Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Indian Railway

দিঘায় জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধন, রাজ্যের আবেদনে সাড়া দিয়ে বাড়তি ট্রেন চালাবে রেল

২৫ এপ্রিল থেকে ৪ মে পর্যন্ত রোজ দু’টি বাড়তি ট্রেন চালানোর কথা ঘোষণা করেছে দক্ষিণ-পূর্ব রেল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৫, ২০২৫, ১৩:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৫, ২০২৫, ১৩:৫৮

options
link
দিঘায় জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধন, রাজ্যের আবেদনে সাড়া দিয়ে বাড়তি ট্রেন চালাবে রেল zoom

সুব্রত বিশ্বাস: উত্তরপ্রদেশের মহাকুম্ভ থেকে শিক্ষা নিয়ে দিঘায় জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করছে রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় সব দপ্তরের আধিকারিক ও জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে তিনি যে কোনও ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা করার কথা বলেছেন। যাতায়াতের সুবিধার জন্য তাঁর নির্দেশেই বিশেষ ট্রেন চালানোর জন্য রেলের কাছে আবেদন করেছিল রাজ্য। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে ২৫ এপ্রিল থেকে ৪ মে পর্যন্ত রোজ দু’টি বাড়তি ট্রেন চালানোর কথা ঘোষণা করেছে দক্ষিণ-পূর্ব রেল।

ঘোষণা হওয়া দু’টি ট্রেনের একটি হাওড়া থেকে দিঘা ও অন্যটি পাঁশকুড়া থেকে দিঘার মধ্যে চলবে। রেল সূত্রে খবর, হাওড়া থেকে দুপুর ১.১০ মিনিটে ছেড়ে বিকেল ৫.৩৫ মিনিটে দিঘা পৌঁছবে ট্রেনটি। সেখান থেকে ওই দিনই বিকেল পৌঁনে ছ’টায় ছেড়ে হাওড়া আসবে রাত ১০.৩৫ মিনিটে। চলার পথে মোট ৪১ টি স্টেশনে থামবে ট্রেনটি। অন্যদিকে, পাঁশকুড়ার থেকে ট্রেনটি ভোর পৌঁনে ৫ টায় ছেড়ে দিঘা পৌঁছবে সকাল ৭.২৫ মিনিটে। সেখান থেকে ফের ৭.৩৫ মিনিটে ছেড়ে পাঁশকুড়া আসবে সকাল ১০.২০ মিনিটে। মাঝে ১৮টি স্টেশনে থামবে ট্রেনটি।

Advertisement

দিঘায় জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধনে বিপুল মানুষের ভিড় হবে বলে মনে করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার কথা ভেবে হাওড়া, কোলাঘাট, দিঘা-সহ বিভিন্ন জায়গায় সিসিটিভি লাগানো ছাড়াও ওয়াচটাওয়ার তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্টেশনে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে রেলের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। ২৯ এবং ৩০ তারিখে দিঘায় মূল অনুষ্ঠানস্থলে তিনটি হ্যাঙ্গারে মোট ১২ হাজার মানুষের বসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখার জন্য রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে এলইডি স্ক্রিন লাগানো হচ্ছে।

মন্দিরের উদ্বোধনের আগের দিন অর্থাৎ ২৯ তারিখ হোম-যজ্ঞ হবে। যজ্ঞ করবেন পুরীর মন্দিরের রাজেশ দ্বৈতাপতি এবং তাঁর সহযোগীরা। থাকবেন ইসকনের কলকাতা শাখার প্রধান সেবায়েত রাধারমণ দাস। অক্ষয় তৃতীয়ার দিন অর্থাৎ ৩০ তারিখে বেলা ১১টায় হবে মূর্তির প্রাণপ্রতিষ্ঠা। তার পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। দুপুর ৩টের পর মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়া হবে সাধারণ পুণ্যার্থীদের জন্য।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.