Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬

অমাবস্যার রাতে পরপর আত্মহত্যা, ভূতের আতঙ্কে কাঁটা কালনার বাসিন্দারা

কুসংস্কার কাটাতে আসরে বিজ্ঞান মঞ্চের সদস্যরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০১৮, ১১:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০১৮, ১১:৫৬

options
link
অমাবস্যার রাতে পরপর আত্মহত্যা, ভূতের আতঙ্কে কাঁটা কালনার বাসিন্দারা zoom
Advertisement

সৌরভ মাজি, বর্ধমান: অমাবস্যার রাতে আত্মঘাতী এক যুবক। তাঁর আত্মা নাকি জীবিত বন্ধুদের ডাকছে! ঘটনাচক্রে আরেক অমাবস্যার রাতেই আবার আত্মহত্যা করেছেন মৃত যুবকের এক বন্ধু। তারপর থেকেই ভূতের আতঙ্ক জাঁকিয়ে বসেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনার হাটকালনা এলাকায়। আতঙ্ক এতটাই যে, একজনকে ওঝার কাছে গিয়েছিলেন পরিবারের লোকেরা। ওঝার নিদানে আতঙ্ক আরও বেড়ে গিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কুসংস্কার দূর করার চেষ্টা করছেন বিজ্ঞান মঞ্চের সদস্যরা।

[ভাল-মন্দ ছোঁয়ার তফাতের পাঠ প্রাথমিকেই, হুগলিতে অভিনব উদ্যোগ]

Advertisement

পূর্ব বর্ধমানের কালনার হাটকালনা এলাকার কালীতলার বাসিন্দা জয় দাস, জয়ন্ত দাস, হারাধন সর্দার ও শশী পাণ্ডে। চার অভিন্নহৃদয় বন্ধু পেশায় তাঁত শ্রমিক। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এক মাসে আগে অমাবস্যার রাতে আচমকাই গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন জয়। সেই থেকেই ভূতের আতঙ্ক তাড়া করে বেড়াচ্ছে জয়ের বন্ধুদের। হারাধনের জেঠু অশোক সর্দারের দাবি, মৃত্যুর পর থেকেই তাঁর ভাইপোকে ডাকছে জয়। একদিন রাতে হারাধনের গলাও টিপে ধরেছিল তাঁর  বন্ধুর আত্মা। পরিস্থিতি এমন জায়গা পৌঁছেছে যে, বাড়ি থেকে বেরোতে চাইছেন না হারাধন। বাড়িতেও একা থাকতে ভয় পাচ্ছেন তিনি। শেষপর্যন্ত, হারাধন সর্দারকে পূর্ব বর্ধমানেরই মেমারিতে এক ওঝার কাছে নিয়ে যান পরিবারের লোকেরা। তাঁদের দাবি,  ওঝাও বলেছে জয়ের আত্মা সঙ্গী চাইছে। হারাধনকে আর বাড়িতে নিয়ে আসা হয়নি। অন্য জায়গায় থাকছেন তিনি।

[এবার ট্যাক্সির ‘বেয়াদপি’র বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে পারবেন হোয়াটসঅ্যাপে]

গত বুধবারও ছিল অমাবস্যা। সেদিন রাতে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যার করেন জয়ের আরও এক বন্ধু জয়ন্ত দাস। আতঙ্কের মাত্রা বেড়ে যায় বহুগুণ। আত্মঘাতী যুবকের পরিবারের দাবি, জয়ন্তের আত্মহত্যার করার কোনও কারণ ছিল না। মৃত জয় দাসের আত্মাই নাকি তাঁকে টেনে নিয়ে গিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কুসংস্কার কাটাতে উদ্যোগ নিয়েছেন কালনার বিজ্ঞান মঞ্চের সদস্যরা। শিক্ষারত্ন বিজ্ঞানের শিক্ষক তাপস কুমার কার্ফা বলেন, ‘আমরা মোবাইল, ইন্টারনেট নিয়ে সারাদিন ব্যস্ত থাকব। আবার ভূতেও বিশ্বাস। এটা ঠিক নয়। যা ঘটছে, তা স্রেফ কুসংস্কার। মনের অন্ধকার ঘোচাতে সচেতনতা ও বিজ্ঞান মনস্কতার আরও প্রসার হওয়া দরকার।

[প্রস্তুতি সম্পন্ন, খাদ্যরসিকদের স্বস্তি দিয়ে শুরু ইলিশ অভিযান]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.