Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৩ জুলাই ২০২৬

বাধ্য হয়েই চৌর্যবৃত্তিতে ‘বান্টি-বাবলি’, আসানসোল থেকে গ্রেপ্তার প্রেমিক যুগল

দুজনেই বেঁচে রয়েছে একটি করে কিডনি নিয়ে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০১৮, ১২:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০১৮, ১২:৩৪

options
link
বাধ্য হয়েই চৌর্যবৃত্তিতে ‘বান্টি-বাবলি’, আসানসোল থেকে গ্রেপ্তার প্রেমিক যুগল zoom

চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়, আসানসোল: এ এক অন্য বান্টি-বাবলির গল্প। যারা একে অপরের প্রেমে আচ্ছন্ন। কিন্তু শারীরিক অক্ষমতায় বাধ্য হয়ে রোজগারের জন্য নেমে পড়েছে অন্ধকার জগতে। তাই পুলিশের খাতায় তাদের নামে অতীতে কোনও অপরাধের ইতিহাস নেই। আবার প্রথম অপরাধ করেই লুকোচুরি খেলেও লাভ হল না। চৌর্যবৃত্তিতে অপটু যুগল সুনিল মাহাতো ও রচনা সিং ধরা পড়ল পুলিশের হাতে।

[মুম্বইয়ে আটক ভারতী ঘোষের দেহরক্ষী সুজিত মণ্ডল ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, তেলেঙ্গানা রাজ্যের সঙ্গরেড্ডি জেলার আমিনপুরের বাসিন্দা সুনীল ও রচনা। সুনিল প্রথমে কেরলে থাকত রোজগারের জন্য। পসার না জমায় ফিরে আসে হয়দরাবাদে। শুরু করে ফুলের ব্যবসা। আলাপ হয় রচনা সিংয়ের সঙ্গে। এরই মধ্যে সুনিল মাহাতো জানতে পারে রচনার একটা কিডনি খারাপ। নিজে আগ বাড়িয়ে একটি কিডনি দিয়ে দেয় রচনাকে। সুস্থ হয়ে ওঠে রচনা। প্রেম আরও গভীর হয় দু’জনের। কিন্তু দুজনেই বেঁচে রয়েছে একটি করে কিডনি নিয়ে। ভারী কাজ কার দুজনের পক্ষেই অসম্ভব। তাই সিনেমার ‘বান্টি বাবলি’র মতো দুজনেই নেমে পড়ে ছিনতাই আর চিটিংবাজিতে। আমিনপুরের সোনার দোকানে সোনা ও নগদ টাকা লুঠ করে পালিয়ে আসে আসানসোলে। কিন্তু বিধি বাম। সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ে তাদের ছবি। তারপরেই মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে তাদের আসানসোল থেকে পাকড়াও করে পুলিশ।

আসানসোল উত্তর থানার ধাদকা এলাকা থেকে ওই দু’জনকে ধরা হয়। ধৃতদের কাছ থেকে ১ কিলো ৮০০ গ্রাম সোনা ও নগদ ১ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়। হায়দরাবাদ পুলিশের দাবি, উদ্ধার হওয়া সামগ্রী চুরির সম্পত্তি। আসানসোল উত্তর থানার পুলিশের সাহায্যে হায়দরাবাদ পুলিশ অভিযুক্তদের বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেপ্তার করে। শুক্রবার তাদের ট্রানজিট রিমান্ড নিয়ে হায়দরাবাদের উদ্দেশে রওনা দেয় পুলিশ টিম।

ধৃতদের আসানসোল জেলা আদালতে তুলে ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে যায় তেলেঙ্গনা রাজ্যের সঙ্গরেড্ডি জেলার আমিনপুর থানার পুলিশ। এএসআই এস গোপালন বলেন, আমিনপুর থানা এলাকায় একটি সোনার দোকানের মালিককে বেঁধে সোনা ও নগদ টাকা নিয়ে চম্পট দিয়েছিল ধৃতরা। নগদ ও সোনা মিলিয়ে একটি ৫০ লক্ষ টাকার মামলা দায়ের হয় আমিনপুর থানায়। চোখে লঙ্কার গুড়ো ছিটিয়ে এই কাণ্ড ঘটনো হয়েছিল। কিন্তু পুরো ঘটনা সিসিটিভিতে ধরা পড়ে যায়। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দুষ্কৃতীদের ছবি বের করে তল্লাশি শুরু হয়। মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন ধরে আসানসোলে দুষ্কৃতীদের খোঁজ পায় তেলেঙ্গানা পুলিশ। আসানসোল উত্তর থানার পুলিশের সাহায্য নিয়ে তাদের বৃহস্পতিবার রাতেই গ্রেপ্তার করা হয়।

আাসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশের এডিসিপি সেন্ট্রাল সায়ক দাস জানিয়েছেন হায়দরাবাদ পুলিশ তাঁদের কাছে সাহায্য চেয়েছিল। সেইভাবেই সাহায্য করেছেন। তবে ধৃতদের নামে অতীতে আসানসোলে কোনও অপরাধের মামলা নেই। জানা গিয়েছে, ধৃতদের বাড়ি তেলেঙ্গানায়। আসানসোলেও তাদের যাতায়াত রয়েছে। এদের সঙ্গে আসানসোলের কোনও চক্র জড়িয়ে রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখবে পুলিশ।

[লাদাখে নিখোঁজ পেম্বা শেরপা, আটবারের এভারেস্টজয়ীর খোঁজে চলছে অভিযান]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.