স্টাফ রিপোর্টার, মেদিনীপুর: জলমগ্ন মেদিনীপুরের বিভিন্ন এলাকা। জলবন্দি ৬৪ জন গর্ভবতী মহিলাকে উদ্ধার করল জেলা প্রশাসন। তাঁদের স্থানীয় হাসপাতাল তথা মাদার্স হাটে স্থানাতর করা হয়েছে। জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সৌম্য শঙ্কর সারেঙ্গী বলেছেন, “এক সপ্তাহের মধ্যে যাঁদের প্রসবের সম্ভাবনা আছে, সেইসব গর্ভবতী মহিলাদের উদ্ধার করার কাজ চলছে। এ পর্যন্ত ৬৪ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।” বাকিদেরও উদ্ধারকার্য চলছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
বুধবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জেলার সবকটি ব্লকের বিএমওএইচদের নিয়ে বৈঠক করেন খোদ মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক। এই মুহূর্তে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সন্তানসম্ভবা মহিলাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনার কাজ চলছে। এক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা নিচ্ছেন আশাকর্মীরা। এই কর্মীরা সারাবছর বাড়ি ঘুরে ঘুরে কাজ করেন। তাই এলাকায় কোন মহিলা গর্ভবতী তাঁরা ভালো জানবেন। এই পরিস্থিতিতে তাঁদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাছে প্রশাসন। সঙ্গে সাপে কাটা রোগের ওষুধ থেকে শুরু করে অন্যান্য ওষুধপত্র মজুত রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জানা গিয়েছে, এপর্যন্ত সারা জেলাজুড়ে যে ৬৪ জনকে উদ্ধার করে আনা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে সবথেকে বেশি সংখ্যা আছে ঘাটালেই। কেবলমাত্র ঘাটাল ব্লকেই ১০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এর পাশাপাশি দাসপুর এক নম্বর ব্লকে ৮ জন, দাসপুর দুই নম্বর ব্লকে ৬ জন, চন্দ্রকোনা এক নম্বর ব্লকে ৮ জন, খড়গপুর এক নম্বর ব্লকে ৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
বাকি ব্লকগুলিতে এই সংখ্যা অনেকটাই কম। তবে জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে যে, ক্রমশ এই সংখ্যাটা বাড়ছে। তাঁরা কোনওরকম ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। এসবের পাশাপাশি চিন্তা বাড়িয়েছে সাপে কাটা রোগীর সংখ্যাও। স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর এপর্যন্ত দুর্গত এলাকায় ১৪ জন সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসা চলছে।
সর্বশেষ খবর
-
ভূত তাড়ানোর নামে যৌন নির্যাতন! কানাডায় গ্রেপ্তার পুরোহিত
-
কলকাতার প্রশিক্ষণ শিবিরে এসে হারাল বিজেপির সর্বভারতীয় নেতার হলুদ ডায়েরি! গোপন তথ্য ফাঁসের আশঙ্কা
-
পুজোর মুখে নেপালের বিপর্যয়ের প্রভাব পড়বে উত্তরের পর্যটনে! মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের
-
বদলের বাংলায় ভিনরাজ্যে কাজ নয়! ১০০ শতাংশ পরিযায়ী শ্রমিককে রোজগার গ্যারান্টি কার্ড দেবে রাজ্য
-
প্রকৃতির রুদ্র রোষে নেপাল, জলের তলায় গ্রামের পর গ্রাম! প্রকাশ্যে রোমহর্ষক ভিডিও