Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৪ জুলাই ২০২৬

বিশ্বের সবথেকে বড় রসগোল্লা, ইতিহাসের সাক্ষী হতে চলেছে ফুলিয়া

কবে হচ্ছে মিষ্টির এই মহাযজ্ঞ?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৯, ১২:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৯, ১২:৫৮

options
link
বিশ্বের সবথেকে বড় রসগোল্লা, ইতিহাসের সাক্ষী হতে চলেছে ফুলিয়া zoom

তন্ময় মুখোপাধ্যায়: রসগোল্লার জিআই প্রাপ্তিতে বাঙালি আহ্লাদে আটখানা। হুজুগের চোটে কেউ কেউ রসগোল্লা চেখে দেখছেন। নবীন চন্দ্র দাশের স্পঞ্জ রসগোল্লা নিয়ে হইহই হলেও, বাংলাকে এই মিষ্টান্নর পথ দেখিয়েছে কিন্তু বৈষ্ণবভূম ফুলিয়া। হারাধন ময়রার হাত ধরে শুরু হয়েছিল আদি রসগোল্লার পথ চলা। নদিয়ার এই জনপদ এবার এই মিষ্টি নিয়ে অন্যরকম নজির গড়তে চায়।

rasogolla

Advertisement

[হাল ছাড়া নয়, রসগোল্লার নতুন জিআই ট্যাগের জন্য ঝাঁপাচ্ছে ওড়িশা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

বিষয়টি কেমন? বিশ্বের সবথেকে বড় রসগোল্লা বানাতে চলেছে ফুলিয়া। এর নেপথ্যে রয়েছে স্থানীয় আলবেকা ফাউন্ডেশন এবং জুনিয়র ওয়ান হান্ড্রেড ক্লাব। কেন এমন একটা বিষয় নিয়ে কাজ করতে চাইছেন? উদ্যোক্তাদের তরফে অভিনব বসাকের ব্যাখ্যা, ‘‘এই কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আমরা রসগোল্লার প্রকৃত স্রষ্টা হারাধন ময়রাকে উৎসর্গ করতে চাই। তিনি ফুলিয়ার সন্তান। হারাধনবাবুর উত্তরসূরি হিসাবে আমাদের কিছু দায়িত্ব যে থাকে।’’ সবথেকে বড় রসগোল্লা নিয়ে অভিনবের সংযোজন, ‘‘১০ কেজি ছানায় তৈরি হবে পেল্লায় রসগোল্লা। এর সঙ্গে ময়দা, চিনি ও অন্যান্য সামগ্রী মিশিয়ে সব মিলিয়ে তা হবে প্রায় ১২ কেজি ওজনের। আগামী রবিবার রাত আটটা থেকে ফুলিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কাঠের উনুনে সবথেকে বড় রসগোল্লার পাক দেওয়া শুরু হবে। বিশালাকার কড়াইয়ে হাতযশ দেখাবেন স্থানীয় চার ময়রা।’’ আপাতত ১২ কেজির ধরা হলেও আয়োজকরা মনে করছেন ময়রারা যত বড় করবেন তত বিস্তৃতি বাড়বে এই রসগোল্লার।23602322_1460577944057143_863459156_n

ক্ষিতিমোহন ঠাকুরের গ্রন্থ লুচি তরকারি, প্রণব রায়ের বাংলার খাবার (মিঠাই ও মন্ডা প্রবন্ধ), কুমুদনাথ মল্লিকের নদিয়া কাহিনি বা তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়ের উনিশ শতকের রানাঘাট- একাধিক বইতে এই হারাধন ময়রার ডেলা (শক্ত) রসগোল্লার বর্ণনা রয়েছে। এই সমস্ত পুস্তক থেকে জানা যায় ১২৫৩ থেকে ১২৬৪ বঙ্গাব্দে রসগোল্লার আত্মপ্রকাশ।  ফুলিয়া গ্রামের হারাধন ময়রা রানাঘাটের জমিদার বাড়ির জন্য মিষ্টি তৈরি করতে গিয়ে অন্যরকম অভিজ্ঞতার সাক্ষী হয়েছিলেন। উনুনের ফুটন্ত রসে একদলা ছানা গোল্লা পাকিয়ে ছেড়ে দেন। সেই মিষ্টির চমৎকার গোলাকার রূপ দেখে জমিদার গোপাল রায়চৌধুরি নামকরণ করেন রসগোল্লা। ফুলিয়ার বয়রা এলাকার বাসিন্দা হারাধন ময়রার বাসভবন বহু কাল আগেই গঙ্গার গর্ভে চলে যায়। রসগোল্লার এই স্রষ্টাকে এভাবে খুঁজে পেতে চায় নতুন প্রজন্ম। ফুলিয়ার এই সংগঠন সম্প্রতি বিশ্বের সবথেকে দীর্ঘ আলপনা বানিয়ে তাক লাগিয়েছিল। এবার তারা রসগোল্লার বহরে দুনিয়াকে ফুলিয়ার মিষ্টির ঐতিহ্য জানাতে চায়।

[কোন পথে জয়যাত্রা শুরু হল বাংলার রসগোল্লার?]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.