Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Malbazar

‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ ঘিরে অশান্তি মালবাজারে, কাঠগড়ায় সিপিএম পরিচালিত বুথ

প্রশাসন পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করলেও বিক্ষুব্ধ জনতা রাস্তা অবরোধ করে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০২৫, ১৬:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০২৫, ১৬:২০

options
link
‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ ঘিরে অশান্তি মালবাজারে, কাঠগড়ায় সিপিএম পরিচালিত বুথ zoom
নিজস্ব ছবি

অরূপ বসাক, মালবাজার: রাজ্য সরকারের নাগরিক পরিষেবা ‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অশান্তি ছড়াল উত্তরবঙ্গের মালবাজারে। শনিবার সকাল থেকে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে তেশিমলা এলাকার একাধিক পাড়া। তিনটি বুথ নিয়ে এই সরকারি পরিষেবা চলাকালীন অভিযোগ, দু’পক্ষের মতবিরোধ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে শুরু হয় বাকবিতণ্ডা। দ্রুত বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। পরিস্থিতি সামলাতে মোতায়েন হয় পুলিশ বাহিনী।

জানা গিয়েছে, জলপাইগুড়ি জেলার মালবাজার ব্লকের তেশিমলা গ্রাম পঞ্চায়েত। শনিবার সেখানেই দু’টি স্কুলে শুরু হয় তিনটি বুথের ‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ কর্মসূচি। এই বুথগুলিতে পঞ্চায়েত নির্বাচনে জয়ি হয় সিপিআইএম। আলোচনার শুরুতেই এখানে দাবি এবং পালটা দাবি নিয়ে শুরু হয় দু’পক্ষের বাদানুবাদ। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে গেলে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়ায়। দফায় দফায় চলতে থাকে গন্ডগোল এবং বিক্ষোভ।

Advertisement

প্রশাসন পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করলেও বিক্ষুব্ধ জনতা তেশিমলা বোর্ড ফ্রি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন পূর্ত দপ্তরের রাস্তা অবরোধ করে। এর ফলে ব্যাহত হয় যান চলাচল। অবশেষে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মালবাজার থানার বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে অবরোধ তুলে দেওয়ার চেষ্টা করে তাঁরা।

স্থানীয় সূত্রে খবর, পঞ্চায়েত স্তরের সমস্যাগুলির সমাধানের দাবি নিয়েই এই কর্মসূচি শুরু হয়। কিন্তু মতবিরোধকে কেন্দ্র করে তা রূপ নেয় গন্ডগোলের।

‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ প্রকল্পে, তিনটে করে বুথ নিয়ে একটা কেন্দ্র হবে। পাড়ায় পাড়ায় সমস্যা শোনার পরই সমাধানের কাজ করা হবে। সব কাজ হবে অনলাইন মাধ্যমে, স্বচ্ছতা মেনে। যেহেতু রাজ্যে প্রায় ৮০ হাজারের বেশি বুথ রয়েছে তাই ২৭ হাজার ক্যাম্প করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ১৫ নভেম্বরের মধ্যে ক্যাম্প থেকে তুলে আনা সমস্যা সমাধানের জন্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়েছে জেলা শাসকদের। ১৫ জানুয়ারির মধ্যে সব কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.