Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
বঙ্গে পালাবদল
Manas Bhunia

ভোটে হারতেই উধাও ভিড়, সবংয়ে ‘শুনশান’ মানস ভুঁইয়ার বাড়ি, ত্রিসীমানা মাড়াচ্ছেন না তৃণমূল কর্মীরা!

কিছুদিন আগেও বাড়ির সামনে ভিড় লেগে থাকত। আর ভিড়ের জন্য প্রায়ই বাড়ি থেকে বেরতে দেরি হত। বেশিরভাগ কর্মসূচিতে নির্ধারিত সময়ের থেকে দেরিতে পৌঁছতেন। আর এখন শুধুই নীরবতা। শুনশান প্রাক্তন বিধায়ক তথা মন্ত্রী মানস ভুঁইয়ার বাড়ি।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২৬, ১৮:৪৮

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২৬, ১৮:৪৮

options
link
ভোটে হারতেই উধাও ভিড়, সবংয়ে ‘শুনশান’ মানস ভুঁইয়ার বাড়ি, ত্রিসীমানা মাড়াচ্ছেন না তৃণমূল কর্মীরা! zoom
ত্রিসীমানা মাড়াচ্ছেন না তৃণমূল কর্মীরা!

কিছুদিন আগেও বাড়ির সামনে ভিড় লেগে থাকত। আর ভিড়ের জন্য প্রায়ই বাড়ি থেকে বেরতে দেরি হত। বেশিরভাগ কর্মসূচিতে নির্ধারিত সময়ের থেকে দেরিতে পৌঁছতেন। আর এখন শুধুই নীরবতা। শুনশান প্রাক্তন বিধায়ক তথা মন্ত্রী মানস ভুঁইয়ার (Manas Bhunia) বাড়ি। আসলে বিধানসভা ভোটে পরাজয়ের পর চেনা ছবিটাই উধাও হয়ে গিয়েছে মানস ভূঁইয়ার বাড়ির সামনে থেকে। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই মানস ভূঁইয়াকে আর দেখা যাচ্ছে না এলাকায়।

একসময়ের ছায়াসঙ্গী বিজেপির প্রার্থী অমলকুমার পাণ্ডার কাছে পরাজিত হওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে অনেকটাই দূরে সরে গিয়েছেন। পশ্চিম মেদিনীপুরের সবং থানার দেভোগ গ্রাম পঞ্চায়েতের ভিকিনী-নিশ্চিন্তীপুরে মানস ভূঁইয়ার বাড়িতে এই কিছুদিন আগে পর্যন্ত সকাল থেকে রাত অবধি নেতা-কর্মী, অনুগামী ও সাধারণ মানুষের ভিড় লেগেই থাকত। রাজনৈতিক আলোচনা থেকে শুরু করে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান-সহ দলীয় বৈঠক সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু ছিল ভিকিনী-নিশ্চিন্তীপুরের গ্রাম্য পরিবেশে গাছগাছালির মাঝে অবস্থিত এই ভূঁইয়া বাড়ি। কিন্তু এখন সেই চেনা ছবিতে এসেছে একটি বড় পরিবর্তন। যা কি না অনেকের কাছেই অচেনা ঠেকছে। এখন বাড়ির চারপাশে বিরাজ করছে শুধুই নীরবতা। সকালের সেই ব্যস্ততামুখর কোলাহল রাজনৈতিক ব্যস্ততা আর নেই। শুধু রয়েছে গ্রীষ্মের তপ্ত দুপুরে পাখির ডাক। যা মাঝেমধ্যে শোনা যায়। 

Advertisement

এই মুহূর্তে ওই বাড়িতে রয়েছে শুধু দু’জন। এঁদের মধ্যে অঞ্জলি রানা নামে একজন মহিলা রয়েছেন রান্নার জন্য। জয়দেব নামে অপর একজন রয়েছেন ঘরের কাজের জন্য। অঞ্জলি রানা বললেন, “ভোটের আগে থেকে মানসবাবু নেই।”

এই মুহূর্তে ওই বাড়িতে রয়েছে শুধু দু’জন। এঁদের মধ্যে অঞ্জলি রানা নামে একজন মহিলা রয়েছেন রান্নার জন্য। জয়দেব নামে অপর একজন রয়েছেন ঘরের কাজের জন্য। অঞ্জলি রানা বললেন, “ভোটের আগে থেকে মানসবাবু নেই।” কবে আসবেন সেটিও তিনি ঠিকঠাকভাবে বলতে পারলেন না। এদিকে, মানস ভুঁইয়া ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই এরকমভাবে উধাও হয়ে যাওয়া নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে নানা ধরনের জল্পনা শুরু হয়েছে।

কেউ বলছেন ভোটে হেরে হতাশ হয়ে চলে গিয়েছেন। আবার কেউ বলছেন ব্যক্তিগত কারণে জনসমক্ষে আসছেন না। তবে এই মুহূর্তে সবংয়ে কোনও ধরনের রাজনৈতিক উত্তেজনা বা আতঙ্কের পরিবেশ নেই বলে স্থানীয় মানুষ স্বস্তিতে রয়েছেন বলে জানালেন অনেকেই। তবে এই ব্যাপারে মানস ভূঁইয়া অবশ্য বললেন, “বুধবার কয়েকটি কাজের জন্য কলকাতায় চলে এসেছি। রবিবার থাকব।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.