Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৪ জুলাই ২০২৬

পণে বাকি ১ ভরি সোনা, বর্ধমানে খুন হতে হল বধূকে

বর্ধমানের আর এক প্রান্তে সম্পর্কের বিবাদের 'বলি' বধূ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৯, ১৯:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৯, ১৯:১৪

options
link
পণে বাকি ১ ভরি সোনা, বর্ধমানে খুন হতে হল বধূকে zoom

সৌরভ মাজি ও ধীমান রায়: বর্ধমান জেলার দুই প্রান্তে অকালে ঝরে গেল দুই প্রাণ। কাঠগড়ায় সেই শ্বশুরবাড়ি। পণ হিসাবে স্রেফ ১ ভরি সোনা বাকি ছিল। এই অপরাধে পূর্বস্থলীতে বধূকে মারধর করে মুখে বিষ ঢেলে দেওয়া হল। আর বর্ধমান শহরে পিটিয়ে ঝুলিয়ে দেওয়া হল এক সঙ্গীতশিল্পীকে।

[ভাঙা কাচের বোতল গলায় ঢুকিয়ে প্রেমিকাকে খুনের চেষ্টা, ধৃত যুবক]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে মৃত্যু হয় পূর্বস্থলীর হলদি ন’পাড়ার পূজা দাসের (২২)। ৪ বছর আগে পূর্বস্থলীর হলদি ন’পড়ারা বাসিন্দা সত্যজিৎ দাসের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছিল। মা পূর্ণিমাদেবী জানান, বিয়েতে ২ লক্ষ টাকা নগদ জামাইকে দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া সাড়ে তিন ভরি সোনার গহনা যৌতুকের কথা হয়। পূর্ণিমাদেবীর সংযোজন, সাড়ে তিন ভরির মধ্যে এক ভরি সোনার গহনা বাকি ছিল। তাই নিয়ে প্রায়ই আমার মেয়েকে অপমান করা হত। গত বৃহস্পতিবার জামাই সত্যজিৎ ফোনে হুমকির সুরে জানিয়েছিল মেয়েকে শেষবারের মতো দেখে যেতে। মেয়েরবাড়িতে গিয়ে দেখেন পূজা খুব অসুস্থ। মুখ থেকে ফেনা বের হচ্ছে। পূর্ণিমাদেবী বলেন, আমি যাওয়ার পর ওরা মেয়েকে নিয়ে নবদ্বীপ হাসপাতালে নিয়ে যেতে চায়। গাড়িতে আমি জোর করে উঠি। তখন মেয়ে আমায় বলে শ্বশুরবাড়ির লোকজন মুখে জোর করে বিষ ঢেলে দিয়েছে। নবদ্বীপে ভর্তি না নেওয়ায় অসুস্থ ওই বধূকে কাটোয়া হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই ওই বধূর মৃত্যু হয়। ঘটনার পর থেকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক।

BDN-WIFE-MURDER.jpg-2

[সরকারি কর্মীদের জন্য সুখবর, দোলে মিলবে টানা ছুটি]

এদিকে রহস্য দানা বেঁধেছে বর্ধমানের এক সঙ্গীতশিল্পীর অস্বাভিক মৃত্যুতে। কালনাগেটের সুকান্তপল্লিতে নির্মলা মুখোপাধ্যায়ের দেহ শ্বশুরবাড়ি থেকে তাঁর ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয়। এই ঘটনার জন্য শ্বশুরবাড়ির লেকজনকেই দায়ী করেছেন মৃতের বাপের বাড়ির লোকজন। নির্মলাদেবীর বাপের বাড়ি জামালপুরে।বছর দশেক আগে সুকান্তপল্লির নরোত্তম মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিয়ে হয় নির্মলার। আট বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে তাঁদের। গৃহবধূর বাপের বাড়ির লোকজন জানিয়েছেন, নির্মলাদেবী মেমারি কলেজে সংগীত বিভাগের আংশিক সময়ের শিক্ষিকা ছিলেন। তিনি আকাশবাণী ও দূরদর্শনের নিয়মিত গানের শিল্পী ছিলেন। তাঁর স্বামী পেশায় গৃহশিক্ষক ছিলেন। গৃহবধূর বাপের বাড়ির লোকজনের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই নির্মলার উপর শ্বশুরবাড়ির লোকজন শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার শুরু করে। নির্মম নির্যাতন চালানো হত। রবিবার রাতেও চরম অশান্তি হয় বলে জানা গিয়েছে।

[বিশ্বের সবথেকে বড় সত্যনারায়ণ, ৫৫ ফুটের মূর্তি দর্শনে মেলা ভিড়]

 মৃতের ভাই পার্থ চক্রবর্তী বলেন, “জামাইবাবু মারধর করত দিদিকে। রবিবার রাতেও মেরেছে। তারপর শ্বাসরোধ করে খুন করে ঝুলিয়ে দিয়েছে।” ঘটনার পর থেকে গৃহবধূর শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক। গৃহবধূর স্বামী অবশ্য শ্বশুরবাড়িতে ফোন করে খবর দেন। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, স্বামী-স্ত্রীর ইগোর লড়াইয়ের জেরে এই ঘটনা। নির্মলাদেবীর রোজগারেই মূলত সংসার চলত।

ছবি: জয়ন্ত দাস ও মুকলেসুর রহমান

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.