Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
কাটমানি

কাটমানি খাওয়া নেতাদের কান ধরে ওঠবোস করানোর নিদান রাহুল সিনহার

বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকট হল রাহুলের সামনে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৬, ২০১৯, ১০:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৬, ২০১৯, ১০:০২

options
link
কাটমানি খাওয়া নেতাদের কান ধরে ওঠবোস করানোর নিদান রাহুল সিনহার zoom

পলাশ পাত্র, তেহট্ট: কাটমানি খাওয়া নেতাদের বাড়ি থেকে টেনে নিয়ে এসে কান ধরে ওঠবোস করার নিদান দিলেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। বৃহস্পতিবার সদস্য করণ অভিযানে বিজেপির এক পঞ্চায়েত প্রধান অনুষ্ঠান বয়কট করার ঘটনায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের বিষয়টি ফের উঠে আসে। এ প্রসঙ্গ এড়িয়ে গিয়ে রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি রাহুল সিনহা জানান, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই।’ এর মাঝে ভীমপুরে বক্তব্য দিতে উঠে রাহুলবাবু বলেন, ‘যে ব্যাটা কাটমানি খেয়েছে তাকে বাড়ি থেকে রাস্তায় নিয়ে এসে কান ধরে ওঠবোস করান। আর টাকা আদায় করুন।’

রাহুলবাবু এদিন কাটমানি খাওয়া নেতাদের পরিবারের প্রতি তার নরম মনোভাবের কথা জানান। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মানুষের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, বাড়ি আক্রমণ, ভাঙচুর, ইট-পাথর মারা এসব করবেন না। বাড়িতে বাচ্চা ও মহিলারা আছে। তারা তো কাটমানি খায়নি। যে ব্যাটা খেয়েছে তাকে কান ধরে ওঠবোস করিয়ে টাকা আদায় করুন।’ এর রেশ ধরে তিনি বলেন, ‘কাটমানি আদায় করতে আমরা যাব না। তবে বিজেপি সার্পোট দেবে। রক্ষা করবে। মানুষই করুক। যে জনগণের ওপর তৃণমূলের হামলা হবে বা পুলিশের জুলুম হবে সেখানে বিজেপি রক্ষা করবে। জনগণের আদালতে এর বিচার হোক বিজেপি চাইছে।’ রাহুলবাবু কটাক্ষ করে বলেন, ‘তৃণমূলের লোকেরাই বলছে কাটমানি নিয়ে দিদি আমাদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়েছে। আপনারাও আমাদের বিরুদ্ধে বলছেন। কিন্তু যারা বড় বড় কাটমানি দিয়েছে কালীঘাটের দিকে তাদের কী হবে? আমি বলছি তাদের বিচার জনগণ করবে। চিন্তার কোনও কারণ নেই।

Advertisement

তবে এদিন জেলা পরিষদ একুশের এই অনুষ্ঠান দলের তিন পঞ্চায়েত প্রধানের মধ্যে ভীমপুর পঞ্চায়েতের প্রধান আত্রেয়ী বিশ্বাস ও তার অনুগামীরা বয়কট করেন। ২২ আসন বিশিষ্ট এই পঞ্চায়েতকে ঘিরে প্রথম থেকে লেগে থাকা দ্বন্দ্ব রাহুল সিনহার সামনেও এদিন প্রকাশ পায়। এ প্রসঙ্গে আত্রেয়ী বিশ্বাস বলেন, ‘আমাকে দুপুরের পর জানানো হয়। আমি তাই বাড়ির বাইরে। তবে যিনি দায়িত্বে তিনি আমার বাড়িতে বোমা মারার ব্যবস্থা করেছিলেন। এমনকি এর আগে আমাদের বাড়ির বাইরে হেনস্তাও করেছিল। এসব দলের উচ্চ নেতৃত্বের কাছে জানান হয়েছে। তাই কোন ভাবে ওনার অনুষ্ঠানে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।’ তার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে দলের জেলা পরিষদ একুশের সভাপতি মানিক সরকার বলেন, ‘ওনাকে আমি আমন্ত্রণ জানিয়েছি। উনি দলীয় কর্মসূচিতে আসবেন না বলে এসব অজুহাত দিচ্ছেন।’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.