Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১২ জুলাই ২০২৬

প্রস্তুতি সম্পন্ন, খাদ্যরসিকদের স্বস্তি দিয়ে শুরু ইলিশ অভিযান

মৎস্যবন্দরে সাজ সাজ রব।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০১৮, ১০:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০১৮, ১০:১৩

options
link
প্রস্তুতি সম্পন্ন, খাদ্যরসিকদের স্বস্তি দিয়ে শুরু ইলিশ অভিযান zoom
ছবি- প্রতীকী

দেবব্রত মণ্ডল, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: যুদ্ধে নামার আগের প্রস্তুতি সম্পন্ন। শেষ লগ্নের কাজ চলছে। কারণ এ যে জীবন বাজি রাখার মরশুম। কোনও কিছুতেই খামতি রাখতে চান না ট্রলার মালিক। মৎস্যজীবী। কাকদ্বীপের মৎস্যবন্দরে সাজ সাজ রব। শুক্রবার থেকে যে শুরু রুপোলি শস্য ঘরে তোলার দিন। মরশুমের প্রথম ট্রিপ। তাই চরম ব্যস্ততা উপকূলে।
নতুন মরশুম শুরু হওয়ার কয়েক মাস আগে থেকেই নিজেদের মানসিকভাবে প্রস্তুত করেন মৎস্যজীবীরা। ট্রলার নতুন করে সাজিয়ে তোলা হয়। গভীর সমুদ্রে গিয়ে মাছ ধরার সামগ্রীকেও নতুন করে সাজিয়ে নিতে চাইছেন মৎস্যজীবীরা। চিন্তা একটাই। কোনও কারণে যেন মাঝসমুদ্র থেকে খালি হাতে ফিরতে না হয়।

তবে ট্রলার মালিক ও মৎস্যজীবীদের চিন্তায় ফেলেছে তেলের মূল্যবৃদ্ধি। তার জেরে দাম বেড়েছে আনুষঙ্গিক জিনিসপত্রের। তবুও একরাশ আশা নিয়ে রওনা হচ্ছেন মাঝসমুদ্রে পাড়ি দেওয়ার। শুধু নিজেদের খাদ্য নয়, মজুত করা হয়েছে মাছ সংরক্ষণের বরফ, ট্রলারের তেল, প্রয়োজনীয় সবকিছুই। কাকদ্বীপ, নামখানা, পাথরপ্রতিমা, গঙ্গাসাগর, কুলতলি, ডায়মন্ডহারবার—সহ বেশকিছু জায়গায় সরকার অনুমদিত ট্রলার রয়েছে আড়াই হাজারের বেশি। আজ থেকে একে একে গভীর সমুদ্রে রওনা দেবে রুপোলি শস্যের সন্ধানে। প্রতি ট্রলারে ১৮-২০ জন মৎস্যজীবী থাকেন। প্রতি ট্রিপে এক-একটি ট্রলার ছাড়তে খরচ হয় প্রায় দেড়-দুই লক্ষ টাকা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[অ্যালকেমিস্টের আমানতকারীদের টাকা ফেরতের নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের]

ওয়েস্ট বেঙ্গল ফিশারম্যান অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিজন মাইতি জানান, তেলের দাম বাড়ার কারণে খরচও বেড়েছে। পর্যাপ্ত মাছ জালে না ধরা পড়লে সমস্যায় পড়বেন ট্রলার মালিক থেকে মৎস্যজীবী সকলেই। দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রায় লক্ষাধিক মানুষ এই পেশার সঙ্গে যুক্ত। তবে ট্রলার মালিক ও মৎস্যজীবীর জন্য খুশির খবর। চাহিদামতো ফসল ঘরে উঠবে। ঝোড়ো বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হয়েছে। পূবালি বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাসে নদীর নোনা জল মিষ্টি হয়। আর গভীর সমুদ্র থেকে ইলিশের ঝাঁক মোহনার দিকে আসবে নদীর মিষ্টি জল খেতে। আর জালে ধরা পড়বে রুপোলি শস্য। বৃষ্টি যত বাড়বে ততই বেশি ইলিশ জালে উঠবে বলে আশাবাদী মৎস্যজীবীরা। প্রস্তুতি কয়েক দিন আগেই শেষ হলেও রওনা হতে পারছিলেন না। কারণ সরকারি নিষেধাজ্ঞা। ১৫ জুনের আগে গভীর সমুদ্রে যাওয়ার উপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তিন মাস। মার্চের শেষ থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত নদীতে মাছ ধরা সরকারিভাবে নিষেধ থাকে। কারণ ওই সময় মাছের প্রজনন হয়। খোকা ইলিশ ধরা ঠেকাতেই এই নিষেধাজ্ঞা বলে সরকারি তরফে জানানো হয়েছে।

[ইভটিজারদের ধরাশায়ী করবে বিশেষ যন্ত্র, অসামান্য আবিষ্কার বাংলার যুবকের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.