Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
গঙ্গাসাগর

গঙ্গাসাগরে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে বৃদ্ধা, হ্যাম রেডিওর সৌজন্যে মিলল পরিজনের খোঁজ

বৃদ্ধার পরিজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পেরে বেজায় খুশি হ্যাম রেডিওর সদস্যরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০২০, ২০:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০২০, ২০:৩৫

options
link
গঙ্গাসাগরে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে বৃদ্ধা, হ্যাম রেডিওর সৌজন্যে মিলল পরিজনের খোঁজ zoom

শুভময় মণ্ডল: সাগর মেলায় এসেছিলেন পুণ্যার্জন করতে। কিন্তু আচমকাই ভিড়ের চাপে পা ভেঙে যায় বৃদ্ধার। যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে অচৈতন্য হয়ে যান তিনি। হারিয়ে ফেলেন স্মৃতিও। হ্যাম রেডিওর সদস্যদের সাহায্যে হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন ওই বৃদ্ধার। ভাঙা পা সারানোরও উপযুক্ত ব্যবস্থা করা হয়েছে। চিকিৎসকদের সাহায্যে স্মৃতি ফেরার পর সকলেই জানতে পারেন রামরানি নামে ওই বৃদ্ধা উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। সেই অনুযায়ী পরিজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন হ্যাম রেডিওর সদস্যরা। কবে পরিজনেরা বাড়িতে নিয়ে যান সেই প্রতীক্ষায় দিন কাটছে বৃদ্ধার।

কথায় বলে, সব তীর্থ বারবার, গঙ্গাসাগর একবার। তাই তো পুণ্যার্জনের আশায় প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ মকর সংক্রান্তিতে ভিড় জমান সাগরে। শুধু বাংলাই নয়। তার পাশাপাশি কেউ আসেন উত্তরপ্রদেশ থেকে তো কেউ বিহার থেকে এসে পুণ্যস্নান সারেন। তেমনই উত্তরপ্রদেশ থেকে মকর সংক্রান্তিতে পুণ্যস্নান করতে সাগরে এসেছিলেন রামরানি নামে এক বৃদ্ধা। ভিড়ের চাপে পা ভেঙে যায় তাঁর। শুরু হয় অসহ্য যন্ত্রণা। ব্যথার চোটে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘ওঁরা তৃণমূলের কুকুর’, বুদ্ধিজীবীদের বেনজির আক্রমণ সৌমিত্র খাঁ’র]

তবে চলতি বছর গঙ্গাসাগরে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছিল জেলা প্রশাসন। জেলাশাসক আগেই নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রত্যেক পুণ্যার্থী যাতে সুস্থভাবে বাড়ি ফিরতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করতে হবে। কেউ যেন স্বজনহারা না হন সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। জেলাশাসকের নির্দেশ মতো সাগরের প্রতিটি অলিগলিতে নজর রেখেছিলেন হ্যাম রেডিওর সদস্যরা। তাঁরাই প্রথমে দেখেন সাগরের পাড়ে এক বৃদ্ধা অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। তাঁকে উদ্ধার করা হয়। নিয়ে যাওয়া সাগর হাসপাতালে। চিকিৎসকরা বলেন, তাঁর পা ভেঙে গিয়েছে। শুরু হয় চিকিৎসা। সামান্য সুস্থও হন। কিন্তু সমস্যা যেন পিছু ছাড়ে না ওই বৃদ্ধার। কারণ, যন্ত্রণার ঘোরে ততক্ষণে নিজের নাম-ঠিকানা সবই প্রায় ভুলে গিয়েছেন তিনি।

বহু চেষ্টার পর আচমকাই ফিরে আসে তাঁর স্মৃতি। হ্যাম রেডিওর সদস্য এবং চিকিৎসকরা জানতে পারেন তাঁর নাম রামরানি। তিনি উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। তাঁর থেকেই পরিজনদের নাম-ঠিকানা মেলে। হ্যাম রেডিওর সদস্যরা পরিজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আপাতত সাগর হাসপাতালে শুয়ে পরিজনেরা কবে তাঁকে আনতে আসে, অপেক্ষার প্রহর গুনছেন অসুস্থ বৃদ্ধা। ওই মহিলার পরিজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পেরে বেজায় খুশি হ্যাম রেডিওর সদস্যরা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.