Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
police

থানায় বসে মাংস-ভাতে ভূরিভোজ ধৃত বিজেপি কর্মীদের, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বদলি কোতোয়ালির আইসি

পূর্ব মেদিনীপুরের কন্টাইয়ের কোর্ট ইন্সপেক্টর পদে বদলি করা হয়েছে তাঁকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২০, ২২:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২০, ২২:৫৯

options
link
থানায় বসে মাংস-ভাতে ভূরিভোজ ধৃত বিজেপি কর্মীদের, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বদলি কোতোয়ালির আইসি zoom

শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি: থানায় বসিয়ে গরম ভাত-মাংস খাইয়েছিলেন আন্দোলন করে গ্রেপ্তার হওয়া বিজেপি নেতাদের। তারপর ২৪ ঘণ্টাও কাটল না। বদলি হলেন জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার আইসি বিশ্বাশ্রয় সরকার।পূর্ব মেদিনীপুরের কন্টাইয়ের কোর্ট ইন্সপেক্টর পদে বদলি করা হয়েছে তাঁকে। পুলিশ আধিকারিক বদলি হতেই পারেন। কিন্ত থানায় বসিয়ে ধৃত বিজেপি নেতাদের জামাই আদরের জেরেই তাঁকে বদলি করা হল কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে জেলার পুলিশ কর্তারা এ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করেননি।

সোমবার সকালে বাড়ির কিছুটা দূর থেকে উদ্ধার হয়েছিল হেমতাবাদের বিজেপি বিধায়ক (MLA) দেবেন্দ্রনাথ রায়ের ঝুলন্ত দেহ। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরই বিজেপি (BJP) অভিযোগ তোলে যে, পরিকল্পনামাফিক তৃণমূলের লোকেরা খুন করেছে ওই বিধায়ককে। তদন্তের দাবিতে সরব হন প্রত্যেকে। মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গে বনধের ডাক দেয় বিজেপি। সেই মতো এদিন সকাল থেকেই বনধ সফল করতে রাস্তায় নামে গেরুয়া শিবিরের কর্মীরা। কোতোয়ালি থানার বিভিন্ন জায়গায় জোরপূর্বক দোকান বন্ধ করানোর অভিযোগ ওঠে তাঁদের বিরুদ্ধে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ময়দানে নামে কোতোয়ালি থানার পুলিশ। সেই সময়ই আটক করে থানায় নিয়ে যায় মহিলা-সহ বেশ কয়েকজন। সেখানে থাকাকালীন বিজেপি কর্মীরা পুলিশ আধিকারিকদের জানায় যে, তাঁদের খিদে পেয়েছে। ধৃতদের মধ্যহ্নভোজের আবদার পাওয়া মাত্রই আয়োজন শুরু করে পুলিশ। কিছুক্ষণের মধ্যেই থানায় পৌঁছে যায় গরম ভাত-খাসির মাংস।

Advertisement

[আরও পড়ুন : একই পরীক্ষাকেন্দ্র, মাধ্যমিকে প্রাপ্ত নম্বরও একই! যমজ মেয়ের কীর্তিতে উচ্ছ্বসিত বাবা-মা]

প্রায় বছর তিনেক ধরে জলপাইগুড়ির  কোতোয়ালি থানার দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন বিশ্বাশ্রয়বাবু। শহরের মানুষের বক্তব্য, তাঁর আমলে  শহরে অপরাধ অনেক কমেছে। শুধু তাই নয়, সামাজিক কাজেও সমানভাবে এগিয়ে আসতেন তিনি। তাই তাঁর এই বদলিতে স্বাভাবিকভাবেই জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের দাবি, এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.