Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Darjeeling

দার্জিলিংয়ে বন্ধ গ্লেনারিসের বার ও মিউজিক! বড়দিনের আগে মনখারাপ পর্যটকদের, কেন এমন নির্দেশ?

আগামী তিনমাসের জন্য এই নির্দেশিকা জারি হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৯, ২০২৫, ২০:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৯, ২০২৫, ২০:০৭

options
link
দার্জিলিংয়ে বন্ধ গ্লেনারিসের বার ও মিউজিক! বড়দিনের আগে মনখারাপ পর্যটকদের, কেন এমন নির্দেশ? zoom

ধনরাজ ঘিসিং, দার্জিলিং: শীতের মরশুমে পাহাড়ে পর্যটকদের ভিড়। শৈলশহরের অন্যতম রেস্তরাঁ গ্লেনারিসের বার ও মিউজিক বন্ধের নির্দেশ। আগামী তিনমাসের জন্য এই নির্দেশিকা জারি হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। ফলে ক্রিসমাস ও নববর্ষ পালন-সহ গোটা শীতকালই এই আকর্ষণ থেকে পর্যটকরা বঞ্চিত হবেন বলে খবর। কিন্তু কেন এই নির্দেশিকা? সেই নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন।

এক্সাইজ রুল লঙ্ঘণ করার অভিযোগ। দার্জিলিং বেঙ্গল এক্সাইজের ক্রাইম ব্রাঞ্চ শৈলশহরের বিখ্যাত বার কাম রেস্তরাঁ গ্লেনারিস-এর বার এবং মিউজিক বন্ধ করে দিল। আজ, মঙ্গলবার থেকেই তিনমাসের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হল এটি। ক্রাইম ব্রাঞ্চের ডেপুটি কালেক্টর সরণ্য বারিক বলেন, “বেঙ্গল এক্সাইজ রুল লঙ্ঘণ করায় আমরা এই বারটি তিনমাসের জন্য বন্ধ করেছি।”

Advertisement

শৈলশহরে পর্যটকদের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ গ্লেনারিস। ১৮৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই রেস্তরাঁ বার এদিন প্রথম বন্ধ হল। গ্লেনারিস-এর তিনটি বিভাগ রয়েছে। বার, বেকারি এবং রেস্তরাঁ। তবে এই ঘটনা নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন গ্লেনারিস-এর কর্ণধার অজয় ​​এডওয়ার্ড। রাজনৈতিক চক্রান্ত বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, “আমার গ্লেনারিস-এর সমস্ত কাগজপত্র ঠিক আছে। কিন্তু আমার লাইভ মিউজিক পেপার একবছর ধরে বন্ধ।” তিনি আরও বলেন, “বার বন্ধ করে দেওয়ায় এই মরশুমে দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হবে। কিছু করার নেই। কোভিডের সময়ও ক্ষতি হয়েছে।”

এডওয়ার্ডের আরও অভিযোগ, “দার্জিলিংয়ের পুলিশ সুপার গানবাজনার অনুমতিপত্র দেননি। নিয়ম অনুসারে দার্জিলিং পুলিশ সুপারের কাগজটি সিভিল সার্ভিস বিভাগকে দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তিনি কাগজটি না দেওয়ায় এটি ঘটেছে।” এদিকে, গ্লেনারিস-এর ম্যানেজার অশোক তামাং বলেন, “প্রশাসন তিনমাসের জন্য এখানে মদ্যপান এবং সঙ্গীত পরিবেশন বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে ক্রিসমাস ও নববর্ষের বুকিং বাতিল হতে শুরু করেছে। প্রতিদিন সঙ্গীত পরিবেশন ও বাদ্যকর মিলিয়ে আটজন আছেন। তাঁরা হতাশ। ২৫০ কর্মচারী বিপাকে পড়েছেন। পর্যটন মরশুমে আরও ৫০ জনেরও বেশি কর্মচারী থাকে।”

 

 

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.