Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Mamata Banerjee

৪ বছরের কাজ এক রাতেই শেষ! বাজপেয়ী জমানায় সাফল্যের গল্প শোনালেন মমতা

'কচ্ছে ভূমিকম্পের সময়ে একরাতে রেল লাইন বিছিয়ে সেখানে সাহায্য পৌঁছেছিলাম', বললেন মমতা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১২, ২০২৪, ২০:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১২, ২০২৪, ২০:৪৩

options
link
৪ বছরের কাজ এক রাতেই শেষ! বাজপেয়ী জমানায় সাফল্যের গল্প শোনালেন মমতা zoom
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অটলবিহারী বাজপেয়ী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘নরেন্দ্র মোদির চেয়ে অনেক ভালো মানুষ ছিলেন অটলবিহারী বাজপেয়ী’, একাধিকবার নানা জনসভায় একথা জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মঙ্গলবার কেন্দ্রের মোদি সরকারের বিরোধিতা করতে গিয়ে মমতার মুখে উঠে এল সেই বাজপেয়ী জমানার প্রশংসা। জানালেন, বাজপেয়ী সরকারের আমলে রেলমন্ত্রী থাকাকালীন অটলজির (Atal Bihari Vajpeyee) সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল তাঁর। এমনকি রেলমন্ত্রী হয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতায় অসম্ভবকে সম্ভব করে তোলার গল্প শোনালেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। জানালেন, কচ্ছে ভূমিকম্পের সময়ে একরাতে রেল লাইন বিছিয়ে সেখানে ‘সাহায্য’ পৌঁছেছিলাম আমি।

মঙ্গলবার শিলিগুড়ির উন্নয়ন বোর্ডের বৈঠকে এ ব্যাপারে মমতা বলেন, “আমি তখন রেলমন্ত্রী ছিলাম। কচ্ছে ভয়াবহ ভূমিকম্প হল। দেশের সঙ্গে তখন ওই এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত বিচ্ছিন্ন। অটলজি আমায় জিজ্ঞেস করলেন, মমতা ওখানে আমাদের সাহায্য কীভাবে পৌঁছবে? কচ্ছের মানুষের কাছে খাবার নেই, কোনও সাহায্য নেই। মানুষ তো না খেতে পেয়ে মারা যাবে।” ভয়াবহ সেই পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে তখন প্রধানমন্ত্রীকে (Prime Minister) আশ্বস্ত করেন তৎকালীন রেলমন্ত্রী (Rail Minister) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “আমি তখন প্রধানমন্ত্রীকে বললাম, আমায় আজ রাতটা সময় দিন। এরপর মাত্র এক রাতে আমি পুরো রেল লাইন বিছিয়ে দেই। যা করতে চার বছর সময় লাগে, তা মাত্র একরাতে করেছিলাম রেলমন্ত্রী থাকাকালীন। এরপর দিল্লি থেকে ত্রাণ ও অন্যান্য রসদ পৌঁছে যায় কচ্ছের মানুষের জন্য।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: CAA-র পোর্টালে আবেদন করলেই বাতিল হবে নাগরিকত্ব: মমতা]

শুধু তাই নয়, দেশের রেলমন্ত্রী থাকাকালীন নিজের কাজের খতিয়ানও এদিন তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আনন্দপুর সাহিব, আজমির সাহিব সহ একাধিক রেল স্টেশন আমি করেছি। লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা দিয়েছি বাংলার রেল প্রকল্পে। আমি রেলমন্ত্রী না হলে দিল্লি মেট্রো হত না। মুম্বইয়ে রেল বিকাশ, রেলে অ্যান্টি কলিশন ডিভাইস আমি করেছি। এখন এরা রেলের যে সব প্রকল্পের উদ্বোধন করছে তার সব আমার সময়ের।”

[আরও পড়ুন: CAA, NRC মানি না! এবার প্রতিবাদে পথে নামছেন মমতা]

অটল বিহারী বাজপেয়ীর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুসম্পর্কের কথা অবশ্য জাতীয় রাজনীতিতে কারও অজানা নয়। বাজপেয়ী জমানায় ১৯৯৯ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত রেলমন্ত্রী হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় দিল্লি-শিয়ালদহ রাজধানী এক্সপ্রেস সহ একাধিক নতুন ট্রেন চালু করেন মুখ্যমন্ত্রী। এহেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি একটা স্নেহ ছিল প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর। সেই স্নেহ থেকেই প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন কলকাতা এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের টালির চালের বাড়িতে গিয়ে উঠেছিলেন অটল বিহারী বাজপেয়ী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা গায়ত্রী দেবীর হাতে বানানো নাড়ু খান বাজপেয়ী। পরবর্তী সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এনডিএ ছাড়লেও বাজপেয়ীর সঙ্গে অত্যন্ত সুসম্পর্ক ছিল তাঁর। মঙ্গলবার শিলিগুড়িতে সেই কাহিনী শোনালেন মুখ্যমন্ত্রী।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.