Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
IISER

IISER-র হরিণঘাটা ক্যাম্পাসে ‘আত্মঘাতী’ পড়ুয়া, মৃত্যুর আগে ফেসবুকে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ

তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০২৫, ১৭:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০২৫, ১৭:৪৫

options
link
IISER-র হরিণঘাটা ক্যাম্পাসে ‘আত্মঘাতী’ পড়ুয়া, মৃত্যুর আগে ফেসবুকে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ zoom
প্রতীকী ছবি

সুবীর দাস, কল্যাণী: আইজার হরিণঘাটা ক্যাম্পাসের এক পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যু। অত্যাধিক মাত্রায় ওষুধ খেয়ে আত্মঘাতী ছাত্র। পড়ুয়ার পরিবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন। এমনকী মৃত্যুর আগে সোশাল মিডিয়ায় দীর্ঘ পোস্ট করেছেন মৃত পড়ুয়া। ঘটনায় প্রবল শোরগোল।

মৃত পড়ুয়ার নাম অনিমিত্র রায়। বয়স ২৫ বছর। তিনি শ্যামনগরের বাসিন্দা (ফেসবুক সূত্রে জানা গিয়েছে)। অনিমিত্র আইজার কলকাতার হরিণঘাটা ক্যাম্পাসের পিএইচডি তৃতীয় বর্ষের (সিনিয়র রিসার্চ) ছাত্র ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই শারীরিক অসুস্থার জন্য ওষুধ খেতেন।

Advertisement

বৃহস্পতিবার রাতে অতিরিক্ত মাত্রায় ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন যুবক। অন্য পড়ুয়ারা তা বুঝতে পেরে তড়িঘড়ি তাঁকে কল্যাণী এইমসে নিয়ে যায়। তবে শুক্রবার সকালে তিনি মারা যান বলে জানতে পারেন পরিবারের সদস্যরা। অনিমিত্রের পরিবার জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাতে কলেজ কর্তৃপক্ষের তরফে তাঁদের জানানো হয়, তাঁদের ছেলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। শুক্রবার সকালে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে এসে জানতে পারেন মৃত্যু হয়েছে পড়ুয়ার।

এদিকে মৃত্যুর আগে ফেসবুকে দীর্ঘ পোস্ট করেছেন পড়ুয়া।সেখানে সৌরভ বিশ্বাস নামে এক পড়ুয়ার উপরে চাপ সৃষ্টির অভিযোগ তুলে গিয়েছেন তিনি। বিষয়টি তিনি সুপার ভাইজার অনিন্দিতা ভদ্রকেও জানিয়েছিলেন, কিন্তু কোনও সুরাহা হয়নি বলে অভিযোগ তুলে পোস্ট করেন তিনি। তারপরই এই কাণ্ড।

মৃত পড়ুয়ার দিদি বলেন, “বৃহস্পতিবার রাত ৯টা নাগাদ ওর সঙ্গে শেষবার কথা হয়েছিল। তখনও কিছু বুঝতে পারিনি। বলা হচ্ছে অতিরিক্ত মাত্রায় ওষুধ খেয়ে আত্মঘাতী হয়েছে। ওর ফেসবুক পোস্টে স্পষ্ট র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ তুলে গিয়েছে। বলেছে সৌরভ বিশ্বাস নামে এক পড়ুয়া ওকে চাপ দিত। একথা সুপারভাইজার অনিন্দিতা ভদ্রকেও ভাই জানিয়েছিল। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কেন এমন হচ্ছে? পরিবার ভরসা করে পড়তে পাঠায়। বাবা-মায়ের পর শিক্ষকরাই সব। কেন নজর দেওয়া হয়নি?” আইজারের তরফে এক শিক্ষক বলেন,”এখনই কিছু বলা সম্ভব নয়, পুলিশে অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার আভ্যন্তরীণ তদন্ত হবে।” তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.