Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১১ জুলাই ২০২৬

জ্যৈষ্ঠ মাস মলমাস, ক্রেতাহীন ফুলবাজারে কার্যত মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের

এক টাকায় মিলছে চারটে পদ্ম, মাছি তাড়াচ্ছে কাটোয়ার ফুল বাজার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১০, ২০১৮, ২১:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১০, ২০১৮, ২১:২৬

options
link
জ্যৈষ্ঠ মাস মলমাস, ক্রেতাহীন ফুলবাজারে কার্যত মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের zoom

ধীমান রায়, কাটোয়া: শাস্ত্র অনুযায়ী এবছর জ্যৈষ্ঠমাস মলমাস। অর্থাৎ যেকোনও শুভ অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ। তাই প্রায় এক মাস ধরে কার্যত মাথায় হাত পড়েছে কাটোয়ার ফুল ব্যবসায়ীদের। নাম মাত্র দামেও বিকোচ্ছে না ফুল ও ফুলের মালা। ক্রেতারও দেখা নেই। এক মাসেই ফুল বিক্রেতাদের ব্যবসায় বেশ কিছুটা ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

[পরীক্ষায় অকৃতকার্য, বাড়িতে মিথ্যা বলার অনুশোচনায় আত্মঘাতী কলেজ পড়ুয়া]

কাটোয়া শহরে প্রায় ২০টি ফুলের দোকান রয়েছে। ওই সমস্ত দোকানে শুধু শহর এলাকা থেকেই নয়, লাগোয়া গ্রাম থেকেও ফুল কিনতে আসেন ক্রেতারা। এই ফুল ব্যবসায়ীদের মূল কারবার মানেই বিয়ের অনুষ্ঠান। মূলত বিয়ের অনুষ্ঠানে মোটা টাকা চুক্তি হয়। বিয়ের দিন থেকে ফুলশয্যা পর্যন্ত অনুষ্ঠান বাড়িতে ফুলের বরাত পান ফুল বিক্রেতারা। বছরের সব মাসেই কম বেশি বরাত থাকে। কিন্তু এবছর জ্যৈষ্ঠমাসে মলমাস পড়ে যাওয়ায় সংকটে পড়েছেন এই ফুল বাজারের ব্যবসায়ীরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই প্রসঙ্গে ফুল বিক্রেতা রণজয় পাঠক, মানিক সাহা বলেন, রজনীগন্ধার মালা সচরাচর ১০০ থেকে ১২০ টাকাতে বিক্রি হয়। সেই মালা ১০-১১ টাকাতেও কেউ কিনছেন না। পদ্মফুল প্রতি পিস সারাবছর গড়ে পাঁচ থেকে সাত টাকা টাকা বিক্রি হয়। সেই পদ্মফুল একটাকায় চারটে করে বিক্রি করতে হচ্ছে। তবুও ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না। যেটুকু বিক্রি হয়েছে তাও পুজোর প্রয়োজনে।

ফুল বিক্রেতা দেবু দাস বলেন, ‘আমরা কলকাতার বাজার থেকে ফুল এনে বিক্রি করি। কখনও কখনও নদীয়ার রানাঘাট ও কৃষ্ণনগর থেকেও ফুল আসে। এখন দেখছি এই জ্যৈষ্ঠমাসে মলমাস পড়েছে। তাই রানাঘাট ও কৃষ্ণনগর থেকে চাষিরা নিজেরাই ফুল এনে কাটোয়ায় জলের দামে বিক্রি করছেন।’ কাটোয়ার বাসিন্দা মাধব দাস, চিন্টু সাহা বলেন, ‘শনিবার আমরা কৃষ্ণনগর থেকে আসা ফুল বিক্রেতাদের কাছে দুটাকা পিস রজনীগন্ধার মালা কিনেছি। এত সস্তা কোনওদিনই পাইনি।’ মলমাসের দৌলতে কেউ কেউ জলের দামে ফুল বা মালা পেয়ে গেলেও ফুল বিক্রেতাদের কার্যত মাথায় হাত পড়েছে।

ছবি :জয়ন্ত দাস

[প্রতিবেশীর বাড়িতে চোলাই মদের দোকান, প্রতিবাদ করে আক্রান্ত দম্পতি]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.