Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
Bhangar

পরস্ত্রীকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে পালালেন প্রতিবেশী! স্ত্রীকে ফিরে পেতে প্রেমিকের বাড়ির সামনে ধরনা স্বামীর

ধরনার ঘটনা জানাজানি হতে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৫, ২০:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৫, ২০:১৪

options
link
পরস্ত্রীকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে পালালেন প্রতিবেশী! স্ত্রীকে ফিরে পেতে প্রেমিকের বাড়ির সামনে ধরনা স্বামীর zoom
Advertisement

দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: স্ত্রীকে নিয়ে ‘প্রেমিক’ পালিয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। স্ত্রীকে ফিরে পেতে সেই প্রেমিকের বাড়ির সামনেই ধরনা দিলেন স্বামী! চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের ভুমরু গ্রামে। ঘটনা নিয়ে রাজনীতির রংও লেগেছে। কারণ, যিনি ধরনায় বসেছেন, তিনি সক্রিয় আইএসএফ কর্মী বলে পরিচিত। এদিকে যার নামে পরস্ত্রীকে নিয়ে পালানোর অভিযোগ, তিনি তৃণমূল কর্মী।

স্থানীয় সূত্রে খবর, ভুমরু গ্রামের বাসিন্দা সালাউদ্দিন মোল্লার স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে সংসার। চাষাবাদের সঙ্গে যুক্ত সালাউদ্দিন এলাকায় সক্রিয় আইএসএফ কর্মী বলে পরিচিত। পাশের পাড়ার বাসিন্দা মোকারেম মোল্লা এলাকায় সক্রিয় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। অভিযোগ, সালাউদ্দিনের স্ত্রীকে মোকারেম মোল্লা ফুঁসলিয়ে নিয়ে গিয়েছেন। ওই মহিলার সঙ্গে তাঁর পরকীয়ার সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল বলেও অভিযোগ। স্ত্রী বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ায় তিন সন্তানকে নিয়ে প্রবল সমস্যায় পড়েছেন সালাউদ্দিন। অগত্যা স্ত্রীকে ফিরে পেতে স্ত্রীর ‘প্রেমিকে’র বাড়ির সামনেই প্ল্যাকার্ড নিয়ে ধরনায় বসেছেন তিনি! প্ল্যাকার্ডে লেখা, “আমার স্ত্রীকে নিয়ে তৃণমূল কর্মী পালিয়ে গিয়েছে, আমি স্ত্রীকে ফেরত চাই।”

Advertisement

স্ত্রীকে ফিরে পাওয়ার দাবিতে লাগাতার ধরনা চালিয়ে যাওয়ার কথাও বলছেন সালাউদ্দিন। তিনি বলেন, “অনেক দিন ধরেই আমার স্ত্রীর প্রতি কুনজর ছিল মোকারেমের। এর আগেও কয়েকবার স্ত্রীকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় চলে যায়। অনেক বুঝিয়ে সংসারে মন বসিয়েছিলাম ওর। কিন্তু হঠাৎ করেই আবার বাড়ি থেকে চলে গিয়েছে। মোকারেম ওকে নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে।” সালাউদ্দিনের আক্ষেপ, “আগেও পুলিশকে জানিয়েছিলাম, লাভ হয়নি। তাই এবার আর পুলিশকে জানাব না।” অভিযুক্ত ব্যক্তিও বিবাহিত। ফলে ঘটনা নিয়ে ওই পরিবারের সদস্যরা মুখে কুলুপ এঁটেছেন বলে খবর। এই ধরনার ঘটনা জানাজানি হতে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

বিষয়টি দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেছেন আইএসএফের নেতা তথা দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের সদস্য রাইনূর হক। কটাক্ত করে বলেছেন, “তৃণমূলের নেতারা শুধু এলাকায় তোলাবাজি দুর্নীতি করেই চুপ থাকছেন না, অন্যের স্ত্রীকে ধরেও টানাটানি করছেন।” স্থানীয় তৃণমূল নেতা তথা পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ আবদুল অদূত বলেন, “এটা পারিবারিক বিষয়। রাজনীতি মেশালে চলবে না।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.