Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

পণের ১৫ হাজার টাকা না পেয়ে নববধূকে ‘খুন’, গ্রেপ্তার স্বামী-সহ তিন

প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই বিয়ে হয়েছিল মৃতার৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৯, ২০১৮, ১৯:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৯, ২০১৮, ১৯:৩০

options
link
পণের ১৫ হাজার টাকা না পেয়ে নববধূকে ‘খুন’, গ্রেপ্তার স্বামী-সহ তিন zoom

নিজস্ব সংবাদদাতা, বনগাঁ: পণের দাবিতে নাবালিকা গৃহবধূকে খুনের অভিযোগ উঠল স্বামী-সহ শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে৷ এই অভিযোগে মৃতার স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়িকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ৷ ঘটনা উত্তর ২৪ পরগনার সেকাটি গ্রামের৷

[উদ্ধার গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ, হত্যার অভিযোগ শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে]

প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই উত্তর ২৪ পরগনার সেকাটি গ্রামের বাসিন্দা উজ্জ্বলের সঙ্গে নদিয়ার বসন্তপুরের পূজা দাসের বিয়ে হয়৷ পূজার বাবা বিয়েতে নগদ ৩০ হাজার টাকা পাত্রপক্ষকে দিয়েছিলেন৷ সঙ্গে গয়নাগাটি তো ছিলই৷ কথা ছিল, বিয়ের পর আরও ১৫ হাজার টাকা দেবেন নববধূর বাবা৷ মাত্র মাসদুয়েক সংসার করেছিল নাবালিকা৷ তারই মধ্যে তিক্ততায় ভরে গিয়েছিল তার দাম্পত্য জীবন৷ অভিযোগ, সময়মতো পণের বাকি ১৫ হাজার টাকা না পাওয়ায় বাপেরবাড়িতে শুরু হয় গঞ্জনা৷ নাবালিকার উপর শুরু হয় অত্যাচার৷ মারধরের পাশাপাশি তাঁকে মানসিক অত্যাচারও করা হত বলেও অভিযোগ৷ বাপেরবাড়িতে বহুবার জানিয়েছে নাবালিকা৷ বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেছিল সে৷ কিন্তু শোনেননি মেয়ের বাবা৷

Advertisement

[বন্ধুর সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে নিখোঁজ বালক, উদ্ধার মৃতদেহ]

মেয়ের অসুস্থতার কথা শুনে এদিন নদিয়া থেকে বনগাঁয় ছুটে আসেন গৃহবধূর বাবা৷ শ্বশুরবাড়িতে এসে মেয়ের নিথর দেহ দেখতে পান তিনি৷ শ্বশুরবাড়ির লোকজন জানান, গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে পূজা৷ যদিও নববধূর বাবার অভিযোগ, আত্মহত্যা নয়, খুন করা হয়েছে তাকে৷ এরপরই গাইঘাটা থানার দ্বারস্থ হন মৃতার বাবা৷ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতার দেহ ময়নাতদন্তে পাঠায়৷ মৃতার স্বামী, শ্বশুর এবং শাশুড়িকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ৷

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.