সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: মা-বাবার কাছেই সবচেয়ে নিরাপদ সন্তানেরা। এ ধারণাতেই বিশ্বাসী এ সমাজের একটা বড় অংশ। কিন্তু মদের নেশা যে কতখানি সর্বনাশা হতে পারে, তার প্রমাণই মিলল। মদ্যপ বাবার ‘তাণ্ডবে’ই প্রাণ গেল সন্তানের। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
ঘটনা পুরুলিয়ার (Purulia) টামনা থানার ডিগশিলি গ্রামের। শুক্রবার রাত ন’টা নাগাদ প্রভাস মাহাতো নামের এক ব্যক্তি মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফেরেন। এরপরই স্ত্রীর সঙ্গে বচসা শুরু হয়ে যায় তাঁর। মেজাজ হারিয়ে সেই সময় তিন শিশু কন্যা ও এক শিশু পুত্রকে ব্যাপক মারধর করতে থাকেন প্রভাস। যন্ত্রণা কাতর হয়ে চিৎকার করতে থাকে বাচ্চারা। এমন করুণ অবস্থা দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন তাঁর স্ত্রী। সঙ্গে সঙ্গে বাইরে বেরিয়ে চিৎকার করে সাহায্য চান তিনি।
[আরও পড়ুন: দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে কংগ্রেস! ‘রোজগার মেলা’ থেকে তোপ মোদির]
তাঁর চিৎকার শুনে এলাকার বাসিন্দারা ছুটে আসেন। এরপর ‘গুণধর’ বাবার হাত থেকে শিশুদের উদ্ধার করে পুরুলিয়ার দেবেন মাহাতো গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে হাসপাতালে পৌঁছায় টামনা থানার পুলিশ। চার শিশুর মধ্যে তিনজন প্রাণে বাঁচলেও শুক্রবার গভীর রাতে সাত বছরের মধুমিতা মাহাতোর মৃত্যু হয়।
আহত অর্পিতা মাহাতো (৮), আশা মাহাতো (৫) এবং জয়দেব মাহাতোকে (৩) আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাঁচির হাসপাতালে রেফার করা হয়। ঘটনার পর থেকেই ফেরার ঘাতক বাবা প্রভাস মাহাতো। এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়। সন্তানকে হারিয়ে শোকে কাতর প্রভাসের স্ত্রী।
[আরও পড়ুন: বিজেপি নেতাদের বাড়ি ঘেরাওয়ের ডাক, পালটা অভিষেকের বিরুদ্ধে FIR গেরুয়া শিবিরের]
সর্বশেষ খবর
-
‘আমরা আসছি’, ভারত সফরের আগে সোশাল মিডিয়ায় বিশেষ বার্তা ব্রাজিল দলের
-
প্রোমোটারের কাছ থেকে ১ লক্ষ টাকা ঘুষ! কনস্টেবলকে হাতেনাতে ধরল দুর্নীতি দমন শাখা
-
বাংলার পর অসমের মামলাতেও জামিন, ১৩ বছর পর বিরাট স্বস্তিতে সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন
-
পুকুরে ভেসেই কাটছিল জীবন! অনন্ত আম্বানির হস্তক্ষেপে মুম্বইয়ে চিকিৎসা পাচ্ছে মুর্শিদাবাদের সেই ইকবাল
-
এবার রাজ্য ও জাতীয় টেবিল টেনিস দলকে স্পনসর করবে রাজ্যের পর্যটন দপ্তর! বড়সড় ইঙ্গিত মন্ত্রীর