Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১ জুলাই ২০২৬
Humayun Kabir

‘গ্রেপ্তারির পরোয়া করি না’, ‘স্যাটাভাঙা মার’ মন্তব্যে পুলিশের তলব পেয়েও স্বমেজাজে হুমায়ুন

ঠিক কী বলেছিলেন হুমায়ুন?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৬, ১৫:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৬, ১৫:১৯

options
link
‘গ্রেপ্তারির পরোয়া করি না’, ‘স্যাটাভাঙা মার’ মন্তব্যে পুলিশের তলব পেয়েও স্বমেজাজে হুমায়ুন zoom
'স্যাটাভাঙা মার' মন্তব্যে পুলিশের তলব পেয়েও স্বমেজাজে হুমায়ুন

‘স্যাটাভাঙা মার’ মন্তব্যের জেরে দুটি থানা থেকে তলব করা হয়েছে রেজিনগরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে। কিন্তু একটি থানায় হাজিরা দেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিলেন তিনি। রেজিনগর থানায় যাবেন বলে দাবি করলেও এই তলবকে যে একেবারেই গুরুত্ব দিচ্ছেন না তা বুঝিয়ে দিয়েছেন হুমায়ুন। তাঁর কথায়, “কী করবে থানায় গেলে? গ্রেপ্তার করবে? করলে করবে, হুমায়ুন ওসবকে পাত্তা দেয় না।”  

গত শুক্রবার রেজিনগরের কাশীপুর এলাকার এক জনসভা থেকে হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘‘বিজেপি জিতেছে, সরকার গড়েছে, ভালো কথা। কিন্তু মুর্শিদাবাদে হেরেও দু, একজন এমন আস্ফালন দেখাচ্ছেন যেন তাঁরাই বিধায়ক। এই আস্ফালনটা কমান। আমি যখন মুসলমানদের জড়ো করে করে স্যাটাভাঙা মার শুরু করব না, পালানোর পথ পাবেন না।” আরও একধাপ এগিয়ে তিনি বলেন, ‘‘কেস হবে? ওরকম কেস আমাদের বিরুদ্ধে অনেক আছে।” পরে শক্তিপুরের সভায় হুমায়ুনের হুঁশিয়ারি ছিল, ‘‘ভোটের আগেরদিন আমার ভাইপোকে গ্রেপ্তার করেছেন ওসি। তাঁকে আগে দেখব। তারপর ওর বাবাকে দেখব। ১০ হাজার লোক নিয়ে থানা ঘিরে থানা থেকে একে বের করব। পারলে রুখে দেখান।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সোমবার বিধানসভায় হুমায়ুনের (Humayun Kabir) সাম্প্রদায়িক মন্তব্য নিয়ে বিবৃতি দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘এই দুটো ঘটনার পর আমার মনে হয়েছে এনাফ ইজ এনাফ। এই ধরনের লোককে সবক শেখানোর সময় এসেছে। মনে রাখবেন, এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী নন। দুর্বল মুখ্যমন্ত্রী পেয়ে সেসময় যা খুশি করেছেন, যা খুশি বলেছেন। এখন এত বড় ক্ষমতা আপনাকে কেউ দেয়নি। দুটো কেস আমরা রুজু করেছি। বিএনএস এর সব মামলা দিয়েছি। পুলিশ যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেবে, আমি এক সপ্তাহের মধ্যে মুর্শিদাবাদ যাচ্ছি। দেশে আইন শেষ কথা বলে, কোনও বাপের বেটা বলে না।” মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তার পরই ওই অনুষ্ঠানের তিন আয়োজককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপরই মঙ্গলবার সকালে হুমায়ুনের বাড়িতে পৌঁছে যায় পুলিশ। দুটি মামলায় হাজিরার জন্য নোটিস দেওয়া হয়। এপ্রসঙ্গে বুধবার হুমায়ুন বললেন, “দুটো নোটিস পেয়েছি। ৩ তারিখ শুক্রবার আমি যাচ্ছি না। পরেরদিন দেখি, ভাবছি যাব। কী করবে, গ্রেপ্তার করবে? ওসবের পরোয়া করি না। আমার সঙ্গে পাঙ্গা নিতে এলে…। আমাকে জেলে নিয়ে গেলে ‘জেলে চলো, জেলে ভরো’ করব। দেখি কে কী করে।” অর্থাৎ এখনও নিজের অবস্থানে অনড় হুমায়ুন। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.