পোল্ট্রি ফার্মে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড! আগুনে পুড়ে বেঘোরে মৃত্যু হল প্রায় চার হাজার মুরগির। শনিবার দুপুরে অশোকনগর থানার খোসবদেলপুর শেখপাড়া এলাকার এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়। দমকল আসতে কিছুটা সময় নেওয়ার কারণে আগুন বিধ্বংসী আকার নেয় বলেই অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনায় প্রচুর টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিক সূত্রে খবর।
পুলিশ সূত্রে খবর, প্রথমে উপস্থিত গ্রামবাসীরা ফার্মের একটি ঘরে আগুন দেখতে পায়। কিন্তু বিচুলিতে আগুন লেগে দ্রুত চারটি মুরগির ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে এলাকাবাসী নিজেরাই আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগায়। পরবর্তীতে দমকলের দুটি ইঞ্জিনের প্রায় ৪০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। স্থানীয় বাসিন্দা মহম্মদ আজিজ, মহম্মদ জসিম বলেন, “দশ হাজারের বেশি মুগরি আগুনে ভস্মীভূত হয়েছে। টাকার অংকে ক্ষতির পরিমাণ কম-বেশি ১৫ লক্ষ। যখন সব পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে, তখন দমকল এসেছে।”
আরও পড়ুন:
কিন্তু কীভাবে লাগল ওই ভয়াবহ আগুন? পুলিশ সূত্রে খবর, স্থানীয়দের থেকে তদন্তকারীরা জেনেছে, পোল্ট্রি ফার্মের মালিকের এক বন্ধু ও তার নাবালক ছেলে ফার্মটির পাশে বাজি পোড়াচ্ছিল। সেখান থেকেই কোনওভাবে আগুন লেগে যায় বলে অনুমান করা হচ্ছে। মুহূর্তে আগুন ছড়িয়ে যায় ফার্মে। আগুন নেভানোর জন্য স্থানীয়রা ছুটে গিয়েছিল। কিন্তু আগুন আয়ত্তে আনা সম্ভব হয়নি। পরে দমকম কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভায়। ততক্ষণে যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে গিয়েছে। আনুমানিক চার হাজার মুরগি মারা গিয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের। উপস্থিত দমকল আধিকারিক কুণাল সাহা বলেন, “খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা ইঞ্জিন নিয়ে বেরিয়েছিলাম। রেলগেটে যানজট থাকায় কয়েক মিনিট সময় লেগেছে। হওয়ার দাপটে বিচুলি থেকে আগুন পোল্ট্রিল ফার্মের চারটি ঘরে ছড়িয়ে পরে। ক্ষতির পরিমাণ বলতে পারব না, তবে মোট হাজার সাতেক স্কয়ার ফিট এলাকায় মুরগি ছিল।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
গভীর রাতে আবাসনের সুইমিং পুলে ছাত্রীর দেহ! ‘খুন’ নাকি অন্য কিছু? তদন্তে পুলিশ
-
এবার শত্রুকে ‘অন্ধ’ করে আক্রমণ! ভারতীয় সেনার রণকৌশলে বিরাট বদল
-
সাগরেই লুকিয়ে ইউরেনিয়াম খনি! পরমাণু শক্তি বৃদ্ধিতে চিনের ‘কেমিক্যাল ফাঁদ’, টেক্কা আমেরিকাকে
-
ডেলিভারির আড়ালে বাইক চুরি! সিসিটিভি দেখে বেলঘরিয়ার ‘বান্টি-বাবলি’কে ধরল পুলিশ
-
পুলিশ হেফাজতেই সোমনাথের থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার! ফের হাজতে নির্মল ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা