Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
HS exam

পড়ুয়াদের সাহায্য করতে পারেন শিক্ষকরাই! হোম সেন্টারে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা ঘিরে প্রশ্ন

বিতর্ক এড়াতে বিশেষ ব্যবস্থার ভাবনা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২২, ১৪:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২২, ১৪:৩২

options
link
পড়ুয়াদের সাহায্য করতে পারেন শিক্ষকরাই! হোম সেন্টারে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা ঘিরে প্রশ্ন zoom
ছবি: প্রতীকী।

দীপঙ্কর মণ্ডল: হোম সেন্টার অর্থাৎ নিজ স্কুলেই পরীক্ষা দিতে পারবে চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক (HS) পরীক্ষার্থীরা। প্রায় দু’বছর ধরে চলা কোভিড পরিস্থিতি বিবেচনা করে, পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নেওয়া এই সিদ্ধান্তের যেমন একাধিক ইতিবাচক দিক রয়েছে, তেমনই উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কাও। থেকে যাচ্ছে অনিয়মের আশঙ্কা। নিজের স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চ মাধ্যমিকে ভাল ফলাফল সুনিশ্চিত করতে শিক্ষকদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার সম্ভাবনাই এক্ষেত্রে একমাত্র নেতিবাচক দিক হিসাবে উঠে আসছে।

কলেজিয়াম অফ অ্যাসিস্ট্যান্ট হেডমাস্টার্স অ্যান্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট হেডমিস্ট্রেসেস-এর সম্পাদক সৌদীপ্ত দাস বলেন, “নিজের স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের একটু বেশি নম্বর পাইয়ে দেওয়ার প্রবণতা থেকে শিক্ষকরা সহযোগিতা করতে পারেন। সেই সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। সহজাত প্রবণতায় কেউ কেউ এটা করবেন।  আর যে স্কুলের শিক্ষকরা পরীক্ষার নিয়ম কঠোরভাবে পালন করবেন, সেখানকার ছাত্রছাত্রীরা বাড়তি সুযোগ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবে। ফলে, একটা বৈষম্য তৈরি হবে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: মিলেছে কেন্দ্রের ছাড়পত্র, ছোটদের জন্য রাজ্যে আসছে নয়া করোনা ভ্যাকসিন]

আগামী ২ এপ্রিল থেকে শুরু হতে চলেছে ২০২২ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা।  চলবে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত। নিজ স্কুলে পরীক্ষার ক্ষেত্রে অনিয়ম হওয়ার আশঙ্কা নিয়ে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য বলেন, “আমরা সমস্যাগুলো সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। আমরা পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সকলকে সজাগ থাকার বার্তা দিয়েছি। আরও কিছু করা যায় কিনা সেটা চিন্তাভাবনা করে দেখছি। এখনও তো হাতে সময় রয়েছে। দেখা যাক।”

অভিজ্ঞ মহলের মতে, অনিয়ম ঠেকাতে একটি স্কুলের শিক্ষকদের পার্শ্ববর্তী অন্য কোনও স্কুলে পরিদর্শক হিসাবে পাঠানো যেতে পারে।  তবে, সেখানেও রয়েছে সমস্যা। জানা গিয়েছে, রাজ্যে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের প্রায় ৬ হাজার ৮০০টি স্কুল রয়েছে। যেহেতু হোম সেন্টারে পরীক্ষা হবে তাই প্রত্যেকটি স্কুলই এবছর উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষাকেন্দ্র। এত সংখ্যক স্কুলের মধ্যে শিক্ষক অদল-বদল করা কতটা সম্ভব তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। রয়েছে শিক্ষকদের অসুবিধার বিষয়ও। সৌদীপ্তবাবু বলেন, “ইনভিজিলেশন নিয়ে এখনও সংসদের তরফে কিছু বলা হয়নি। ওই স্কুলের শিক্ষকরাই পরিদর্শক হবেন, নাকি বাইরের স্কুলের শিক্ষকরা–সে সম্পর্কে এখনও কিছু বলা হয়নি। অন্য স্কুলের শিক্ষকদের অপরিচিত স্কুলে পরিদর্শক হিসাবে পাঠালে অসুবিধা হবে।”

[আরও পড়ুন: রুশ চক্রব্যুহে ইউক্রেন, তিনদিক থেকে হামলা পুতিন বাহিনীর, প্রাণ গেল ৭ নাগরিকের]

প্রসঙ্গত, রাজ্যের জেলাগুলিতে গিয়ে পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা আধিকারিক ও প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠক করছেন উচ্চমাধ্যমিক সংসদের আধিকারিকরা। ইতিমধ্যেই ১০টির বেশি জেলা পরিদর্শন করে এসেছেন সংসদ সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। জানা গিয়েছে, বৈঠকগুলিতে কোভিড পরিস্থিতিতে হোম সেন্টার হওয়ায় ছাত্র-ছাত্রীদের কী কী সুবিধা হবে সে সম্পর্কে বলেন সংসদ সভাপতি। একইসঙ্গে নিজ স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের অতিরিক্ত সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার মতো অনিয়ম নিয়েও সকলকে সজাগ থাকার বার্তা দেন তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.