রূপায়ন গঙ্গোপাধ্যায়: মাঝরাস্তায় হারিয়ে গিয়েছিল গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র এবং টাকা। পুলিশের চেষ্টায় খোওয়া যাওয়া সেই জিনিসই ফেরত পেলেন এক ব্যক্তি। রেল কর্মীর মূল্যবান জিনিসপত্র ফিরিয়ে দিয়ে বুধবার পুলিশ দিবসের দিন হাওড়া (Howrah) সিটি পুলিশ কর্তাদের প্রশংসা কুড়িয়ে নিলেন ব্যাটরা ট্রাফিক গার্ডের সাব ইন্সপেক্টর গোপাল কর্মকার। পেলেন পুরস্কারও।
জানা গিয়েছে, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ব্যাটরা সাব ট্রাফিক গার্ডের সামনে ডিউটি করার সময় একটি ব্যাগ কুড়িয়ে পান সাব ইন্সপেক্টর গোপাল কর্মকার। ব্যাগ খুলে গোপালবাবু দেখেন, তার মধ্যে রয়েছে কয়েক হাজার টাকা, আধার কার্ড, রেলের আই কার্ড। কোন ফোন নম্বর না থাকায় প্রথমে কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি গোপালবাবু। পরে তিনি ফোন নম্বর জোগাড় করেন ওই ব্যক্তির।
[আরও পড়ুন: রাজ্যে ফের ভুয়ো পুলিশ কর্মীর হদিশ, চাকরির নামে ৬০ লক্ষ টাকা প্রতারণার হদিশ]
জানা যায়, খোওয়া যাওয়া ব্যাগটি টিকিয়াপাড়া রেল কারশেডের কর্মী তথা পর্ণশ্রীর বাসিন্দা শিবশঙ্কর হালদারের। শিবশঙ্কর বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁকে ডেকে পাঠান ওই সাব ইন্সপেক্টর। এরপরই তাঁর হাতে সেটি তুলে দেন গোপালবাবু।
আসলে চ্যাটার্জি পাড়া বাস স্ট্যান্ডের সামনে শিবশঙ্কর বাবুর ব্যাগটি পড়ে গিয়েছিল। বাস ভাড়া মেটানোর সময় শিবশঙ্কর বাবু বুঝতে পারেন ব্যাগটি খোওয়া গিয়েছে। অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাগজ ছিল তাতে। শেষপর্যন্ত পুলিশের সহযোগিতায় ব্যাগটি ফেরত পাওয়ায় কৃতজ্ঞ ওই ব্যক্তি। এইরকম একটি ঘটনা পুলিশ দিবসের দিন অন্য মাত্রা দিল বলেই মনে করছেন হাওড়া সিটি পুলিশের ডিসি ট্রাফিক অর্ণব বিশ্বাস। এই মহৎ কাজের জন্য ডিসি ট্রাফিক পুরস্কৃত করেন সাব ইন্সপেক্টর গোপাল কর্মকারকে। আর গোপাল বাবুও খুশি খোওয়া যাওয়া ব্যাগটি সেটির আসল মালিককে ফিরিয়ে দিতে পারায়। অনেকেই গোপালবাবুর এই কাজের প্রশংসাও করেছেন।
[আরও পড়ুন: Coronavirus: কৃষকদের জন্য ‘স্পেশ্যাল ট্রেন’ চালুর দাবি, পূর্ব রেলে চিঠি Locket Chatterjee’র]
সর্বশেষ খবর
-
৩ মিনিট ১২ সেকেন্ড অপেক্ষাতেই পেনাল্টি মিস এমবাপের! তিতিবিরক্ত দেশঁ, ফুঁসে উঠলেন হালান্ডও
-
সারাদিন ফোনে মুখ গুঁজে বাড়ছে ডার্ক সার্কেল? দু’সপ্তাহেই ‘ভ্যানিশ’ হবে পাঁচ ঘরোয়া উপায়ে
-
সোমেই লাগু গুন্ডাদমন, ‘সামশেরগঞ্জ, ধুলিয়ান আর হবে না’, বহরমপুরে দাঁড়িয়ে কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর
-
নকল ডিগ্রি, জাল শংসাপত্র! শিক্ষায় ‘কঙ্কালসার’ বিহারে চাকরি যাচ্ছে ৩ হাজার শিক্ষকের
-
মায়েরা সব পারে… ফুসফুসের রোগে শয্যাশায়ী ছেলে, হাতে নোট লিখে জেইই পরীক্ষা পাশ করালেন মা!