২৭ আশ্বিন  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৫ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

শুভময় মণ্ডল ও রাহুল চক্রবর্তী:  বেলাশেষে নজিরবিহীন অশান্তির উদাহরণ হয়ে রইল ভাটপাড়া উপনির্বাচন৷ এবং  রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব একেবারে গোষ্ঠী সংঘর্ষের আকার নিল৷ মুহূর্তে বদলে গেল বারাকপুর শিল্পাঞ্চলের চেহারা৷ দুপুরের পর থেকে মুহূর্মুহূ বোমা,গুলির শব্দে কান পাতা দায় হয়ে উঠল৷ বিঘ্নিত হল স্বাভাবিক পরিবেশ৷

[আরও পড়ুন: উপনির্বাচনের ভাটপাড়ায় অশান্তি, উন্মত্ত জনতার হাতে আক্রান্ত মদন মিত্র]

ভাটপাড়ায় সাম্প্রতিককালে ভোট অশান্তিবিহীন হয়েছে বলে মনে পড়ে না৷ রবিবারও সকাল থেকেই দফায় দফায় বিক্ষিপ্ত অশান্তি চলছিল ভাটপাড়া উপনির্বাচন ঘিরে৷ তৃণমূল প্রার্থী মদন মিত্রের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বচসা থেকে শুরু করে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের তাণ্ডব, প্রার্থীর উপর চড়াও হয়ে হামলা – সবধরনের অশান্তির ছবিই দেখা গিয়েছে৷ কিন্তু ঘড়ির কাঁটা বেলা ৩টে গড়াতেই সেই অশান্তির তীব্র আকার নিল৷ বুথ পরিদর্শন শেষে মদন মিত্রর কনভয় এলাকা ছাড়তেই কাঁকিনাড়ায় তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি শুরু হয়৷ গাড়ি অন্যপথে ঘুরিয়ে তিনি নিরাপদে এলাকা ছাড়েন৷ নিস্তার পাননি পুলিশ এবং সাংবাদিকরা৷ পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করে উন্মত্ত জনতা৷ ভাটপাড়ার অলিগলি পুরোপুরি রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে৷ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে সংযোগকারী রাস্তাগুলো৷ নিজেদের কাজ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সাংবাদিকরাও৷ প্রাণভয়ে তাঁদের অনেকে আশ্রয় নেন ভাটপাড়া পুরসভায়৷

[আরও পড়ুন: সরাসরি বিজেপিকে ভোট দিতে বলছে কেন্দ্রীয় বাহিনী, অভিযোগ তৃণমূলের]

এমনকী, এমন অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে ভোটের লাইনে যাঁরা ছিলেন, তাঁরাও প্রবল আতঙ্কিত হয়ে ছুটতে শুরু করেন৷ কেউ কেউ ঢুকে পড়েন পুরসভার অন্দরে৷ কেউ বা লাগোয়া বাড়িতে ঢুকে পড়েন সংঘর্ষ থেকে বাঁচতে৷ বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ একেবারে অন্য দিকে মোড় নিতে থাকে৷ রাস্তায় পড়ে থাকে শেল৷ কেন্দ্রীয় বাহিনী, পুলিশ, ব়্যাফ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করে৷ ঘটনাস্থলে পৌঁছান বারাকপুরের পুলিশ কমিশনার৷ হামলাকারীদের কাছ থেকে মিলেছে ধারাল অস্ত্র৷ এমন অশান্তির খবর পেয়ে আর ঘরে বসে থাকেননি বিজেপি নেতা অর্জুন সিং৷ তিনিও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বাহিনী নিয়ে চলে যান ঘটনাস্থলে৷ অভিযোগ করেন, বোমাবাজিতে ৩ বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন৷ দু’জনের হাত উড়ে গেছে৷ তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় বাহিনী যথেষ্ট সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা৷ তবে অশান্তির রেশ এতটাই তীব্র যে, হিমশিম খেতে হয় জওয়ানদেরও৷ গোটা ঘটনায় জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন৷

ছবি: অমিত চক্রবর্তী

রাজ্যের ৪২ আসনের সম্ভাব্য ফলাফলের আভাস পেতে নজর রাখুন সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালের ভোট পরবর্তী সমীক্ষায়৷ চোখ রাখুন সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালের ফেসবুক পেজে, আজ সন্ধে ৭টায়৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং