Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

সর্বদল বৈঠকে যোগ দিতে চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ মোর্চা

বিনয় তামাংকে আমন্ত্রণ রাজ্যের, পানিঘাটায় মন্ত্রী গৌতম দেব।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৭, ১৩:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৭, ১৩:৪৮

options
link
সর্বদল বৈঠকে যোগ দিতে চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ মোর্চা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাহাড় নিয়ে রাজ্যের ডাকা সর্বদল বৈঠকের আগে বিমল গুরুংয়ের কৌশল বদল। রাজ্যের চালে ক্রমশ একঘরে হয়ে যাওয়া মোর্চা সভাপতি পিছু হটলেন। বনধ ডাকার সময় থেকে রাজ্যকে তিনি অগ্রাহ্যের রাস্তা নিয়েছিলেন। কিন্তু দিল্লি থেকে তেমন কোনও সঙ্কেত না পাওয়ায় বদলে গেল গুরুংয়ের অবস্থান। রাজ্যের ডাকা বৈঠকে যোগ দিতে চেয়ে খোদ মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে এসে চিঠি দিয়ে গিলেন মোর্চার দুই বিধায়ক। গুরুংয়ের এই পিছুটানের দিনে দুই বহিষ্কৃত নেতা বিনয় তামাং এবং অনীত থাপা সুর চড়িয়েছেন।

[পাহাড়ে ব্যাপক পুলিশি ধরপাকড়, গ্রেপ্তার ৯]

Advertisement

রবিবার কার্শিয়াংয়ে ভিড়ে ঠাসা জনসভায় মোর্চা সুপ্রিমোকে কার্যত চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন অনীত। পাহাড়ের বনধের নেপথ্যে যে গভীর ষড়যন্ত্র তাও এদিন বুঝিয়ে দিয়েছেন এই অপসারিত মোর্চা নেতা। তাঁর অভিযোগ চা বাগানের মালিকদের সঙ্গে যোগসাজশ রয়েছে বিমল গুরুংয়ের। বনধ টেনে নিয়ে বাগান শ্রমিকদের প্রাপ্য বোনাস বঞ্চিত করতে চান বাগান মালিকরা। তাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন গুরুং। তাই এদের বিরুদ্ধে এফআইআর করা উচিত বলে দাবি জানিয়েছেন অনীত। আগামী ১২ সেপ্টম্বর রাজ্যের ডাকা বৈঠকে শিলিগুড়িতে তিনি যা যাচ্ছেন তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন। মোর্চা তাঁকে গুরুত্বহীন করতে চাইলেও অনীত বুঝিয়ে দিয়েছেন এই বৈঠকে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে কেউ তাঁকে আটকাতে পারবে না। বিনয় তামাংয়ের ধাঁচে গণতান্ত্রিক পথে অর্থাৎ অনশন কর্মসূচি নিয়ে মোর্চাকে আরও কোনঠাসা করতে চেয়েছেন অনীত। কিছুদিন আগে তাঁর কর্মসূচি কার্যত হাইজ্যাক করে নিয়েছিল মোর্চার নারী বাহিনী। তা থেকে শিক্ষা নিয়ে অনেক পরিকল্পিতভাবে কার্শিয়াংয়ে সভা করেন অনীত। বহিষ্কৃত মোর্চা নেতা পাহাড় সচল করার বার্তার দিনে এদিন পাহাড়ে ফের যান গৌতম দেব। পর্যটনমন্ত্রী মিরিকের পানিঘাটায় গিয়ে জনজীবন স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেন। ওই এলাকায় একটি সভাও করেন তিনি। যেখান থেকে স্থানীয়দের খাদ্যসামগ্রী বিলি করা হয়।

[ফের জাতীয় স্তরে রাজ্যের স্বীকৃতি, ৯টি প্রকল্প জিতল পুরস্কার]

মোর্চার দুই বিধায়ক রোহিত শর্মা ও সরিতা রাই কালীঘাটে দৌত্য চালালেও রাজ্য প্রশাসন কী চাইছে তা অবশ্য পরিষ্কার নয়। তবে শিলিগুড়িতে বৈঠকের ব্যাপারে বহিষ্কৃত মোর্চা নেতা বিনয় তামাংয়ের কাছে রাজ্যের আমন্ত্রণপত্র পৌঁছেছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.