Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

‘পথ চলাতেই আনন্দ’ দিতে হকারমুক্ত হচ্ছে দার্জিলিংয়ের ফুটপাথ

নতুন সাজে পাহাড়ি শহর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০১৯, ২১:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০১৯, ২১:২৭

options
link
‘পথ চলাতেই আনন্দ’ দিতে হকারমুক্ত হচ্ছে দার্জিলিংয়ের ফুটপাথ zoom

সংগ্রাম সিংহরায়, শিলিগুড়ি:  পাহাড়ি পথের বাঁকঝোঁক ধরে চলার আনন্দই আলাদা। এমন অভিজ্ঞতা অর্জনের সহজতম, নিকটতম জায়গা দার্জিলিং। হিমালয়ের পাদদেশে নানা বাঁক নেওয়া রাস্তা গাড়িতে নয়, পায়ে হেঁটে পেরিয়ে যেতেই বেশি মজা। কিন্তু মজা এত সহজে উপভোগ্য নয়। কারণ, দার্জিলিং শহরের ফুটপাথে হকারদের ভিড়। একেই সংকীর্ণ রাস্তা। তারপর নানাবিধ পসরা সাজিয়ে বসে থাকা দোকানি এবং তাতে ক্রেতা, বিক্রেতার ভিড়। হাঁটার জায়গা আর তেমন কোথায়?

এবার পর্যটকদের ভরপুর আনন্দ দিতে দার্জিলিঙে তৈরি হচ্ছে হকার ফ্রি স্ট্রিট। দেশবিদেশের পর্যটকদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ হতে চলেছে – হকারমুক্ত রাস্তা। সুখবরটা জানিয়েছেন দার্জিলিং পুরসভার চেয়ারপার্সন প্রতিভা রাই। দার্জিলিং ওভারব্রিজ থেকে লরেটো কনভেন্ট পর্যন্ত প্রায় দু’কিলোমিটার রাস্তা সম্পূর্ণ হকারমুক্ত করা হচ্ছে। ওই এলাকায় পর্যটক থেকে শহরবাসী – বিনা বাধায় যাতে হাঁটতে পারেন সকলে, তার জন্য এই ব্যবস্থা। পাশাপাশি নেহরু রোড থেকেও হকার উচ্ছেদ করা হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন পুরসভার চেয়ারপার্সন। তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘আমরা বেকার সমস্যার প্রতি সহানুভূতিশীল। রাজনীতি এবং ভোটব্যাংকের কথা চিন্তা না করে দার্জিলিং শহরের সার্বিক উন্নয়ন এবং পরিচ্ছন্ন শহর গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা চাইছি।’ বৃহস্পতিবার দার্জিলিঙে ছুটির দিন। ওই দিন যাতে কোনওভাবেই শহরের কোনও বাজার, ম্যালে হকার না থাকে, সেই বিষয়টিও নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন প্রতিভা রাই।

Advertisement

                                    [চা বাগানে ফের উদ্ধার চিতাবাঘের দেহ, মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা]

সম্প্রতি দার্জিলিংয়ের উন্নয়ন এবং সৌন্দর্যায়ন নিয়ে শহরবাসীর পরামর্শ চেয়ে খোলা আহ্বান জানানো হয়েছিল উন্নয়ন কমিটির তরফে। তাতে উঠে এসেছে সরু রাস্তা হকারমুক্ত করার প্রস্তাব। একে গুরুত্ব দিয়েই পুরসভার এমন সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে।  সেইসঙ্গে ফুটপাতে বসতে না দিলেও, এই হকারদের কীভাবে অন্যত্র স্থায়ী জায়গা করে দেওয়া যায়, তার জন্য ব্যবস্থা নিচ্ছে পুরসভা।  পুরসভার চেয়ারপার্সনের মতে, পপুলার ফার্মেসি বিল্ডিং এলাকায় বিস্তৃত সিঁড়িতে এই সমস্ত হকারদের পুনর্বাসন করা যেতে পারে। সে ব্যাপারে চিন্তাভাবনা চলছে। পুরসভায় নথিভুক্ত যে সব হকার রয়েছেন, তাঁদের সেখানে স্থানান্তরিত করা হবে। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন দার্জিলিং ব্যবসায়ী সমিতি, রোড ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন, পর্যটন ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। পাহাড়ি পথ চলা এবার আরও আনন্দের হয়ে উঠবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.