Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

জন্মদিনে অবহেলিত রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিধন্য কবি নবীনচন্দ্র সেনের বাসভবন

শ্রদ্ধাজ্ঞাপণে ত্রুটি জেনেও সাফাই গাইলেন রানাঘাটের মহকুমা শাসক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০১৮, ১৯:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০১৮, ১৯:২৯

options
link
জন্মদিনে অবহেলিত রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিধন্য কবি নবীনচন্দ্র সেনের বাসভবন zoom

বিপ্লব দত্ত, কৃষ্ণনগর: পঁচিশে বৈশাখ ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর কফিহাউসের প্রথম পাতায় কবি শ্রীজাতর ‘পঁচিশের ছড়া’ কবিতার প্রথম লাইনেই লেখা ছইল ‘সাজ সাজ রব করব কবে,আজ যদি আর না করি?’ তবে কবিগুরুর ১৫৮তম জন্মদিনে তাঁর পদধূলি ধন্য ধরাধামই রয়ে গেল ‘অবহেলিত’। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মরণে কোনও অনুষ্ঠান করা তো দূরের কথা, গলায় একটা মালা ও ধূপ পেতে কবিগুরুকে অপেক্ষা করতে হল দুপুর পর্যন্ত।

ঘটনাস্থল নদিয়ার রানাঘাট মহকুমা শাসকের নিজস্ব বাসভবন। ১৮৯৪-এর, ৪ সেপ্টেম্বর সেইসময় রানাঘাটের মহকুমা শাসক ছিলেন বিখ্যাত কবি নবীনচন্দ্র সেন। বিশ্বকবির প্রতি তাঁর সন্মান তো বটেই, কবির সঙ্গে তাঁর সখ্যতাও প্রশ্নাতীত। কবি নবীনচন্দ্র সেনের অনুরোধে সশরীরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পা রেখেছিলেন তাঁর বাসভবনে। জানা যায়, দুই কবির সাক্ষাতের দিনে কবিতা, গানে মেতে উঠেছিল সেই বাড়ি। রবিঠাকুর নাকি ওই বাসভবনে রাতটাও কাটিয়েছিলেন। কবিতা, গান-সহ বিভিন্ন বিষয়ে দুই কবির মধ্যে আলোচনা ও মতবিনিময় হয়েছিল তখন। দুই কবির সেই সাক্ষাতের দিন, ৪ সেপ্টেম্বর আজও ঘটা করেই পালিত হয় রানাঘাট মহকুমায়। কবি মিলন উৎসব কমিটির সহযোগিতায় ও তথ্য-সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলে নানান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। তবে এবার পঁচিশে বৈশাখে অন্য ছবি দেখা গিয়েছে এই বাসভবনে। বুধবার রাজ্য সরকারের ছুটি ছিল। ফলে মহকুমা শাসকের বাসভবনে পাশাপাশি থাকা দুই কবির আবক্ষমূর্তি পড়ে ছিল হেলায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, কবিগুরুর জন্মদিনে বিশ্বকবির গলায় বেলা প্রায় একটা পর্যন্ত মালা পড়েনি। অভিযোগ, সরকারি ছুটি থাকায় কবিগুরুর জন্মদিন সম্পর্কে নির্বিকার ছিল জেলা প্রশাসন।

Advertisement

বিষয়টি স্বীকার করে নিয়ে রানাঘাটের মহকুমা শাসক প্রসেনজিৎ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, একটা নাগাদ নয়, বেলা বারোটা নাগাদ শ্রদ্ধা জানানো হয়েছিল বরেণ্য দুই কবিকে। মঙ্গলবার ঝড়-বৃষ্টির ফলে শ্রদ্ধাজ্ঞাপণে দেরি হয়েছিল বলে সাফাই দিয়েছেন বর্তমান মহকুমা শাসক। কবিগুরুর জন্মদিনকে অত্যন্ত শুভক্ষণ ধরে এদিন রানাঘাটের কোর্টপাড়া ইয়ং ক্লাব দূর্গাপুজোর খুঁটিপুজো করে। ক্লাবের সূবর্ণজয়ন্তী বর্ষের স্মরনিকা সম্পাদক গৌতম রায় জানিয়েছেন, ‘আমাদের স্মরণে-মননে,সব কিছুতেই কবিগুরু জড়িয়ে রয়েছেন। তাই তাঁর জন্মদিনের শুভ দিনটিকে আমরা দুর্গা উৎসবের খুঁটিপুজোর সঠিক দিন হিসাবে বেছে নিলাম।’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.