Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Gram Banglar Durga Puja 2023:

Gram Banglar Durga Puja 2023: সিংহের মুখ ঘোড়ার মতো! দত্তপুকুরের দত্তবাড়ির দুর্গা বিসর্জনের রীতিতেও ভিন্ন ছোঁয়া

৩৯৩ বছর আগে শুরু হয়েছিল এই পুজো।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৫, ২০২৩, ১৭:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৫, ২০২৩, ১৭:৩৭

options
link
Gram Banglar Durga Puja 2023: সিংহের মুখ ঘোড়ার মতো! দত্তপুকুরের দত্তবাড়ির দুর্গা বিসর্জনের রীতিতেও ভিন্ন ছোঁয়া zoom

অর্ণব দাস, বারাসত: শুরু হয়েছিল আজ থেকে প্রায় চারশো বছর আগে। প্রাচীন রীতি মেনে আজও দত্তপুকুরের দত্ত বাড়িতে পূজিতা হন দেবীদুর্গা। নিয়মের মতো এই বাড়ির প্রতিমাতেও রয়েছে বিশেষত্ত্ব।  

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, পারিবারিক অশান্তির জেরে অধুনা বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৪০০ বছর আগে এপার বাংলার দত্তপুকুরের নিবাধুই এলাকায় চলে এসেছিলেন জটাধারি দত্ত। তিনিই দত্ত পরিবারের প্রথম দুর্গাপুজো শুরু করেছিলেন। স্থানীয়রা জানান, রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের নায়েব হয়ে জটাধারি দত্ত এলাকায় একাধিক পুকুর খনন করিয়েছিলেন। দত্তদের একাধিক পুকুর থাকায় মানুষের মুখে মুখে জনপদটির নামকরন হয়েছিল দত্তপুকুর। এবছর দত্ত পরিবারের দুর্গাপুজো ৩৯৩ বছরে পড়ল। কথিত আছে, মা দুর্গার বাহনের শরীরের গঠন হবে সিংহের কিন্তু মুখ থাকবে ঘোড়ার মত, এমনই স্বপ্নাদেশ পেয়েছিলেন জটাধারি দত্ত। সেই মতোই হয় প্রতিমা। এবছর ১২ তম বংশধরের হাতে রয়েছে পুজোর ভার। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: কোন্নগরে দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্য! দুর্গাপুজোর মণ্ডপে ‘আগুন’]

বিসর্জনের সময় চণ্ডিমন্দিরের বেদি থেকে দেবী উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার মুহুর্তে বংশের প্রবীন গৃহবধূ বেদিতে দই ঢালেন। যতক্ষন না মায়ের বিসর্জন হয় ততক্ষন বেদির সামনে সেই দইয়ে হাত দিয়ে বসে থাকেন তিনি। পুজো প্রসঙ্গে বর্তমান বংশধর তারাশংকর দত্ত বলেন, “মহালয়ার পরের দিন থেকে নবমী পর্যন্ত আমি বংশের নিয়ম মেনে আতপ চালের সিদ্ধ ভাত খাই।” তাঁর বড় ছেলে দত্ত পরিবারের ৩৯৩ বছরের পুজোর ম্যানেজিং সেবায়েত রাজিব দত্ত বলেন, “দত্তপুকুরের মধ্যে আমাদের বাড়ির পুজোটাই প্রাচীন। পারিবারিক এই পুজো ঘিরে দত্তপুকুরের মানুষদের একটা উৎসাহ রয়েছে।”

অন্যদিকে, বাংলাদেশের ফরিদপুরে বিগত প্রায় ১০০ বছর আগে শুরু হয়েছিল মালাকার পরিবারের দুর্গাপুজো। প্রথম থেকেই অষ্টমীর দিন দুর্গা এবং কালীর আরাধনা একই সঙ্গে শুরু হয়েছিল। পরিবারের এই পুজো দত্তপুকুরের নন্দনপল্লিতে শুরু হওয়ার পরেও এই নিয়মেই চলে আসছে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মহালয়ার দিনেই দুই মায়ের প্রতিমা বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। তার পর বাকি সাজ হয় বাড়িতে রেখেই। তবে অষ্টমী পর্যন্ত মা কালীকে রাখা হয় বাড়ির ঠাকুর ঘরে। অষ্টমীর সন্ধিপুজো শেষ হলে মণ্ডপে আনা হয় কালী প্রতিমা। মা দুর্গা থাকে পশ্চিম দিকে মুখ করে আর মা কালীকে রাখা হয় দক্ষিনমুখী করে। এর পর একসঙ্গে শুরু শুরু হয় দুই মায়ের পুজো। কালী পুজো শেষ হলে নবমীর দিন ভোর হওয়ার আগেই বাড়ির পুকুরেই প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। তৃতীয় বংশধর ব্রজগোপাল মালাকার বলেন, বাংলাদেশের ফরিদপুরে বাবা ঠাকুরদারা অষ্টমীর দিন একই মণ্ডপে দুর্গা আর কালীর পুজো শুরু করেছিলেন। সেই থেকে এই নিয়ম চলে আসছে।

[আরও পড়ুন: ৬ দিনের নাতিকে বিক্রির অভিযোগ দিদিমার বিরুদ্ধে, ব্যাপক চাঞ্চল্য শান্তিপুরে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.