অরূপ বসাক, মালবাজার: মালবাজারে দিনেদুপুরেই অবাধে চলছে গাছ কাটা। কাটা গাছের কাণ্ড মুহূর্তেই পাচার হয়ে যাচ্ছে। এমনই অভিযোগ উঠেছে বহিরাগত পাচারকারীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থল মালবাজার মহকুমার গাজলডোবার তিস্তার বাঁধ সংলগ্ন এলাকা। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যান তারঘেরা রেঞ্জের বনকর্মীরা। এদিকে বনকর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়েই চোরাই কাঠ ফেলে চম্পট দেয় পাচারকারীরা। তাই অভিযুক্তদের ধরতে না পারলেও ঘটনাস্থল থেকে বেশকিছু সেগুন গাছের লক, সাইকেল ও গাছ কাটার সামগ্রী উদ্ধার করেছে।
[এইচআইভি পজিটিভ, মাধ্যমিক পাস করেও লেখাপড়া ছাড়ার পথে পাঁচ পড়ুয়া]
জানা গিয়েছে, অনেকদিন আগে তিস্তার বাঁধ লাগোয়া এলাকায় বহু সেগুন ও শালগাছ লাগিয়েছিল সেচ দপ্তর। সেগুলি এখন মহীরূহ হয়ে উঠেছে। ওই গাছের উপরেই নজর পড়েছিল কাঠ মাফিয়াদের। গোটা ঘটনায় বহিরাগত কাঠ মাফিয়াদের পাশাপাশি স্থানীয়দের বিরুদ্ধেও অভিযোগ এনেছেন বনকর্মীরা। এই প্রসঙ্গে তারঘেরা রেঞ্জার দুলাল ঘোষ জানিয়েছেন, প্রায় দু’লক্ষ টাকার সেগুন কাঠ উদ্ধার হয়েছে। তিনি আরও বলেন, তিস্তার বাধ সংরক্ষমের জন্য এই গাছগুলি লাগানো হয়েছিল। কিন্তু কাঠ চোরের দল সেই সব গাছ কেটে সাফ করে দিচ্ছে। তবে কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।
[প্রেমিকের সঙ্গে সম্পর্কে টানাপোড়েন, ভিডিও চ্যাট চলাকালীন আত্মঘাতী স্কুল ছাত্রী]
এই গাছ কাটার খবর পেয়ে সোচ্চার হয়েছে বিভিন্ন পরিবেশপ্রেমী সংগঠন। নেচার অ্যান্ড অ্যাডভেঞ্চার সোসাইটির সম্পাদক বিশু নন্দী বলেন, ‘এই গাছ যারাই কাটুক না কেন, খুব অন্যায় করেছে। গ্রামের মানুষদেরই বাধা দেওয়া উচিত ছিল। কারণ নদী বাঁধ রক্ষার জন্যই লাগানো হয়েছিল সেসব গাছ। এলাকার এত বড়বড় গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে, আর গ্রামের বাসিন্দারা কিছুই বলছেন না। এ কেমন কথা? বাঁধ ভাঙলে তো তিস্তার জলে ভাসবেন ওই ১০ এলাকার বাসিন্দারাই। স্থানীয়রা সেদিকটা কি ভেবে দেখবেন না? আগামিতে যাতে গাছ কাটার মতো ভয়াবহ ঘটনা আর না ঘটে, তা দেখতে খুব শিগির ওই এলাকায় একটি সচেতনতা শিবির করা হবে।’
সর্বশেষ খবর
-
কম সুদে চটজলদি লোন পাইয়ে দেওয়ার ছক! বড়সড় প্রতারণাচক্রের পর্দাফাঁস লালবাজারের
-
‘একতরফা পদক্ষেপ নয়’, সাড়ে ১২ শতাংশ শুল্কে আমেরিকাকে আলোচনায় বসার বার্তা ভারতের
-
অবিশ্বাস্য লড়াইয়েও শেষরক্ষা হল না মুচোভার, ‘চেক-মেটে’ উইম্বলডনের নতুন রানি নোসকোভা
-
বীরগাথা থেকে দেশভাগের যন্ত্রণা, বাংলায় পার্টিশন মিউজিয়াম বানানোর প্রস্তাব গোপাল পাঁঠার পরিবারের
-
প্রথমে দু’হাজার, তারপর দৈনিক ৩ লক্ষ টাকা! রামমন্দিরে চুরির তদন্তে স্বীকারোক্তি অভিযুক্তের