Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Humayun Kabir

জোটবার্তা নিয়ে ফুরফুরায় গিয়েও ‘হতাশ’ হুমায়ুন, দেখা করলেন না নওশাদ

রাজ্য রাজনীতিতে ক্রমশ চড়ছে উত্তাপ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৪:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৪:১৫

options
link
জোটবার্তা নিয়ে ফুরফুরায় গিয়েও ‘হতাশ’ হুমায়ুন, দেখা করলেন না নওশাদ zoom

সুমন করাতি, হুগলি: বিধানসভা নির্বাচনে লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছেন হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। তৈরি করেছেন নিজের দল জনতা উন্নয়ন পার্টি। এবার কোমর বেঁধে ভোটের ঘুঁটি সাজাতে শুরু করেছেন তিনি। আর এই পরিস্থিতিতে জোট প্রস্তাব নিয়ে ফুরফুরায় হুমায়ুন। তবে শুক্রবারের এই সফরে হালে পানি পেলেন না তিনি। শূন্য হাতেই ফিরতে হল হুমায়ুনকে। কারণ, দেখাই হল না ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির সঙ্গে। সূত্রের খবর, আইএসএফ সাফ জানিয়েছে, যতক্ষণ না হুমায়ুনের দল পুরোপুরি ধর্মনিরপেক্ষ হবে, ততদিন জোটের কোনও প্রশ্নই ওঠে না।

শুক্রবার ফুরফুরা শরিফে পীরজাদা সাহেরি সিদ্দিকি ও ইব্রাহিম সিদ্দিকির সঙ্গে দেখা করেন। তবে, আইএসএফের প্রতিষ্ঠাতা আব্বাস সিদ্দিকি কিংবা ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি না থাকায় তাঁদের সঙ্গে দেখা হয়নি। ফুরফুয়ায় এসে জোটবার্তা পোক্ত করাই লক্ষ্য ছিল তাঁর। বলেন, “বিজেপিকে হারাতে আর তৃণমূলকে তাড়াতে এক হয়ে লড়ার ডাক দিচ্ছেন।” নওশাদ না থাকায় ভেস্তে যায় সেই পরিকল্পনা। তবে হুগলির ফুরফুরা শরিফে দাঁড়িয়ে হুঙ্কারের সুর হুমায়ুনের গলায়। তিনি জানান, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেডে সভা করবে জনতা উন্নয়ন পার্টি। তারপর ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে বাবরি মসজিদ তৈরির কাজ। ব্রিগেড সভায় অন্তত ১০ লক্ষ জমায়েত হবে বলেও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তিনি।

Advertisement

বলে রাখা ভালো, তৃণমূলে থেকেও যেন বিচ্ছিন্ন ছিলেন হুমায়ুন। বারবার মুখ খুলে দলের অস্বস্তি বাড়িয়েছেন তিনি। দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে তাঁকে। তবে বিধায়ক পদ ছাড়েননি। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে শাসক শিবিরের ছত্রছায়া থেকে বেরিয়ে নিজে লড়াইয়ের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। বারবার তাঁর দলের হয়ে টার্গেটও বেঁধে দিয়েছেন। তারই মাঝে হুমায়ুনের ফুরফুরা সফর যে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। বলাই যায়, নওশাদের সাক্ষাৎ না পাওয়া রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ বাড়িয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.