মণিরুল ইসলাম, উলুবেড়িয়া: জেন জি বিপ্লবে অশান্ত নেপাল। পুড়েছে সংসদ ভবন। জনরোষে প্রহৃত নেতা-মন্ত্রীরা। রাজনৈতিক পালাবদলের কারণে গোটা দেশজুড়ে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। উত্তাল এই পরিস্থিতিতে ব্যবসা কার্যত বন্ধ পাহাড়ি দেশটিতে। যার প্রভাব পড়েছে হাওড়ার মৎস্য ব্যবসায়ীদের উপর।
নেপালে রাজনৈতিক অশান্তির জেরে উদ্বিগ্ন হাওড়ার রঙিন মাছের কারবারিরা। বাতিল হয়ে যাচ্ছে নেপাল থেকে আসা সব অর্ডার। ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, ক্ষতির মুখে পড়বেন তারা। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে নেপালে সেটাই এখন ভাবনার বিষয়। হাওড়ার রঙিন মাছের কারবারিরা নেপালে মাছ সরবরাহ করেন। শীতকাল বাদে সারা বছর তাঁরা হরেকরকম রঙিন মাছ নেপালে পাঠান। করোনার সময় ব্যবসা মার খেলেও এখন তা ভালোই চলছে। হঠাৎ ছন্দপতন।
হাওড়ার ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন তাঁরা নেপালে গোল্ড ফিস, এঞ্জেল, অস্কার, মলি, গাপ্পি-সহ রকমারি মাছ পাঠান। কিন্তু উত্তাল রাজনৈতিক কারণে এখন তা সম্ভব হচ্ছে না। মাছগুলোকে চৌবাচ্চায় পড়ে রয়েছে। নিয়মিত খাবার এবং ওষুধ দিতে হচ্ছে মাছগুলিকে। সেই কারণে খরচ বাড়ছে। পাশাপাশি মাছের সাইজ বেড়ে যাওয়ায় চারার খরচও বেড়ে যাচ্ছে।
মাছ ব্যবসায়ী প্রদীপ পাল বলেন, “গত দু’দিন ইন্টারনেট বন্ধ। নেপালের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। তবে এখন কথা হয়েছে। সব এজেন্ট অশান্তির কারণে মাছ পাঠাতে বারণ করেছেন। সময় চলে গেলে পুজোর মুখে ব্যবসায় বড় ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।” আরেক ব্যবসায়ী ঋতম পাল বলেন, “অক্টোবর মাস পর্যন্ত রঙিন মাছ রপ্তানি করা যায়। শীতে নেপালের সঙ্গে রঙিন মাছ ব্যবসা হয় না। শীতকালে মাছ মরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই মাছ ঘরে রেখে দিলে ব্যবসা হবে না এবং লাভও হবে না। তাই আমরা চাই দ্রুত ওই দেশে শান্তি ফিরে আসুক। ফের দ্রুত চালু হোক ব্যবসা বাণিজ্য।”
Advertisement
সর্বশেষ খবর
-
মিড ডে মিলের বরাদ্দবৃদ্ধি, বাড়ছে রাঁধুনিদের পারিশ্রমিকও, সব স্কুলে বসবে স্যানিটারি ভেন্ডিং মেশিন
-
সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল থেকে ৬০ কিমি বাঁধ, সুন্দরবনকে ‘সুন্দর’ করতে বাজেটে ঢালাও বরাদ্দ
-
ঠিকানা ছিল ফুটপাথ, কাজ রাস্তা সাফাই, বিশ্বরেকর্ডের মালিক আলিরেজাই ইরানের স্বপ্নের সওদাগর
-
বেঙ্গালুরুতে কংগ্রেসের সভাতেই থমকাল ভাষণ, দলীয় কর্মীদের ‘অকর্মণ্য’ বললেন খাড়গে
-
রুদ্রনীলকে নিয়ে শমীকের দরবারে প্রসেনজিৎ, আতশকাচে ‘ইন্ডাস্ট্রি’র সাক্ষাৎ