BREAKING NEWS

১৫ মাঘ  ১৪২৮  শনিবার ২৯ জানুয়ারি ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

ক্যানসারেও ভুয়ো চিকিৎসক! লেকটাউনে জালে ঠগবাজ

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: June 29, 2017 11:44 am|    Updated: June 29, 2017 11:44 am

Fake Oncologist held in Kolkata

কল্হার মুখোপাধ্যায় ও ব্রতদীপ ভট্টাচার্য: রাজ্য জুড়ে জাল চিকিৎসার জাল ক্রমশ ছড়াচ্ছে। এবারের প্রতারণার ঘটনা অন্যরকম। জ্বর, সর্দি-কাশির মতো মামুলি রোগ নয়, ক্যানসারের মতো চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছিলেন লেকটাউনের অরিদীপ চট্টোপাধ্যায়। প্রায় ৬-৭ বছর ধরে চলছিল লোক ঠকানোর কারবার। রোগীদের থেকে খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই ঠগ ডাক্তারকে জালে তোলে। উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গায় এমনই এক ভুয়ো চিকিৎসকের খোঁজ মিলেছে। গোবিন্দ সরকার নিজেকে ইউনানি চিকিৎসক বলে কারবার জমিয়েছিলেন। তিনিও পুলিশের হাতে।

[হুমকি দিয়ে জিএসটি অর্ডিন্যান্স পাশ, কেন্দ্রকে তোপ মমতার]

ক্যানসার। দুরারোগ্য এই ব্যধি তিনি নাকি সারিয়ে দেবেন। এমন প্রতিশ্রুতি দিয়ে খাস কলকাতার লেকটাউনে চিৎকিসা চালিয়ে যাচ্ছিলেন অরিদীপ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বাড়ি লেকটাউনেরই এস  কে দেব এলাকায়। প্রায় ৬-৭ বছর ধরে নিজের নামে আগে এমডি লিখে চেম্বার খুলে বসেছিলেন। নিজের একটি নার্সিংহোমও রয়েছে অরিদীপের। এক রোগীর সন্দেহ হওয়ায় বুধবার তিনি লেকটাউন থানায় খবর দেন। পুলিশ অভিযুক্ত ভুয়ো ডাক্তারের থেকে এমবিবিএস সার্টিফিকেট দেখতে চায়। বৈধ শংসাপত্র দেখাতে পারেননি অরিদীপ। তারপরই পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। অভিযুক্তের বক্তব্য তিনি বিদেশে গিয়ে পড়াশোনা করেছেন। তবে কী কী নিয়ে পড়েছেন তা অবশ্য বলতে পারেননি। অভিযুক্ত এদিন বিধাননগর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়। অরিদীপের নার্সিংহোমকেও বাজেয়াপ্ত করার কথা ভাবছে পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জাল চিকিৎসক চক্রের পাণ্ডাদের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে বলে পুলিশ মনে করছে।

[জুনেই অকাল দীপাবলি! দুর্দান্ত অফারের লাভ ওঠানোর বাকি মাত্র ৩৬ ঘন্টা]

উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গার এক জাল চিকিৎসকের হাতযশ নেহাত কম নয়। দেগঙ্গার বেড়াচাঁপায় কয়েক বছর ধরে গোবিন্দ সরকার লোক ঠকানোর কারবার চালাচ্ছিলেন। নিজেকে পরিচয় দিয়েছিলেন জেনারেল ফিজিশিয়ান। অভিযোগ বহু লোক তাঁর ওষুধ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রোগী সেজে ওই জাল ডাক্তারকে গ্রেফতার করে। জেলায় ধৃত পুলিশকে জানায় তাঁর ইউনানি সার্টিফিকেট  রয়েছে। এর জন্য নামের পাশে লিখতেন আরইউএমপি। এই ডিগ্রির সার্টিফিকেটের জন্য বসিরহাটের এক ব্যক্তিকে ১০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন গোবিন্দ। পুলিশের চাপাচাপিতে গোবিন্দ স্বীকার করেন জাল সার্টিফিকেট না পেয়েও প্র্যাকটিস চালিয়ে যাচ্ছিলেন। ওই জাল সার্টিফিকেট চক্রের ব্যাপারে পুলিশকে তদন্তর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ওই ভুয়ো ডাক্তার। উত্তর ২৪ পরগনায় ভুয়ো ডাক্তারদের ধরতে জেলাজুড়ে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ ও সিআইডি। এপর্যন্ত তিনজন ডাক্তার তদন্তকারীদের জালে উঠল।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে