বাবুল হক, মালদহ: বধূকে ধর্ষণ ও খুনের চেষ্টার ঘটনায় চাঞ্চল্য মালদহের হবিবপুরের কানতুরকা গ্রামে। বুধবার রাতে সন্তানদের সঙ্গে বাড়িতে ঘুমোচ্ছিলেন ওই মহিলা। অভিযোগ, সেই সময় এক যুবক আচমকাই ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে পড়ে। মাথায় রডের আঘাত করে বধূকে সরষে ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় অভিযুক্ত উজ্জ্বল বর্মণ। অভিযোগ , বাধা পেয়ে বধূকে খুনের চেষ্টা করে অভিযুক্ত।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মাস তিনেক আগে শ্রমিকের কাজে যোগ দিতে দিল্লি যান ওই বধূর স্বামী। সেই থেকে দুই সন্তানকে নিয়ে হবিবপুরের বাড়িতে একাই থাকতেন বছর তিরিশের ওই বধূ। অভিযোগ, বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগে একাধিকবার ওই মহিলাকে উত্ত্যক্ত করে অভিযুক্ত। বুধবার রাতে ফের ওই বধূর বাড়িতে চড়াও হয় অভিযুক্ত উজ্জ্বল। ঘুম থেকে তুলে বলপূর্বক বধূকে বিছানা থেকে নামিয়ে আনে সে। অভিযোগ, রড দিয়ে মাথায় আঘাত করে বধূকে বাড়ি থেকে প্রায় ১০০ মিটার দূরে সরষে খেতে নিয়ে যায় উজ্জ্বল। সেখানে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। বাধা দিলে হাঁসুয়া দিয়ে বধূকে কুপিয়ে খুনের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ।
বুধবার রাতে ওই যুবককে মায়ের উপর নির্যাতন চালাতে দেখে আতঙ্কে বধূর দুই শিশু পাড়া-প্রতিবেশীদের কাছে ছুটে যায়। শিশুদের কাছে ঘটনা জানতে পেরে সরষে ক্ষেতের দিকে ছুটে যায় স্থানীয়রা। সেখান থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই মহিলাকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা। এরপর স্থানীয়দের তৎপরতায় মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় নির্যাতিতাকে। পুলিশ সুত্রে খবর, বধূর মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে শারিরীক অবস্থা সংকটজনক বধূর। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে হবিবপুর থানায় ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।