Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Pradhan Mantri Kisan Samman Nidhi

সরকারি চাকরিজীবীদের অ্যাকাউন্টে কিষান সম্মান নিধির টাকা! ফেরতের নির্দেশ মিলতেই ব্যাংকে ভিড়

এই ঘটনায় অস্বস্তিতে কেন্দ্র।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০২১, ২২:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০২১, ২২:২১

options
link
সরকারি চাকরিজীবীদের অ্যাকাউন্টে কিষান সম্মান নিধির টাকা! ফেরতের নির্দেশ মিলতেই ব্যাংকে ভিড় zoom
ছবি: প্রতীকী।

ধীমান রায়, কাটোয়া: কেউ সরকারি কর্মচারী। কেউ অবস্থাপন্ন ব্যবসায়ী বা স্কুল শিক্ষক। যাঁরা আয়কর দাতা বলে সরকারের কাছে চিহ্নিত। এমন বেশ কিছু মানুষের আ্যাকাউন্টে চলে গিয়েছে কিষান সম্মান নিধি (Kisan Samman Nidhi) প্রকল্পের টাকা! বিষয়টি নজরে পড়তেই তাদের নোটিশ পাঠাতে শুরু করেছে কৃষিদপ্তর। আর নির্দেশে পেয়েই চুপিসারে সরকারি অনুদানের টাকা ফেরত দিতেও শুরু করলেন তাঁরা। কিন্তু যারা এই অনুদানের জন্য যোগ্য নন তাঁরা কেন সরকারের কাছে কিষান সম্মান নিধি প্রকল্পের আবেদন করেছিলেন? এমন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে অনুদান ফিরিয়ে দেওয়ার দলে যাঁরা রয়েছেন তাঁদের অধিকাংশই এখন দাবি করছেন, ভুলবশত আ্যাকাউন্টে অনুদান চলে এসেছে। তাই স্বেচ্ছায় ফিরিয়ে দিচ্ছেন।

কাটোয়া ২ ব্লকের এডিএ সুমনা মণ্ডল বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের কিষান সম্মান নিধি প্রকল্পে আবেদন করার সময় একটি হলফনামা জমা দিতে হয় আবেদনকারীকে। সেখানে উল্লেখ করতে হয় যে তিনি কোনও সরকারি চাকরি করেন না বা আয়করের আওতায় পড়েন না। সেই অনুযায়ী তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরকারি অনুদানের টাকা জমা পড়ে। তেমনটাই হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে তদন্ত করতে গিয়ে দেখা যায়, অনেকে সরকারি চাকরি করেন। তাই তাঁদের কাছ থেকে টাকা ফেরত চাওয়া হয়েছে।” সুমনাদেবী জানান, নোটিশ পেয়ে ইতিমধ্যে অনেকেই টাকা ফেরত দিচ্ছেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: জমি নিয়ে সামান্য বিবাদের জের, কৃষকের নাক কামড়ে ছিঁড়ে নিল প্রতিবেশী!]

কৃষকদের জন্য কেন্দ্র সরকার চালু করেছে কিষান সম্মান নিধি প্রকল্প। সেখানে চাষিদের বছরে ছ’হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী, যে সব চাষিদের এক একরের কম জমি রয়েছে তাঁরাই আবেদন করতে পারেন। কিন্তু যাঁরা কোনও সরকারি চাকরি করেন বা আয়করের আওতায় পড়েন তারা এই অনুদানের যোগ্য নন। জানা গিয়েছে, অনলাইনে এই অনুদানের আবেদন করার সময় প্রয়োজনীয় নথি আপলোড করতে হয়। সে সময় চাষিদের একটি হলফনামা দিতে হয়। আবেদনকারীকে সেখানে উল্লেখ করতে যে তিনি কোনও সরকারি চাকরির সঙ্গে যুক্ত নন বা ট্যাক্সের আওতাতেও পড়েন না। ওই আবেদনপত্র স্কুটনি করা হয়। কৃষি দপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদনকারীদের তালিকা পাঠানো হয়। তারপর ব্যাংক আ্যকাউন্টে সরাসরি টাকা যায়। দু’ হাজার টাকা করে কিস্তিতে বছরে তিনবার অর্থাৎ মোট ছ’ হাজার টাকা দেওয়া হয়।

জানা গিয়েছে, কাটোয়ার বহু সরকারি চাকরিজীবী ও আয়করদাতার ব্যাংক আকাউন্টে এই প্রকল্পের অনুদান চলে যায়। এরপর কেন্দ্র সরকারের তরফে রাজ্য কৃষি দপ্তরে বিষয়টি জানানো হয়। তারপরই কৃষিদপ্তর থেকে নোটিস পাঠানো শুরু হয়েছে। কাটোয়ার এক প্রাথমিক স্কুলশিক্ষক প্রশান্ত মণ্ডল ওই প্রকল্পের অনুদান পেয়েছিলেন। তিনি বলেন, “আমার ব্যাংক আ্যকাউন্টে ভুল করে টাকা ঢুকেছে।” সূত্রের খবর, কাটোয়া মহকুমার পাঁচটি ব্লকে মোট ৫০ হাজার ২৭৬ জনকে কিষান সন্মান নিধি প্রকল্পের অনুদান দেওয়া হয়েছে।

[আরও পড়ুন: ‘সিসি ক্যামেরায় আমাকে দেখে যৌন লালসা মেটান প্রধান শিক্ষক’, শিক্ষামন্ত্রীকে চিঠি শিক্ষিকার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.