Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১১ জুলাই ২০২৬

রামকিঙ্করের ভাস্কর্য সংস্কারে ৮ কোটি ৮২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ কেন্দ্রের

ব্রোঞ্জকাস্টিং শেষ হলেই আসল মূর্তি সংরক্ষণ করতে পারবে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০১৮, ১৪:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০১৮, ১৪:০৯

options
link
রামকিঙ্করের ভাস্কর্য সংস্কারে ৮ কোটি ৮২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ কেন্দ্রের zoom

ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বোলপুর: শান্তিনিকেতনে রামকিঙ্কর বেজের তৈরি ভাস্কর্যগুলি সংস্কার শুরু হয়েছে। তার মধ্যেই বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের আবেদনে ভাস্কর্যগুলির ব্রোঞ্জকাস্টিং করার জন্য আট কোটি ৮২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করছে মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক। রবিবার এই বিষয় নিয়ে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ বৈঠকে বসে। রামকিঙ্করের ন’টি ভাস্কর্যের মধ্যে চারটির  ব্রোঞ্জকাস্টিং এর কাজ শুরু হবে। কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, ব্রোঞ্জকাস্টিংয়ের কাজ সম্পূর্ণ হলে বিশ্ববিখ্যাত ভাস্কর্যগুলির সংরক্ষণ আরও সহজ হয়ে যাবে।

[দিদার পড়শিকে শায়েস্তা করতে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি, জখম ৫]

রবিবার বিশ্বভারতীর কেন্দ্রীয় অফিসে এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য সবুজকলি সেন,  ভাস্কর কে এস রাধাকৃষ্ণন, ন্যাশানাল গ্যালারি অফ মর্ডান আর্টের ডিজি আদিত্য ঘরানায়েক,  অধ্যাপক শিশির সাহানা-সহ অন্যরা। এই বিষয়ে বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সবুজকলি সেন বলেন,  “প্রাথমিক ভাবে রামকিঙ্কর বেজের ভাস্কর্য কলের বাঁশি,  সাঁওতাল পরিবার,  ল্যাম্পস্ট্যান্ড এবং ফাউন্টেনের ব্রোঞ্জকাস্টিং করা হবে। দেড় বছরের মধ্যে এই কাজ শেষ হবে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তৎকালীন কলাভবনের অধ্যাপক ছিলেন বিখ্যাত ভাস্কর রামকিঙ্কর বেজ। তিনি শান্তিনিকেতনের আশপাশে বসবাসকারী আদিবাসী পরিবারগুলির জীবনধারা ও সমাজব্যবস্থা দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন। এনিয়ে ১৯৩০ থেকে ১৯৫০ সালের মধ্যে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন চত্বরে আটটি ভাস্কর্য তৈরি করেন তিনি। সাঁওতাল পরিবার,  সুজাতা,  মিল কল,  ধান ঝাড়াই,  ল্যাম্প স্ট্যান্ড,  বুদ্ধ ছাড়াও গান্ধী ও মৎস্যমহিষ ভাস্কর্য দুটি তাঁর পর্যবেক্ষণে তৈরি করেন কলাভবনের ছাত্রছাত্রীরা। মূলত কাঁকর,  চুনসুরকি,  বাঁশ,  লোহার পাইপ,  লোহার জাল ব্যবহার করেই ভাস্কর্যগুলি তৈরি করা হয়। তৈরির পর থেকে ভাস্কর্যগুলি দীর্ঘ কয়েক দশক খোলা আকাশের নিচে পড়ে ছিল। বৃষ্টির জলে ভাস্কর্যগুলি ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর পরেই বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ ভাস্কর্যগুলি সংস্কারের উদ্যোগ নেয়। বর্তমানে সুজাতা,  বুদ্ধ ও ধান ঝাড়াইয়ের ভাস্কর্যের সংস্কার সম্পূর্ণ হয়েছে। কিন্তু এই আটটি ভাস্কর্যের কোনও ব্রোঞ্জকাস্টিং ছিল না। এর ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগে এই ভাস্কর্যগুলির ক্ষতি হলে বা ভেঙে গেলে তাকে পুরনো রূপে ফিরিয়ে আনা কঠিন হত। এখন আটটি ভাস্কর্যের সংস্কারের  কাজ শেষ হওয়ার অপেক্ষা। তাহলে আসল মূর্তিগুলিকে ফাঁকা জায়গা থেকে সরিয়ে সেখানে কাস্টিং করা মূর্তিগুলি রাখতে পারবে কতৃর্পক্ষ।

[লোকালয়ে ঢুকে পড়াই কাল হল, জলপাইগুড়িতে সেলফির অত্যাচারে প্রাণ গেল ময়ূরের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.