তদন্ত শুরু হয়েছে। গোটা চক্রটিকে চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।”

[রক্তদান জীবনদান, ৫২ বার রক্ত দিয়েও ক্লান্তিহীন কাটোয়ার জয়দেব]

মালদহ জেলাজুড়েই একের পর এক গোলাপি জাল নোট উদ্ধারের ঘটনা ঘটেই চলেছে। তা নিয়ে উদ্বেগও বাড়ছে পুলিশ প্রশাসনে। জেলা পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, এনিয়ে মালদহ জেলায় নতুন নোটের জাল নোট উদ্ধারের ঘটনার সংখ্যা দাঁড়াল ৩৮-এ। গ্রেপ্তার হয়েছে মোট ৪৮ জন পাচারকারী। প্রায় ৫২ লক্ষ টাকার দু’হাজারি জাল নোট বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নোট বাতিলের মাস তিনেক পর থেকে নয়া দু’হাজারি নোটের জাল নোট উদ্ধার শুরু হয়। তারপর এক, এক করে ৩৮টি ঘটনা ঘটে। পাঁচদিন আগেও বিএসএফের জালে কালিয়াচকে ধরা পড়ে এক মহিলা-সহ দু’জন। ওই দিন বাইক আরোহীর সঙ্গিনীর পেটিকোটের নিচের অন্তর্বাস খুলতেই মেলে সাড়ে ছয় লক্ষ টাকার জাল নোট। গত মাসেও মালদহের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী সাহাবানচক এলাকায় ৯৬ হাজার টাকার জাল নোট সমেত নাজেমা বিবি (৩৫) নামের এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করে বৈষ্ণবনগর থানার পুলিশ। মালদহ শহরের বৃন্দাবনি ময়দান সংলগ্ন বাঁধরোডের ধারের শীতবস্ত্রের বাজার থেকে ২৬ হাজার টাকার জাল নোট সমেত জাকারিয়া আলি (৪২) নামের এক যুবককে জালে তুলেছিল ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। ধৃতের বাড়ি ইংরেজবাজারের কমলাবাড়ি গ্রামে। এমনকী মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল চত্বর থেকেও জাল নোট সমেত পুলিশের জালে ধরা পড়ে এক যুবক। ধৃতের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকার  জাল নোট উদ্ধার হয়।জাতীয় সড়ক থেকে রেল স্টেশন, হাট-বাজার, মেডিক্যাল কলেজ-সহ জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই ধরা পড়ছে জাল নোটের পাচারকারীরা। পুলিশের পাশাপাশি ব্যবসায়ী মহলেও জাল নোট নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement